পৃথিবী সমান দূরত্ব আমাদের
jugantor
পৃথিবী সমান দূরত্ব আমাদের

  সানাউল্লাহ সাগর  

১২ মে ২০২০, ১৯:২৬:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

পৃথিবী সমান দূরত্ব আমাদের অথচ সম্পর্কের লাল সমুদ্র সাঁতরে উতরে গেছি ঘুম;

পৃথিবী সমান দূরত্ব আমাদের
অথচ সম্পর্কের লাল সমুদ্র সাঁতরে
উতরে গেছি ঘুম;
নিষেধের পার ধরে হেঁটেছি অসংখ্য জীবন,
মিথ্যের মতোন মনে হচ্ছে সব।
নুয়ে গেছে রঙিন বোশেখ
মৃত্যুর আতরে ঝলসে গেছে শান্তির ফুটপাত
যেন রহস্যের নোঙর থেকে কোনো চিৎকার উঠবে
মৌসুমী ফলের মতোন গেয়ে উঠবে কেউ
আর সিঁড়ির স্তর জুড়ে লেপ্টে যাবো আমি;
তেমন অপেক্ষা আমাদের।
তুমি মহাপ্রাণ জ্যোতিষ!
আগলে রাখো ভ্রম-সকল;
আর আমি নিঃসঙ্গ গুণীতক
খালি পেটে কথার লাঙল নিয়ে ছুটে যাই ধুলোয়।
মথিত ঘ্রাণের স্পর্শ নিয়ে শুয়ে পড়ি বেঘোর,
স্বপ্নে পালাই; মহৎ তন্দ্রায় আবার অযথাই
ছিঁড়ে যাই
মহাউৎসবের নাকে-মুখে...
তুমি নিঃশ্চুপ,
সহস্র বিষাদঘোড়া ছুটে যাচ্ছে
দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ছে মাথার মশকরায়।
চারদিকে জীবনের প্রার্থনা-
ওঠো! উঠে দাঁড়াও,
স্থির হও তুমি।
আমাকে নিয়ে চলো সীতার কারাবাসে;
এবং একাকি উৎসব থেকে ছুটি দাও খেয়া।
এ আদিম, সম্ভ্রান্ত সন্ত্রাস-
পুলকিত ধ্যানে নত হয়ে আছে কার পায়ে!
হে অনাগত প্রার্থনা সড়ক-
তুমি বিস্তৃত হও
নিজস্ব নির্বানে প্রস্তুত হও
পালায়নপর সতীত্বে।
আমিও পবিত্র খামে পৌঁছে যাবো
লিখিত সেইসব উদ্যানে
যেখানে রোপিত হয় শোকের হাততালি।
যাপন শেষ হলে প্রেতাত্মার গুঞ্জন ওঠে
রথের মগজ জুড়ে জ্বলে ওঠে পুষ্পিত অন্ধকার।
তবু তুমি নিষ্পাপ অহংকারে
প্রচার হতে থাকো-
গোপন হও দ্রুত
আপ্যায়িত স্রোতের মতোন।
তারপর পৃথিবীর জন্ম হবে আবার
আমাদের দূরত্বও বাড়বে অনেক
স্বাধীন শব্দের মতোন তোমার চুল
থেকে খসে পড়বে অজস্র নারীর কঙ্কাল।

(সংক্ষেপিত)

পৃথিবী সমান দূরত্ব আমাদের

 সানাউল্লাহ সাগর 
১২ মে ২০২০, ০৭:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পৃথিবী সমান দূরত্ব আমাদের অথচ সম্পর্কের লাল সমুদ্র সাঁতরে উতরে গেছি ঘুম;
ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবী সমান দূরত্ব আমাদের
অথচ সম্পর্কের লাল সমুদ্র সাঁতরে
উতরে গেছি ঘুম;
নিষেধের পার ধরে হেঁটেছি অসংখ্য জীবন,
মিথ্যের মতোন মনে হচ্ছে সব।
নুয়ে গেছে রঙিন বোশেখ
মৃত্যুর আতরে ঝলসে গেছে শান্তির ফুটপাত
যেন রহস্যের নোঙর থেকে কোনো চিৎকার উঠবে
মৌসুমী ফলের মতোন গেয়ে উঠবে কেউ
আর সিঁড়ির স্তর জুড়ে লেপ্টে যাবো আমি;
           তেমন অপেক্ষা আমাদের।
তুমি মহাপ্রাণ জ্যোতিষ!
আগলে রাখো ভ্রম-সকল;
আর আমি নিঃসঙ্গ গুণীতক
খালি পেটে কথার লাঙল নিয়ে ছুটে যাই ধুলোয়।
মথিত ঘ্রাণের স্পর্শ নিয়ে শুয়ে পড়ি বেঘোর,
স্বপ্নে পালাই; মহৎ তন্দ্রায় আবার অযথাই
                  ছিঁড়ে যাই
মহাউৎসবের নাকে-মুখে...
তুমি নিঃশ্চুপ,
সহস্র বিষাদঘোড়া ছুটে যাচ্ছে
দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ছে মাথার মশকরায়।
চারদিকে জীবনের প্রার্থনা-
ওঠো! উঠে দাঁড়াও,
স্থির হও তুমি।
আমাকে নিয়ে চলো সীতার কারাবাসে;
এবং একাকি উৎসব থেকে ছুটি দাও খেয়া।
এ আদিম, সম্ভ্রান্ত সন্ত্রাস-
পুলকিত ধ্যানে নত হয়ে আছে কার পায়ে!
হে অনাগত প্রার্থনা সড়ক-
তুমি বিস্তৃত হও
নিজস্ব নির্বানে প্রস্তুত হও
        পালায়নপর সতীত্বে।
আমিও পবিত্র খামে পৌঁছে যাবো
লিখিত সেইসব উদ্যানে
যেখানে রোপিত হয় শোকের হাততালি।
যাপন শেষ হলে প্রেতাত্মার গুঞ্জন ওঠে
রথের মগজ জুড়ে জ্বলে ওঠে পুষ্পিত অন্ধকার।
তবু তুমি নিষ্পাপ অহংকারে 
প্রচার হতে থাকো-
গোপন হও দ্রুত
আপ্যায়িত স্রোতের মতোন।
তারপর পৃথিবীর জন্ম হবে আবার
আমাদের দূরত্বও বাড়বে অনেক
স্বাধীন শব্দের মতোন তোমার চুল
থেকে খসে পড়বে অজস্র নারীর কঙ্কাল।

(সংক্ষেপিত)

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন