বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচারে তথ্যমন্ত্রীর সতর্কতা

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৪২ | অনলাইন সংস্করণ

‘সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র’র উদ্বোধন ও সম্প্রচার সম্মেলনে অতিথিরা
‘সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র’র উদ্বোধন ও সম্প্রচার সম্মেলনে অতিথিরা। ছবি-যুগান্তর

সরকারের অনুমতি ছাড়া ও কর না দিয়ে বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচারের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, দেশের ক্যাবল অপারেটররা ডাউনলিংক করে বিদেশি চ্যানেল প্রদর্শন করছেন। বিদেশি চ্যানেল প্রদর্শন কোনও অপরাধ নয়। কিন্তু সরকারের অনুমতি ছাড়া ও কর না দিয়ে বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার করা আইনগতভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ। যারা এই কাজগুলো করছেন, তারা আইন লঙ্ঘন করছেন। আশা করি, সরকার কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করার আগেই তারা এই কাজ থেকে বিরত হবেন।

শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

টেলিভিশন সাংবাদিকদের নবগঠিত প্ল্যাটফর্ম ‘সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র’র উদ্বোধন ও সম্প্রচার সম্মেলন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে দেশের গণমাধ্যম এখন যথেষ্ট স্বাধীনভাবে কাজ করছে বলে দাবি করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, টেলিভিশনের জন্য অনুষ্ঠান তৈরির ক্ষেত্রে সমাজের অসংগতির পাশাপাশি দেশ গঠনের লক্ষ্য মাথায় রাখতে হবে। সমাজকে সঠিক পথে চালিত করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে স্বপ্নের বাংলাদেশের বার্তা দিতে হবে।

নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের প্রথম সভায় নবম ওয়েজ বোর্ডের নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, প্রথম বৈঠকে নতুন করে কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী সেটির অনুমোদন দিয়েছেন। নবম ওয়েজ বোর্ডের ভেতরে সম্প্রচার সাংবাদিকদের বেতনের ক্ষেত্রে আলাদা নীতিমালা করার কথা বলা আছে। এ সময় টেলিভিশনগুলোতে যেন সঠিক সময়ে বেতন হয়, সে বিষয়ে মালিকদের নজর দেয়ার আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশে বেসরকারি চ্যানেলের যাত্রা শুরু হয়েছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের এই প্রচার সম্পাদক বলেন, ১৯৯৬ সালে যখন তিনি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন তখন প্রথম প্রাইভেট চ্যানেল যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৪৪টির মধ্যে ৩০টিরও বেশি বেসরকারি টিভি সম্প্রচারে আছে। এটি পশ্চিম বাংলার থেকেও বেশি।

এর আগে জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে সম্মেলন শুরু হয়। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সময় তিনি বলেন, কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড, ঝুঁকি মোকাবিলা, পেশাগত ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানো, গবেষণা ও নীতি সহায়তার লক্ষ্য সামনে রেখে সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র কার্যকরভাবে এগিয়ে যাবে।

পরে সম্মাননা পর্বে সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র গঠনে ভূমিকা রাখায় তিনজনকে সম্মাননা দেয়া হয়। মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক রেজোয়ানুল হক সংগঠনের চেয়ারম্যান ও একাত্তর টেলিভিশনের বার্তাপ্রধান শাকিল আহমেদ সদস্যসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সম্মাননা পর্ব শেষে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজের বার্তাপ্রধান মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় শুরু হয় মূল আলোচনা।

‘সম্প্রচার শিল্প: একটি সম্ভাবনার সংকট’ শীর্ষক ঘণ্টাব্যাপী এই আলোচনায় তথ্যমন্ত্রী ছাড়া আরও অংশ নেন বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক শাহ আলমগীর, একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল বাবু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×