ক্রিসেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান কাদের রিমান্ডে

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:৪২ | অনলাইন সংস্করণ

ক্রিসেন্ট গ্রুপের মালিক এমএ কাদের।
ক্রিসেন্ট গ্রুপের মালিক এমএ কাদের। ফাইল ছবি

মোট ১১শ’ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের পৃথক চার মামলায় ক্রিসেন্ট গ্রুপের মালিক এমএ কাদেরের মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসী আসামির রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

এদিন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা পৃথক চার মামলায় আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে প্রত্যেক মামলায় ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান আসামির রিমান্ডের এ আবেদন করেন।

শুনানি শেষে আদালত ৪৫৪ কোটি ১০ লাখ ও ৫০০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা আত্মসাতের দুই মামলায় তিন দিন করে মোট ৬ দিন এবং ৬৮ কোটি ৩৪ লাখ ও ৭৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের দুই মামলায় দুই দিন করে মোট ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্র জানায়, মেসার্স ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ লিমিটেডের নামে রফতানি ঋণ সুবিধা গ্রহণ করে ৬৮ কোট ৩৪ লাখ ৯৫ হাজার ১২০ টাকা, লেক্সকো লিমিটেডের নামে ৭৪ কোটি ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৯ টাকা, মেসার্স রূপালী কম্পোজিট লেদার ওয়্যার লিমিটেডের নামে ৪৫৪ কোটি ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৩৮৪ টাকা এবং মেসার্স ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেডের নামে ৫০০ কোটি ৬৯ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯৯ টাকা আত্মসাৎ ও পরবর্তী সময়ে তা স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান এমএ কাদের। অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের এ অভিযোগে চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর চকবাজার থানায় এ মামলাগুলো দায়ের করা হয়। প্রতিটি মামলায় এমএ কাদেরসহ ১৬ থেকে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

গত ৩০ জানুয়ারি অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তের জন্য রাজধানীর কাকরাইলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের সদর দফতরে তাকে ডাকা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাকে গ্রেফতার দেখানোর কথা জানানো হয়। পরে সন্ধ্যায় এমএ কাদেরসহ ১৭ জনকে আসামি করে রাজধানীর চকবাজার থানায় মানি লন্ডারিং আইনে পৃথক ৩টি মামলা করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

মামলার এজাহারে ক্রিসেন্ট গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস, ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ এবং রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের নামে ৯১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগ আনা হয়। এমএ কাদের ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস ও ক্রিসেন্ট ট্যানারিজের চেয়ারম্যান।

মামলায় জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা, চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবদুল আজিজসহ মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়। আবদুল আজিজ সম্পর্কে এমএ কাদেরের ভাই। তিনি রিমেক্স ফুটওয়্যারের চেয়ারম্যান।

ওই মামলায় ক্রিসেন্ট লেদার ৪২২ কোটি ৪৬ লাখ, রিমেক্স ফুটওয়্যার ৪৮১ কোটি ২৬ লাখ টাকা ও ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ ১৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকার পণ্য বিদেশে এক্সপোর্টের মাধ্যমে ওই টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

--
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×