বইমেলায় সাঈদ আজাদের বিষন্ন জোছনা
jugantor
বইমেলায় সাঈদ আজাদের বিষন্ন জোছনা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৭:১২:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সাঈদ আজাদ

সাঈদ আজাদ এই সময়ে আলোচিত নতুনদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কথাসাহিত্যিক। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা তার প্রথম উপন্যাস পাঠকের মনে জায়গা করে নিয়েছে। সহজ-সরল এবং বিবরণধর্মী ভাষায় লেখা তার গল্প-উপন্যাসে পাঠক সহজেই নিজের মতো করে প্রবেশ করতে পারে।

এবারের বইমেলায় এসেছে ভিন্নধর্মী বিষয়ের তার উপন্যাস- 'বিষন্ন জোছনা'। এই উপন্যাস কিছু মানুষের মনোবেদনার আখ্যান। আপাতদৃষ্টিতে চারপাশের মানুষকে হয়ত সুখীই দেখি আমরা। দেখি, তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন। কিন্তু চারপাশের আপন আর চেনা মানুষগুলোর মনেই হয়ত থাকে অচেনা দুঃখ। পরিচিত সেসব মানুষের দুঃখ কি আমাদের স্পর্শ করে?

'বিষন্ন জোছনা' স্বামী পরিত্যক্ত নিঃসন্তান বাঁজা আম্বিয়ার কাহিনী। যে কিনা একজন ধাত্রীও। যৌবনের দিনগুলোতে যে আম্বিয়া সন্তান প্রসবে সহায়তা করে, প্রৌঢ়ত্বে সেই স্বজন সন্তানহীন হয়ে অবহেলায় দিন কাটায়। অপরদিকে অল্পবয়সে স্বামী হারিয়ে সায়রা ছোট মেয়েকে নিয়ে পরের জমিতে বসবাস করে। রাত হলে তার চারপাশে শুরু হয় হায়নাদের আনাগোনা।

কৈশোর উত্তীর্ণ বায়জিদের মনে কিসের অজানা যন্ত্রণা, নিজেও বুঝতে পারে না সে। কেন সমবয়সী ছেলেদের দেখলে তার মনে অচেনা দুঃখরা জেগে উঠে? সেসব দুঃখ কি আসলে ভালোবাসা? একজন ছেলে হয়েও কেন তার মনে ছেলেদের জন্য ভালোবাসা জাগবে? কেন ঝুমুরের ছোঁয়া তার ভালো লাগে না?

জামান কোন দুঃখে গ্রাম ছড়ে চলে যায়। আঠারো বছর পর ফিরে এসেও কেন সে আবার নিরুদ্দেশ হয়?
'বিষন্ন জোছনা'র জোনাকি আর তৌফিক কি নিজেদের যৌথ স্বপ্নে ঘর বাঁধতে পারবে? পারবে কি আবারও কোনো জোছনা রাতে, চাঁদের আলোয় নদী তীরের জোছনামাখা বালুতে হাঁটতে?

এসব প্রশ্নের জবাব খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে 'বিষন্ন জোছনা'তে। উপন্যাসটি পাওয়া যাচ্ছে বইমেলায় বায়ান্ন প্রকাশনীর ৩৬৩ নম্বর স্টলে।

বইমেলায় সাঈদ আজাদের বিষন্ন জোছনা

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৫:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাঈদ আজাদ
সাঈদ আজাদ। ফাইল ছবি

সাঈদ আজাদ এই সময়ে আলোচিত নতুনদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কথাসাহিত্যিক। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা তার প্রথম উপন্যাস পাঠকের মনে জায়গা করে নিয়েছে। সহজ-সরল এবং বিবরণধর্মী ভাষায় লেখা তার গল্প-উপন্যাসে পাঠক সহজেই নিজের মতো করে প্রবেশ করতে পারে। 

এবারের বইমেলায় এসেছে ভিন্নধর্মী বিষয়ের তার উপন্যাস- 'বিষন্ন জোছনা'। এই উপন্যাস কিছু মানুষের মনোবেদনার আখ্যান। আপাতদৃষ্টিতে চারপাশের মানুষকে হয়ত সুখীই দেখি আমরা। দেখি, তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন। কিন্তু চারপাশের আপন আর চেনা মানুষগুলোর মনেই হয়ত থাকে অচেনা দুঃখ। পরিচিত সেসব মানুষের দুঃখ কি আমাদের স্পর্শ করে?

'বিষন্ন জোছনা' স্বামী পরিত্যক্ত নিঃসন্তান বাঁজা আম্বিয়ার কাহিনী। যে কিনা একজন ধাত্রীও। যৌবনের দিনগুলোতে যে আম্বিয়া সন্তান প্রসবে সহায়তা করে, প্রৌঢ়ত্বে সেই স্বজন সন্তানহীন হয়ে অবহেলায় দিন কাটায়। অপরদিকে অল্পবয়সে স্বামী হারিয়ে সায়রা ছোট মেয়েকে নিয়ে পরের জমিতে বসবাস করে। রাত হলে তার চারপাশে শুরু হয় হায়নাদের আনাগোনা। 

কৈশোর উত্তীর্ণ বায়জিদের মনে কিসের অজানা যন্ত্রণা, নিজেও বুঝতে পারে না সে। কেন সমবয়সী ছেলেদের দেখলে তার মনে অচেনা দুঃখরা জেগে উঠে? সেসব দুঃখ কি আসলে ভালোবাসা? একজন ছেলে হয়েও কেন তার মনে ছেলেদের জন্য ভালোবাসা জাগবে? কেন ঝুমুরের ছোঁয়া তার ভালো লাগে না? 

জামান কোন দুঃখে গ্রাম ছড়ে চলে যায়। আঠারো বছর পর ফিরে এসেও কেন সে আবার নিরুদ্দেশ হয়? 
'বিষন্ন জোছনা'র জোনাকি আর তৌফিক কি নিজেদের যৌথ স্বপ্নে ঘর বাঁধতে পারবে? পারবে কি আবারও কোনো জোছনা রাতে, চাঁদের আলোয় নদী তীরের জোছনামাখা বালুতে হাঁটতে?

এসব প্রশ্নের জবাব খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে 'বিষন্ন জোছনা'তে। উপন্যাসটি পাওয়া যাচ্ছে বইমেলায় বায়ান্ন প্রকাশনীর ৩৬৩ নম্বর স্টলে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন