সীমান্ত হেলালের তিনটি কবিতা

  সীমান্ত হেলাল ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ২২:৪১ | অনলাইন সংস্করণ

simanto helal

একঘেয়েমি

বহুদিন ধরে মন হাসফাঁস করছে নগরায়িত হতে; বহুদিন ধরে মন অস্থির হচ্ছে স্থানান্তরিত হতে!

বিবর্তিত সময়ে মনোজ গ্রাম্যতায় ভীষণ একঘেয়েমি পেয়ে বসেছে!

সমুদ্রের ঢেউগোনা বিকেলে সূর্যটা গোমড়া মুখে মিলিয়ে যায় অনন্তে...

আমি অস্তমিত সূর্যের মতো―

দিনাতিপাতের সূচীচক্রে ঘুড়পাক খেতে খেতে

সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো তলিয়ে যাচ্ছি―

অনাগত শূন্যতায়!

যে জীবনে গতিশীল জোয়ার ভাটা নেই

সে তো নাব্যতাহীন নদীর মতো―

ভাবছি জীবন

করছি জীবন

খাচ্ছি জীবন...

মূলত; সীমান্তে মিলিয়ে যাওয়ার ভয় থেকেই পালিয়ে যাওয়ার গোপন আকুতি―

.

সুখের অসুখ

মাঝরাতে ডানা ঝাপটে পাখিরা ডেকে উঠলে আমি তোমার আরাধনায় মগ্ন হই...

আজকাল হাতঘড়িটাও তুমুল স্বপ্ন দ্যাখে

স্বপ্ন দেখতে দেখতে বেখেয়ালে হেটে চলে

দ্যুতিময় কোন প্রহরের দিকে!

ব্যালকনির টবে ফোটা কালো গোলাপটাও

আজকাল সাদা হয়ে যাচ্ছে...

স্বপ্নরোগ, কিংবা সাদারাতের ছোট ছোট অসুখগুলো

আমাকে অনেক বেশি সুখী করে তুলেছে।

মাঝরাতের পাখি, হাতঘড়ি, স্বপ্ন, সাদারাত কোন কিছুই এখন একান্ত শীতলতায় ঘুমোতে দেয়না...

শীতবিকেলের হলদে আলোর মতো

এক চঞ্চল অসুখ আমাকে পেয়ে বসেছে!

কাউকে বলা বারন―

সুখই অসুখের কারন!

.

বিশুদ্ধ অন্ধকার

ভুল নিয়ম আর ভুল সূত্রে এগিয়ে যাওয়ার অংক করতে করতে

কখন যে পিছিয়ে পড়ার সূত্র আত্মস্থ করে ফেলেছি...!

জানা নেই―

জীবনের সংকটগুলো অজানা অভিসম্পাতে আজকাল প্রকট হয়ে উঠছে! হৃদয়ের কার্নিশে আলতা মেখে দুঃখগুলো ঢাঁকতে চেয়েছি বহুবার।

চাঁদ পাহারার রাত আর কুয়াশা ঘেরা প্রভাতের স্নিগ্ধতা কখনোই বিশ্রাম দেয়নি আকাক্সক্ষাগুলোকে...

জল নিঙড়ে লবণগুলো বের করে আনলে

চোখের কাজল ধুয়ে শরীরময় নেমে আসে

এক বিশুদ্ধ অন্ধকার...!

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×