মৃত্যুর আগে যে জায়গাগুলো না দেখলে আফসোস মিটবে না

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০১৮, ১৫:৩০ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক

Source: https://www.flyingdutchmanpat.com/photo-essay-bagan-myanmar/

পৃথিবীটা সত্যিই অবর্ণনীয় সুন্দর। হোক সেটা কৃত্রিম কিংবা প্রাকৃতিকভাবে সাজানো, কোথায় গেলে জীবনের পরম শান্তি খুঁজে পাওয়া যাবে, তা বলা মুশকিল। কিন্তু দুনিয়ার এত এত সৌন্দর্য্য দেখার সুযোগ মানুষের ছোট্ট জীবনে খুব বেশি একটা হয় না।

কিন্তু এমন চল্লিশটি দর্শনীয় স্থান আছে, যা না দেখলে মৃত্যুর আগে আপনার আফসোস মিটবে না।

১. বাগান, মিয়ানমার

source:https://www.boredpanda.com

বাগানে কী ঘটেছিল, তা আজ পর্যন্ত সঠিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অন্যতম এই বড় শহরটি কখন কীভাবে পরিত্যক্ত হয়েছে, তাও সবার কাছে অজানা।

সম্ভাবত, সেখানে মঙ্গলরা হামলা চালিয়েছিল। কিংবা চীনাদের হামলাও ঝুঁকি থাকতে পারে। যাই হোক না কেন, ঐতিহাসিকরা বলছেন, ত্রয়োদশ শতকের শেষ দিকে শহরটির বাসিন্দারা পালিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

অধিবাসীরা সেখানের দেখতে অবিশ্বাস্য মন্দির ও দর্শনীয় স্থানগুলোকে ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানের পাথরের স্থাপনাগুলো এখনো অক্ষত আছে। এখনো মিয়ানমারের সবচেয়ে সুন্দর জায়গাগুলোর মধ্যে বাগান অন্যতম।

২. জাংহি ড্যানেক্সিয়া ল্যান্ডফর্ম, গাংসু, চীন

Source:https://www.boredpanda.com

তিনশ ২২ বর্গ কিলোমিটারজুড়ে পার্কটি পাথরের বর্ণিল রঙের জন্য বিখ্যাত। ভূমির গড়নের দিক থেকে চীনের সবচেয়ে সুন্দর জায়গাগুলোর মধ্যে এটি একটি।

https://www.boredpanda.com

পার্কটিতে বেশকিছু খাড়া পাহাড়ের চূড়া রয়েছে। যেগুলোর গড়ন এতটা সুন্দর যে তা আপনার কাছে তা অবিশ্বাস্য লাগতে পারে।দিগন্ত পর্যন্ত ছড়ানো নানা রঙের পাহাড়চূড়া রয়েছে সেখানে, যা প্রাণজুড়িয়ে যাওয়ার মতো।

৩. লি নদী, চীন

Source:https://dereklow.co

চীনের সবচেয়ে নৈসর্গিক জায়গাগুলোর মধ্যে লি নদী অন্যতম। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল জিওগ্র্যাফিক ম্যাগাজিনের মতে বিশ্বের দশটি জলবিস্ময়ের একটি হচ্ছে এই লি নদী।

source: https://dereklow.co

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য বিশ্বের ১৫টি নদীর তালিকা তৈরি করেছিল সিএনএন। সেখানে লি নদীরও স্থান রয়েছে। ঘূর্ণায়মান পাহাড়, খাড়া পর্বত, অসাধারণ গুহা ও নৌকা দিয়ে যেন নদীটি সাজানো রয়েছে।

৪. মেটেওরা, গ্রিস

Source: https://www.boredpanda.com

গ্রিসের মধ্যাঞ্চলে মেটেওরা ভূদৃশ্য অবস্থিত। রূপকথার মতো দেখতে বিভিন্ন মঠে ৬০ সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনী বসবাস করেন। দৃশ্যের শৈলীর জন্য গেম অফ থ্রোনসহ বিভিন্ন সিনেমা ও টেলিভিশন ধারাবাহিকের শুটিংয়ের জন্য এ স্থানটি বাছাই করা হয়।

মিটেওরা ধর্মীয় কারণে যেমন বিখ্যাত, তেমনি এটির কয়েক বছরের ইতিহাস রয়েছে। পর্যটকরা ড্রাইভিং ও হাইকিংয়ের এজন্য এ জায়গাটিকে বেশি পছন্দ করেন।

আবার অনেক সক্রিয় পর্যটকরা স্বর্গে যাওয়ার বিকল্প উপায় খুঁজতে মিনেওটায় আসেন।

৫. সালার ডি ইউনি: পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আয়না

source: https://dereklow.co

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লবণের সমতল হচ্ছে সালার ডি ইউনি। কল্পনা করে দেখতে পারেন, কোনো দেশের চেয়ে বড় একটি অঞ্চল দেখতে পুরোপুরি শুভ্র। এটা এতটাই সমতল যে একটি স্থান থেকে অন্য আরেকটির উচ্চতা সর্বোচ্চ এক মিটারের কম।

source: https://dereklow.co

প্রতিবছর একটা সময় এই অবিশ্বাস্য ভূদৃশ্য পানির পাতলা স্তরে ঢেকে যায়। আর যখন এমনটা ঘটে, তখন এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আয়নায় পরিণত হয়ে যায়।

(প্রথম কিস্তি)