‘নারী অনেকবার এসেছে, প্রেম একবারও আসেনি’

  মারুফুল ইসলাম ১০ জুলাই ২০২০, ০০:৩৯:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ


কবি মারুফুল ইসলাম ১৯৬৩ সালের ২৯ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা রফিকুল ইসলাম এবং মাতা আনোয়ারা বেগম।

তিনি ১৯৭৯ সালে ফেনী জেলা পাইলট হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৮১ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ১৯৮৪ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি এবং ১৯৮৫ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি জীবিকাসূত্রে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস)-এর একজন কর্মকর্তা ছিলেন। কমিশনার অব কাস্টমস হিসেবে ঢাকায় কর্মরত অবস্থায় ২০১৫-তে স্বেচ্ছায় ইস্তফা প্রদান করেন। কবিতা ছাড়াও ছড়াকার, গীতিকার, শিশুসাহিত্যিক এবং প্রবন্ধিক হিসেবেও তার গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে।

২০১৭ সালে তাকে বাংলা কবিতায় বিশেষ অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

যুগান্তর: করোনায় ঘরবন্দি সময়ে কী লিখছেন কী পড়ছেন?
মারুফুল ইসলাম: লিখছি কবিতা ও ছড়া। লিখেছি আনিসুজ্জামান স্যারকে নিয়ে তিনটে ছোট ছোট গদ্য। পড়ছি পুনর্বার বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, এ বিষয়ে কিছু লিখব ভাবছি।

যুগান্তর: বর্তমানে বাংলাদেশের সাহিত্যে ভালো লেখকের অভাব নাকি ভালো মানের পাঠকের অভাব?
মারুফুল ইসলাম: দুটোর কোনোটারই অভাব নেই।

যুগান্তর: যাদের লেখা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে জীবিত এমন তিনজন লেখকের নাম।
মারুফুল ইসলাম: আহমদ রফিক, আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।

যুগান্তর: লেখক হিসেবে বহুল আলোচিত কিন্তু আপনার বিবেচনায় এদের নিয়ে এতটা আলোচনা হওয়ার কিছু নেই এমন তিনজন লেখকের নাম।
মারুফুল ইসলাম: ভেবে দেখিনি। ভাবার দরকারও বোধ করি না।

যুগান্তর: এখানে গুরুত্বপূর্ণ লেখকরা কী কম আলোচিত?
মারুফুল ইসলাম: না।

যুগান্তর: সাহিত্য থেকে হওয়া আপনার দেখা সেরা সিনেমা।
মারুফুল ইসলাম: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীড় গল্প থেকে সত্যজিৎ রায়ের ‘চারুলতা’। ক্যাথরিন হেপবার্ন, স্যার লরেন্স অলিভিয়ের, মার্লোন ব্র্যান্ডো, এলিজাবেথ টেইলর।

যুগান্তর: এমন একজন নায়িকার কথা বলুন যার প্রেমে পড়তে চান।
মারুফুল ইসলাম: রেখা।

যুগান্তর: জীবিত একজন আদর্শ রাজনীতিবিদের নাম বলুন।
মারুফুল ইসলাম: পারছি না।

যুগান্তর: দুই বাংলার সাহিত্যে তুলনা করলে বর্তমানে আমরা কোন বিভাগে এগিয়ে কোন বিভাগে পিছিয়ে?
মারুফুল ইসলাম: এভাবে ভাবি না। আমার ভাবনায়, বাংলা একটা, বাংলা ভাষা একটা, বাংলা সাহিত্যও একটাই।

যুগান্তর: একজন অগ্রজ এবং একজন অনুজ লেখকের নাম বলুন, যারা বাংলা সাহিত্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
মারুফুল ইসলাম: অগ্রজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। অনুজের নাম এখনই বলা সঙ্গত হবে না।

যুগান্তর: এমন দুটো বই, যা অবশ্যই পড়া উচিত বলে পাঠককে পরামর্শ দেবেন।
মারুফুল ইসলাম: গীতবিতান এবং গল্পগুচ্ছ।

যুগান্তর: লেখক না হলে কী হতে চাইতেন।
মারুফুল ইসলাম: গায়ক।

যুগান্তর: গানে আছে ‘প্রেম একবার এসেছিল জীবনে’- আপনার জীবনে কয়বার এসেছিল?
মারুফুল ইসলাম: নারী অনেকবার এসেছে, প্রেম একবারও আসেনি।

যুগান্তর: আপনার সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয়, সবচেয়ে খারাপ লাগার বিষয়।
মারুফুল ইসলাম: নিদ্রা। অনিদ্রা।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত