অপরাজিতা মেয়ে

প্রকাশ : ২৪ মে ২০১৮, ১৭:৪৫ | অনলাইন সংস্করণ

  রতন ভট্টাচার্য

রতন ভট্টাচার্য

বাপের ঘরের আদরিনী মেয়ে,
হেসে খেলে বাড়ল দিনে দিনে।
রুপটি যে তার ছিল পরীর মত
গুনে তার মুগ্ধ জনে জনে।
পাহাড় সে ডিঙায়নি কখনো,
আকাশ তবু ছিল তারই মত,
সাতটি পাকে পড়ল যখন বাঁধা,
রঙিন জালে দেখল কাটা শত।
দিগন্ত যে হারিয়ে গেল কোথা,
চার দেয়ালে গন্ডি হল আঁকা,
জীবন মাঝে জীবন খুঁজে দেখে
চারিদিকেই ফাঁকা,শুধু ফাঁকা। 
বাপকে ছেড়ে সখার ঘরে ঠাঁই
দিবারাত্রি ভাঙ্গছে ঢেউয়ের মাথা,
প্রজাপতির ডানায় তো রঙ নাই,
স্বপ্নগুলো হয় না তো আর  গাঁথা।
কাজে কাজে দিনগুলো যায় বয়ে,
দৃষ্টি শুধু ক্ষীন থেকে হয় ক্ষীন,
যা ছিল তার মনের মাঝে কথা 
ধীরে ধীরে  সবই হল লীন।
পুত্রকন্যা যে যার কাজে ছোটে,
বিকেলগুলো উদাস বসে রয়,
স্বামী যে তার কবেই গেছে চলে,
নিজেই নিজের সঙ্গী সেজে রয়।
সে যে এক অপরাজিতা মেয়ে
জীবনটাকে টানছে হাতে ধরে,
সে জানে না তার জয় পরাজয় কী
লিখেছে সে তার খসড়া খাতা জুড়ে।