শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট
কূটনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন দেশি-বিদেশি অতিথি উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে বহির্বিশ্বের আট দেশের অতিথি থাকবেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। যার মধ্যে রয়েছেন-মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ খলিল, যুক্তরাজ্যের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রা, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ও পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি, পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগের ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা ও শ্রীলংকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিন্দা জয়াতিসা।
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আজ বিকালে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা গণমাধ্যমকে জানান, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সকালে সংসদ-সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন পর শনিবার থেকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয়। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের পরিবর্তে এবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে।
বঙ্গভবন সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন। নিয়ম অনুসারে, নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের (এমপি) শপথ গ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপির সংসদীয় বোর্ডের একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে তাদের সংসদীয় নেতা নির্বাচন করা হবে। এরপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবেন এবং তাকে জানাবেন যে সংসদে দলটির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগের জন্য আবেদন করবেন। রাষ্ট্রপতি সংসদ নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দেবেন, যিনি পরে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নির্বাচন করবেন।
রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে মো. সাহাবুদ্দিন প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করাবেন। এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন। সংবিধান অনুসারে, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ করতে হয়।
নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির গেজেট শুক্রবার রাতে প্রকাশ করেছে। এই নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে। অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছে।
