এয়া'র দ্বিতীয় মুদ্রণ বইমেলায়

  হোসাইন এমরান ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৫:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

এয়া

অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৮ তে প্রকাশিত হলো কবি জুননু রাইনের প্রথম কবিতার বই 'এয়া'। প্রকাশনা সংস্থা 'ঐতিহ্য' থেকে প্রকাশিত এ কবিতাগ্রন্থটির প্রচ্ছদ করেছেন দেওয়ান আতিকুর রহমান। ৬৪ পৃষ্ঠার বইটির দাম রাখা হয়েছে ১২০ টাকা। মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহ্যের প্যাভিলিয়ন ১৬ থেকে ২৫% ও রকমারি থেকে ২৭% ছাড়ে এটি কেনা যাবে।

কবিতার বই বিক্রি কম হয় এমন অপ্রিয় সত্যের মাঝে মেলার ১৫ দিনের মাথায় একজন তরুণ কবির প্রথম বইয়ের দ্বিতীয় মুদ্রণ বাজারে আসা অনেক বড় ঘটনা। গত ৮/১০ বছরের মধ্যে আমরা এমনটি দেখিনি। সাহিত্যিক মহলেও বইটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।

শনিবার মেলায় কথা হয় এই বইয়ের লেখক কবি জুননু রাইনের সঙ্গে। তাঁর কাব্যগ্রন্থ 'এয়া'র দ্বিতীয় মুদ্রণ, বইমেলা এবং কবিতা সম্পর্কে।

বইমেলা কেমন লাগছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'বইমেলাটা এখন আমাদের সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রাণের মেলা। এখানে ধর্মবর্ণ-নির্বিশেষে সব পেশা-শ্রেণীর মানুষ একত্র হতে পারে। হয়তো একদিন বইয়েরও উৎসব হয়ে উঠবে, এখনও সেটা হয়ে উঠতে পারেনি। '

এত বই বেরোচ্ছে, এত মানুষ বই কিনছে অথচ আপনার কথায় মনে হচ্ছে বইমেলা বইয়ের উৎসব না- 'না, আমি ঠিক নেতিবাচক অর্থে বলিনি। সব কিছু এভাবেই হয়। কিছু জায়গায় আস্তে আস্তে কাজ হয়। প্রায় ২০ কোটি মানুষের দেশে যে কোনো একটি বই বেরোলে তা কমপক্ষে ২০ হাজার বিক্রি হওয়া উচিত। কিন্তু মেলা শেষে, এমন কি বছর শেষে কয়জন লেখক পাবেন যাদের ২০ হাজার কপি বই বিক্রি হয়েছে। এটা কিন্তু মানতে হবে। আমরা ১০০ ভাগ শিক্ষিত হয়ে গেলেও বই পড়ার বিষয়টা কিন্তু আলাদা। একাডেমিক শিক্ষা আর মননের শিক্ষা এক না।

আপনার বই 'এয়া'র দ্বিতীয় মুদ্রণে নিশ্চয়ই অনেক খুশি হয়েছেন, 'খুশি, নিজেকে উৎসাহিত করার জন্য খুশি হলাম। আগের প্রশ্নের উত্তরেই বুঝতে পারেন। আমি তো মেলায় গিয়েছি, দেখেছি সাহিত্যের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তারাই কবিতার বই বেশি কিনে। এদের অনেকেই আমার কাব্য সহযাত্রী, বন্ধু। কবিতার সাধারণ পাঠক আমি খুব বেশি দেখিনি। আমি স্টলের সামনে দাঁড়ালে অনেকেই অটোগ্রাফ নিতে আসছে। আমাকে চিনে, আমরা কুশলাদি বিনিময় করছি, ভালো লাগছে। কিন্ত এর চাইতে হাজার গুণ ভালো লেগেছে যারা আমাকে চিনে না, স্টলে গিয়ে বলছে, ''একটা এয়া দেন''। আমি তাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। স্টলের কাছ থেকে এঁদের চলে যাওয়াও দেখতাম, যতদূর দেখা যায় দেখতাম। '

এবারে বইমেলার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি? 'গতবারের চাইতে এবারের স্টল বিন্যাস ভালো হয়েছে। তবে স্থান সংকুলান পর্যাপ্ত না। আমার মনে হয় পুরো উদ্যান দিলেও যথেষ্ট হবে না। এটা তো অন্য মার্কেটের মতো না, এখানে মানুষ স্টলে দাঁড়িয়ে একটা বইয়ের ৪/৫ পৃষ্ঠা উল্টে-পাল্টে দেখবে, ভালো লাগলে কিনবে। সেই জায়গা সময় সুযোগ না হলে মানুষ বাড়বে ক্রেতা বাড়বে না।

' ভবষ্যিৎ পরকিল্পনা কি, মানে এরপরের বই? 'সেটা এখনও ভাবিনি, তবে কবিতা একটা সম্পূর্ণ কাব্যজীবন দাবি করে, যদি নিজেকে সেভাবে সময় দিতে পারি তাহলে কবিতা লিখব।

ঘটনাপ্রবাহ : বইমেলা-২০১৮

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter