ভারতের কলকাতায় ‘চলার পথের কথা’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসব
jugantor
ভারতের কলকাতায় ‘চলার পথের কথা’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসব

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৯ নভেম্বর ২০২১, ২২:৩৪:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের কলকাতা প্রেস ক্লাবে ২৫ নভেম্বর বাংলাদেশের লেখক ও কলামিস্ট এএইচএম নোমানের ৭ম বই ভারত বাংলাদেশ যৌথ নাগরিক উদ্যোগে ‘চলার পথের কথা’ প্রকাশনা অনুষ্ঠিত হয়।

ভারত বাংলাদেশ যৌথ নাগরিক উদ্যোগে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন বৈজ্ঞানিক ড. অরূপ মিত্র, দেবকন্যা সেন, ড. সুর নমিদ্দে, হাসিনা বেগম (বাংলাদেশ), সুরেন্দ্র কুমার সিং প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন রিসার্চ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদিকা অধ্যাপক দেবকন্যা সেন।

বইয়ের মুখবন্ধে বাংলাদেশের চ্যানেল আই’র তৃতীয় মাত্রার উপস্থাপক জিল্লুর রহমান লিখেছেন, চলার পথের কথা বই’র পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছে তার চিন্তা-কর্ম-ভাবনা। এএইচএম নোমান একজন উন্নয়নবিদ। একই সঙ্গে গভীরভাবে রাজনীতিকমনস্ক। তিনি জানেন উন্নয়ন অর্থ শুধুই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়। মানবাধিকার, সুশাসন, ন্যায়বিচার সর্বোপরি বৈষম্যহীন, মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা ছাড়া কোনো উন্নয়ন আখেরে টেকসই হবে না।

বইটি প্রসঙ্গে মহাত্মা গান্ধী প্রতিষ্ঠিত হরিজন সেবক সংঘের সভাপতি অধ্যাপক ড. শঙ্কর কুমার সান্যাল (ভারত) লিখেছেন, ‘নব নব চিন্তা ও তা বাস্তবায়িত করার অন্যতম কারিগর প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী এএইচএম নোমান একদিকে যেমন ‘মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান’ ও ‘স্বাস্থ্য গ্রামের’ প্রবক্তা। অপরদিকে নারীর ক্ষমতায়নে ও পানীয় জলের ব্যাপারে তার চিন্তাধারা দেশ ও বিদেশে বহু সম্মানে তাকে অলঙ্কৃত করে।

‘মার্কেটিং দি আনমার্কেটেড ইন্ডিয়া’র জায়গায় যদি আমরা বইটির নামকরণ উন্নয়ন-পরিবর্তন দুর্দশা-ভারত বাংলাদেশ চিন্তা ও পন্থা হলে সুদূরপ্রসারী হতো। ভারত সরকারের সাবেক সচিব ড. কমল তাউড়ী এবং ইরমেল প্রণীত ‘অবিপন্নকৃত ভারতকে বিপন্নকৃতকরণ’ নামের এ গ্রন্থটির নামকরণের মধ্যে বহুমুখী তাৎপর্য রয়েছে।

arketing the Unmarketed India বইটির সুন্দর বঙ্গানুবাদের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এজন্য লেখককে ধন্যবাদ। বইটির অন্যতম লেখক ড. কমল তাউড়ী Networking-এর ওপর গুরুত্ব দিয়ে লেখকের গবেষণা ও প্রায়োগিক কার্যক্রম উপমহাদেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে কার্যকরী ফল আসবে আমরা আশা করি। অবিপন্নকৃত ভারতকে বিপন্নকৃতকরণ লিখে বইতে ইতি টেনেছেন।

চলার পথের কথা বই’র লেখকের কর্মজীবনের কর্মযজ্ঞের ভিত্তি ছাড়া ৭টি অধ্যায়ের ছবিসহ ২৫৬ পৃষ্ঠার বইতে যথাক্রমে ১. কলকাতা নদীয়া ২. Marketing the Unmarketing India ৩. শিকাগো টরেন্টো-টরেন্টো কানাডা ৪. মক্কা মদিনা সৌদি আরব ৫. নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ৬. স্বপ্ন মা সেরা ১০,স্বপ্নের আঁতুর ঘর এবং লেখকের কিছু বাছাইকৃত লেখা (যা দেশের জাতীয় পত্রিকায় ইতঃপূর্বে প্রকাশিত) সংকলিত হয়েছে ৭. ছবি। বইটিতে অনেক দুর্লভ ছবি স্থান পেয়েছে। গ্রামীণ আলো আঁধারের প্রচ্ছদ বইয়ের বিশেষ তৎপর্য বহন করে।

Let the Dead Serve the Living আহ্বান রেখে ১৯৭০’র ১২ নভেম্বর বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় বন্যা জলোচ্ছাসে প্রায় ১০ লাখ আদম সন্তানের সলিল সমাধি ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আত্মাদানকারীদের স্মরণে---বইটি ফুটপাতের আন্ধারী জরিনাদের উৎসর্গ করা হয়েছে।

বইটির মূল্য বাংলাদেশে ৫০০ টাকা। বাংলাদেশের বাইরে ১০ ইউএস ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। বইটি বেসরকারি সংস্থা র্ডপ’র পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকার রাতুল গ্রন্থ প্রকাশ করেছে।

প্রকাশক কবি বশিরুজ্জামান বশির প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এতিমখানা থেকে ওঠে আসা নব ভাবনার পরিবর্তনের চিন্তায় এখনো জীবন সংগ্রামে রত।

ভারতের কলকাতায় ‘চলার পথের কথা’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসব

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৯ নভেম্বর ২০২১, ১০:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের কলকাতা প্রেস ক্লাবে ২৫ নভেম্বর বাংলাদেশের লেখক ও কলামিস্ট এএইচএম নোমানের ৭ম বই ভারত বাংলাদেশ যৌথ নাগরিক উদ্যোগে ‘চলার পথের কথা’ প্রকাশনা অনুষ্ঠিত হয়। 

ভারত বাংলাদেশ যৌথ নাগরিক উদ্যোগে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন বৈজ্ঞানিক ড. অরূপ মিত্র, দেবকন্যা সেন, ড. সুর নমিদ্দে, হাসিনা বেগম (বাংলাদেশ), সুরেন্দ্র কুমার সিং প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন রিসার্চ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদিকা অধ্যাপক দেবকন্যা সেন।

বইয়ের মুখবন্ধে বাংলাদেশের চ্যানেল আই’র তৃতীয় মাত্রার উপস্থাপক জিল্লুর রহমান লিখেছেন, চলার পথের কথা বই’র পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছে তার চিন্তা-কর্ম-ভাবনা। এএইচএম নোমান একজন উন্নয়নবিদ। একই সঙ্গে গভীরভাবে রাজনীতিকমনস্ক। তিনি জানেন উন্নয়ন অর্থ শুধুই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়। মানবাধিকার, সুশাসন, ন্যায়বিচার সর্বোপরি বৈষম্যহীন, মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা ছাড়া কোনো উন্নয়ন আখেরে টেকসই হবে না।

বইটি প্রসঙ্গে মহাত্মা গান্ধী প্রতিষ্ঠিত হরিজন সেবক সংঘের সভাপতি অধ্যাপক ড. শঙ্কর কুমার সান্যাল (ভারত) লিখেছেন, ‘নব নব চিন্তা ও তা বাস্তবায়িত করার অন্যতম কারিগর প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী এএইচএম নোমান একদিকে যেমন ‘মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান’ ও ‘স্বাস্থ্য গ্রামের’ প্রবক্তা। অপরদিকে নারীর ক্ষমতায়নে ও পানীয় জলের ব্যাপারে তার চিন্তাধারা দেশ ও বিদেশে বহু সম্মানে তাকে অলঙ্কৃত করে।
 
‘মার্কেটিং দি আনমার্কেটেড ইন্ডিয়া’র জায়গায় যদি আমরা বইটির নামকরণ উন্নয়ন-পরিবর্তন দুর্দশা-ভারত বাংলাদেশ চিন্তা ও পন্থা হলে সুদূরপ্রসারী হতো। ভারত সরকারের সাবেক সচিব ড. কমল তাউড়ী এবং ইরমেল প্রণীত ‘অবিপন্নকৃত ভারতকে বিপন্নকৃতকরণ’ নামের এ গ্রন্থটির নামকরণের মধ্যে বহুমুখী তাৎপর্য রয়েছে। 

arketing the Unmarketed India বইটির সুন্দর বঙ্গানুবাদের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এজন্য লেখককে ধন্যবাদ। বইটির অন্যতম লেখক ড. কমল তাউড়ী Networking-এর ওপর গুরুত্ব দিয়ে লেখকের গবেষণা ও প্রায়োগিক কার্যক্রম উপমহাদেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে কার্যকরী ফল আসবে আমরা আশা করি। অবিপন্নকৃত ভারতকে বিপন্নকৃতকরণ লিখে বইতে ইতি টেনেছেন। 

চলার পথের কথা বই’র লেখকের কর্মজীবনের কর্মযজ্ঞের ভিত্তি ছাড়া ৭টি অধ্যায়ের ছবিসহ ২৫৬ পৃষ্ঠার বইতে যথাক্রমে ১. কলকাতা নদীয়া ২. Marketing the Unmarketing India ৩. শিকাগো টরেন্টো-টরেন্টো কানাডা ৪. মক্কা মদিনা সৌদি আরব ৫. নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ৬. স্বপ্ন মা সেরা ১০,স্বপ্নের আঁতুর ঘর এবং লেখকের কিছু বাছাইকৃত লেখা (যা দেশের জাতীয় পত্রিকায় ইতঃপূর্বে প্রকাশিত) সংকলিত হয়েছে ৭. ছবি। বইটিতে অনেক দুর্লভ ছবি স্থান পেয়েছে। গ্রামীণ আলো আঁধারের প্রচ্ছদ বইয়ের বিশেষ তৎপর্য বহন করে। 

Let the Dead Serve the Living আহ্বান রেখে ১৯৭০’র ১২ নভেম্বর বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় বন্যা জলোচ্ছাসে প্রায় ১০ লাখ আদম সন্তানের সলিল সমাধি ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আত্মাদানকারীদের স্মরণে---বইটি ফুটপাতের আন্ধারী জরিনাদের উৎসর্গ করা হয়েছে। 

বইটির মূল্য বাংলাদেশে ৫০০ টাকা। বাংলাদেশের বাইরে ১০ ইউএস ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। বইটি বেসরকারি সংস্থা র্ডপ’র পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকার রাতুল গ্রন্থ প্রকাশ করেছে। 

প্রকাশক কবি বশিরুজ্জামান বশির প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এতিমখানা থেকে ওঠে আসা নব ভাবনার পরিবর্তনের চিন্তায় এখনো জীবন সংগ্রামে রত।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন