ঈদের গহনা কোথায় পাবেন

  লাইফস্টাইল ডেস্ক ১৩ জুন ২০১৮, ১৮:২৮ | অনলাইন সংস্করণ

ঈদের গহনা, ছবি সংগৃহীত
ঈদের গহনা, ছবি সংগৃহীত

সাজের বাহার আর তাকে নিজের মাঝে তুলে ধরাতে নারীর তুলনা নেই। সৌন্দর্যের এই অপরূপ সৃষ্টি নিয়ে যুগে যুগে কবি-সাহিত্যিকরা নানা কবিতা-গান রচনা করেছেন।

নানা ফ্যাশন আর ট্রান্ড যুক্ত হয়েছে এই সাজের তালিকায়। তবে একটি সাজের সরঞ্জাম এখনও নারীদের কাছে সমান গুরুত্বের। আর তা হচ্ছে গহনা।

নানা অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে উৎসবে যা ছাড়া নারী অসম্পূর্ণ তা হচ্ছে এই গহনা। আর এই গহনার সাজে নারীকে দেখার অন্যতম আরেকটি সময় হচ্ছে ঈদ।

ঈদুল আজহা কিংবা কোরবানির ঈদ এই সময়ে নারীর মাঝে নিজেকে গহনার আদলে সাজিয়ে তোলার একটি রকমারি মনোভাব দেখা যায়।

ঈদের এই সময়টাতেই বাড়িতে নানা আত্মীয়স্বজন ঘুরতে আসে। তার সঙ্গে নিজেদের কখনও অতিথি হয়ে যেতে হয় কোথাও। আর এতেই থাকে নিজেকে একটু আলাদাভাবে সাজিয়ে তোলার ইচ্ছা।

ঈদের এই সময়টাতে আপনাকে যেমন চারদিকের কাজ একা হাতে সেরে নিতে হয় তেমনি নিজেকে সাজানোর দিকেও হতে হয় সমানভাবে পারদর্শী। শাড়ি হোক কিংবা সালোয়ার-কামিজ যে কোনো পোশাকের সঙ্গেই মানিয়ে যায় গহনা।

তবে কোরবানির ঈদে নারী চায় যতটা সম্ভব হালকা সাজে নিজেকে সাজাতে। ভারী গহনা একে যেমন কাজে ব্যাঘাত ঘটায় তেমনি বর্তমান ট্রান্ড্রের সঙ্গেও মানিয়ে ওঠে না।

স্বর্ণের গহনার প্রতি নারীর টান সব সময় থাকে সমানভাবে। আপনি কোথাও যেতে চাইলে গলায় পরতে পারেন স্বর্ণের নেকলেস কিংবা হাঁসুলি।

গোল্ড প্লেটের গহনার সাজেও সাজাতে পারেন নিজেকে। সে ক্ষেত্রে লহরি মালার সেট, ক্রিস্টালের গহনাতে আপনাকে বেশ মানাবে। কানের দুলের প্রতি আছে নারীর সমান ঝোক। স্টিল থেকে শুরু করে রূপার, ডায়মন্ড, স্বর্ণের, মেটাল, সিলভারের গহনাতেও নারীকে সেজে উঠতে দেখা যায়।

তবে যারা ওয়েস্টার্ন কিংবা সালোয়ার কামিজ পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তারা কানপাশা, মাকড়ি, ঝুমকা, বালা, বাজু, হাঁসুলি, মাদুলি পরতে পারেন।

হাতে পরতে পারেন চিকন দুটি বালা। কিংবা স্টোনের চুড়িতেও সাজিয়ে তুলতে পারেন আপনার হাত। আঙ্গুলে পরতে পারেন আংটি। সেই ক্ষেত্রে গোল্ড প্লেটের হলে ভালো হয়।

এছাড়া কাপড়ের আর পুঁতির তৈরি গহনার প্রতি নারীদের আছে সমান চাহিদা। আর যারা খুব কম গহনা পরেন তারা কানে ঝুমকা পরতে পারেন যে কোনো পোশাকের সঙ্গে।

কোথায় পাবেন

যমুনা ফিউচার পার্ক, বায়তুল মোকাররম, রাজউক কমপ্লেক্স, নিউমার্কেট, ইস্টার্ন প্লাজা থেকে শুরু করে আপনার নিকটবর্তী যে কোনো শপিংকমপ্লেক্সে।

দরদাম

স্টোনের চুড়ি ৫০০-১০০০ টাকা, কানের দুল ১০০-৪০০ টাকা, মেটালের ট্রেডিশনার ভারী সেট ৪০০-৪০০০ টাকা, ঝুমকা ৫০০-১০০০, দুল ৪০০-৭০০ টাকা, পুঁতির মালা ৩০০-৬০০ টাকা, রুবি, পান্না, প্রবাল পাথরের সেট ৩০০০-১০০০০ টাকা, বড় ইমিটেশন আংটি ১০০-৪০০ টাকা, ডায়মণ্ড কাট ব্লটুথ কানের দুল ৪৫০-৮০০ টাকা।

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-[email protected]-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×