পুস্তক শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সবকিছুই করা হবে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
jugantor
পুস্তক শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সবকিছুই করা হবে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

  সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক  

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২০:৪১:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এমপি বলেছেন, পুস্তক শিল্প এমন একটি শিল্প যেটি জাতিকে আলোকিতকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সৃজনশীল এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সম্ভাব্য সবকিছুই করা হবে।

বর্তমান সরকার করোনা মহামারিকালে অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার ওপর প্রণোদনা প্রদান করছে। পুস্তক শিল্পকে এ প্রণোদনার আওতায় আনার জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেয়া হবে।

তাছাড়া সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে সরকারিভাবে পুস্তক ক্রয়ের অর্থ ৪ কোটি টাকা থেকে ১০ কোটি টাকায় বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সম্ভব হলে উপযোজন করে মন্ত্রণালয়ের অব্যয়িত অর্থ হতেও পুস্তক ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বুধবার বিকালে রাজধানীর বাংলাবাজারস্থ বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি কার্যালয়ে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস) আয়োজিত 'বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থতালিকা'র প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি পুস্তকশিল্প খাতে প্রতিনিধিত্বকারী দেশের বৃহত্তম সংগঠন। শতবর্ষী এ সংগঠনের ৬৪ জেলায় অফিস ও কমিটি রয়েছে এবং সদস্য সংখ্যা প্রায় ২৬,০০০। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও কৃষ্টির উন্নয়নে সংগঠনটির ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী এ সময় ‘বাপুস’কে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন এবং মানসম্পন্ন বই প্রকাশ ও বিক্রয়ের আহবান জানান।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি আরিফ হোসেন ছোটন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির উপদেষ্টা ওসমান গণি, সাবেক সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কায়সার-ই-আলম প্রধান ও সহ-সভাপতি শ্যামল পাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির রাজধানী শাখার সভাপতি মাজহারুল ইসলাম।

পুস্তক শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সবকিছুই করা হবে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

 সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক 
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৮:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এমপি বলেছেন, পুস্তক শিল্প এমন একটি শিল্প যেটি জাতিকে আলোকিতকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সৃজনশীল এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সম্ভাব্য সবকিছুই করা হবে।

বর্তমান সরকার করোনা মহামারিকালে অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার ওপর প্রণোদনা প্রদান করছে। পুস্তক শিল্পকে এ প্রণোদনার আওতায় আনার জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেয়া হবে।

তাছাড়া সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে সরকারিভাবে পুস্তক ক্রয়ের অর্থ ৪ কোটি টাকা থেকে ১০ কোটি টাকায় বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সম্ভব হলে উপযোজন করে মন্ত্রণালয়ের অব্যয়িত অর্থ হতেও পুস্তক ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বুধবার বিকালে রাজধানীর বাংলাবাজারস্থ বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি কার্যালয়ে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস) আয়োজিত 'বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থতালিকা'র প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি পুস্তকশিল্প খাতে প্রতিনিধিত্বকারী দেশের বৃহত্তম সংগঠন। শতবর্ষী এ সংগঠনের ৬৪ জেলায় অফিস ও কমিটি রয়েছে এবং সদস্য সংখ্যা প্রায় ২৬,০০০। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও কৃষ্টির উন্নয়নে সংগঠনটির ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী এ সময় ‘বাপুস’কে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন এবং  মানসম্পন্ন বই প্রকাশ ও বিক্রয়ের আহবান জানান।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি আরিফ হোসেন ছোটন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির উপদেষ্টা ওসমান গণি, সাবেক সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কায়সার-ই-আলম প্রধান ও সহ-সভাপতি শ্যামল পাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির রাজধানী শাখার সভাপতি মাজহারুল ইসলাম।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন