আদা খান, সুস্থ থাকুন

  লাইফস্টাইল ডেস্ক ১২ জানুয়ারি ২০১৮, ১০:০১ | অনলাইন সংস্করণ

ছবি সংগ্রহীত

চলছে শীতকাল। এ সময়ে খুবই সাধারণ দৃশ্য ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা। শীতে সর্দি-কাশির প্রকোপ বাড়ে। ঘনঘন ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েও প্রতিরোধ করা যায় না। তবে হাতের নাগালেই রয়েছে এক প্রাকৃতিক উপাদান, যা খেলে এর প্রকোপ থেকে মুক্ত থাকা যায়। এটি কমবেশি আমাদের সবার রান্নাঘরে থাকে। চিন্তায় পড়ে গেলেন? ভাবছেন- এটি আবার কী, সেটি হচ্ছে আদা।

* আদা একটি মসলাজাতীয় পণ্য। এটি চিবিয়ে খেলে ঠাণ্ডাজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায়। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা ঠাণ্ডার কারণে গলাব্যথা উপশমে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

* গলায় জমে থাকা কফ দূরেও আদা কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। দ্রুত এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে নিয়মিত আদার চিকিৎসা নিতে হবে আপনাকে। এক্ষেত্রে যা করবেন-মুখে এক টুকরা আদা নিন। এবার চিবিয়ে রসটুকু গিলে নিন। নিয়মিত এটি করলে দারুণ উপকার পাবেন।

* সর্দি-কাশির প্রকোপ তীব্রমাত্রায় হলে আদাকে অন্যভাবে খাওয়া যায়। দ্রুত উপশম পেতে আপনাকে যা করতে হবে- প্রথমে আদা কুচি কুচি করে নিতে হবে। তারপর এক কাপ গরম পানিতে রাখতে হবে। ৫ মিনিট রাখার পর খেয়ে ফেলতে হবে। সম্ভব হলে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। দেখবেন দারুণ উপকার পাচ্ছেন।

* আর চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তো কথাই নেই। নিয়মিত আদা চা খেলে মুক্ত থাকা যায় সর্দি-কাশি থেকে। আদা চায়ের রয়েছে আরও বহুবিধ উপকারিতা। এটি বমি বমি ভাব, প্রদাহ, শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা দূর করে এবং রক্ত চলাচলে উন্নতি ঘটায়।

* মুখের দুর্গন্ধ দূরেও আদার রয়েছে ঔষধি গুণ। কথা বলার সময় যাদের মুখ থেকে বিশ্রি গন্ধ বের হয়, তারা সবসময় এটি সঙ্গে রাখতে পারেন। নিয়মিত খেলে এ থেকেও মুক্ত থাকা যায়। সবার সঙ্গে আলোচনাটাও সেরে নেয়া যায় নিশ্চিন্তে।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

 
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

 

gpstar

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

E-mail: [email protected], [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter