‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে বক্তারা
জুলাইয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুণদের এগিয়ে নিতে হবে
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ের রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীরা।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে উল্লেখ করে বক্তারা বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী এই আন্দোলনের শহীদদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে তরুণদের এগিয়ে নিতে হবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে রাজধানীর রমনার আইইবি ভবনের সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগার মিলনায়তনে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ের রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মনীষ চাকমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সচিব ফাহমিদুল হক। গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মরিয়ম বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ান (উপপরিচালক) দেবাশীষ ভদ্র।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনীষ চাকমা বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল সুর ছিল বৈষম্যবিরোধী সংগ্রাম। রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থায় জনগণের অনুভূতি ও সংগ্রামের প্রতিফলন না ঘটলে বৈষম্য সৃষ্টি হয় এবং দীর্ঘদিনের ক্ষোভ একসময় বিস্ফোরিত হয়। জুলাই আন্দোলন নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে, যেখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, দেশে বইপাঠের হার কমে যাচ্ছে। পাঠাভ্যাস বাড়াতে সরকার প্রাথমিক পর্যায়ে ১০০টি উপজেলায় গণগ্রন্থাগার নির্মাণ করবে। পাশাপাশি প্রতিটি জেলা গ্রন্থাগারে ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক কর্নার ও হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বিশেষ অতিথি ফাহমিদুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের আহ্বানে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল। এটি শুধু রাষ্ট্রক্ষমতার পরিবর্তনের আন্দোলন নয়, বরং রাষ্ট্রচরিত্রের পরিবর্তনেরও প্রত্যাশা বহন করে। তরুণদের নেতৃত্ব ভবিষ্যতে দেশ গঠনে পথপ্রদর্শকের ভূমিকা রাখবে।
সভাপতির বক্তব্যে মরিয়ম বেগম বলেন, যেসব তরুণের আত্মত্যাগে নতুন বাংলাদেশের পথ উন্মোচিত হয়েছে, তাদের স্বপ্ন, আশা ও দাবিকে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
আলোচনা শেষে জাতীয় পর্যায়ের রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

