'প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২' বিক্রিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ
jugantor
'প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২' বিক্রিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৪৬:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

এবারের বইমেলায় আলোচিত বই 'প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২' বিক্রিতে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

বইটি ঢাকা বইমেলায় বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বইটির লেখক আরিফ আজাদ। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন চট্টগ্রামের তরুণ এ লেখক।

তিনি জানান, বাংলা একাডেমির সঙ্গে তাদের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করলে তারা জানিয়েছে যে, বইটিতে প্রকাশনীর এড্রেসের সঙ্গে প্রকাশনী অফিসের হোল্ডিং নাম্বার (হোল্ডিং নাম্বার কেবল একটি শব্দ। তা হলো- ১১/১) দেওয়া নেই৷ এজন্যেই বইটি বইমেলায় বিক্রি করা যাবে না৷

লেখক আরিফ আজাদ বলেন, ‘আমরা বাংলা একাডেমির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। বইতে বাই মিসটেইক হোল্ডিং নাম্বার যোগ করা হয়নি। বইতে প্রকাশনির এড্রেসের সঙ্গে প্রকাশনী অফিসের হোল্ডিং নাম্বার যোগ করে হলেও বইটিকে আমরা আবার দ্রুত মেলায় এভেইলেবল করার চেষ্টা করে যাবো ইনশাআল্লাহ। আশা করছি বাংলা একাডেমি আমাদের আবেদন গ্রহণ করবে।’

তিনি তার পাঠকদেরএ বিষয়েধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

বাংলা একাডেমিমহাপরিচালকেরবক্তব্য

এ ব্যাপারে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজীর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে যুগান্তরকে তিনিবলেন, ‘বইয়ে আপত্তিকর কিছু থাকলে কর্তৃপক্ষ তো নিষেধ করতেই পারে। আরপ্রকাশকের নাম ঠিকানা না থাকলে বই আসে কীভাবে? এটার জন্য হয়তোবা বইটি বিক্রি করতে করা হয়েছে।’ এই বইয়ের প্রকাশকের নাম-ঠিকানা কিছু দেয়া হয়নি বলে জানান তিনি।

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২ নিয়ে কেন এত আলোচনা?

অমর একুশে গ্রন্থমেলার তৃতীয় সপ্তাহে এসে সবচেয়ে আলোচিত বইয়ের নামের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২। আলোচিত এ বইটি গত শুক্রবার প্রথমবারের মত মেলাতে আসার পর প্রথম দিনেই বইটির সকল প্রিন্ট কপি বিক্রি হয়ে যায়।

বইটির প্রকাশক সমকালীন প্রকাশন সূত্র জানায়, বইটি প্রকাশের প্রথম ৩ দিনেই প্রায় ৮ হাজার কপি বিক্রি হয়ে গেছে।

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ প্রথম পর্বটিও ছিল গত ২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বইগুলোর একটি। বই বিক্রি সম্পর্কিত অনলাইন বিপণন সাইট রকমারি ওয়েবসাইট ভিজিট করে দেখা গেছে তাদের সকল সময়ের সবচেয়ে বেশি বিক্রির তালিকাতে এক নাম্বারে রয়েছে এ বইটি।

বইটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক আলোচনা ছিল। নতুন পর্বটি নিয়েও চলছে ব্যাপক আলোচনা। প্রথম পর্বের জনপ্রিয়তার কারণে দ্বিতীয় পর্বটি নিয়েও প্রকাশের আগে থেকেই বই পড়ুয়াদের সোশ্যাল মিডিয়া কমিউনিটিতে চলছিল ব্যাপক আলোচনা।

প্রকাশের প্রথম ৩ দিনেই বাজারে এত বেশি বিক্রি নিয়ে বই পাঠকদের গ্রুপগুলোতে রীতিমত চলছে আলোচনার ঝড়। এর মধ্যে বাংলা একাডেমির এমন বাধা বইটি অনেকের কাছে নতুনভাবে আগ্রহ তৈরি করেছে-এমন ধারণাভার্চুয়ালবাসীর।

'প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২' বিক্রিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৮:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

এবারের বইমেলায় আলোচিত বই 'প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২'  বিক্রিতে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

বইটি ঢাকা বইমেলায় বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বইটির লেখক আরিফ আজাদ। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন চট্টগ্রামের তরুণ এ লেখক।

তিনি জানান, বাংলা একাডেমির সঙ্গে তাদের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করলে তারা জানিয়েছে যে, বইটিতে প্রকাশনীর এড্রেসের সঙ্গে প্রকাশনী অফিসের হোল্ডিং নাম্বার (হোল্ডিং নাম্বার কেবল একটি শব্দ। তা হলো- ১১/১) দেওয়া নেই৷ এজন্যেই বইটি বইমেলায় বিক্রি করা যাবে না৷

লেখক আরিফ আজাদ বলেন, ‘আমরা বাংলা একাডেমির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। বইতে বাই মিসটেইক হোল্ডিং নাম্বার যোগ করা হয়নি। বইতে প্রকাশনির এড্রেসের সঙ্গে প্রকাশনী অফিসের হোল্ডিং নাম্বার যোগ করে হলেও বইটিকে আমরা আবার দ্রুত মেলায় এভেইলেবল করার চেষ্টা করে যাবো ইনশাআল্লাহ। আশা করছি বাংলা একাডেমি আমাদের আবেদন গ্রহণ করবে।’

তিনি তার পাঠকদের এ বিষয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। 

বাংলা একাডেমি মহাপরিচালকের বক্তব্য

এ ব্যাপারে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজীর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে যুগান্তরকে তিনি বলেন, ‘বইয়ে আপত্তিকর কিছু থাকলে কর্তৃপক্ষ তো নিষেধ করতেই পারে। আর প্রকাশকের নাম ঠিকানা না থাকলে বই আসে কীভাবে? এটার জন্য হয়তোবা বইটি বিক্রি করতে করা হয়েছে।’ এই বইয়ের প্রকাশকের নাম-ঠিকানা কিছু দেয়া হয়নি বলে জানান তিনি।

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২ নিয়ে কেন এত আলোচনা?

অমর একুশে গ্রন্থমেলার তৃতীয় সপ্তাহে এসে সবচেয়ে আলোচিত বইয়ের নামের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২। আলোচিত এ বইটি গত শুক্রবার প্রথমবারের মত মেলাতে আসার পর প্রথম দিনেই বইটির সকল প্রিন্ট কপি বিক্রি হয়ে যায়।

বইটির প্রকাশক সমকালীন প্রকাশন সূত্র জানায়, বইটি প্রকাশের প্রথম ৩ দিনেই প্রায় ৮ হাজার কপি বিক্রি হয়ে গেছে।

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ প্রথম পর্বটিও ছিল গত ২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বইগুলোর একটি। বই বিক্রি সম্পর্কিত অনলাইন বিপণন সাইট রকমারি ওয়েবসাইট ভিজিট করে দেখা গেছে তাদের সকল সময়ের সবচেয়ে বেশি বিক্রির তালিকাতে এক নাম্বারে রয়েছে এ বইটি।

বইটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক আলোচনা ছিল। নতুন পর্বটি নিয়েও চলছে ব্যাপক আলোচনা। প্রথম পর্বের জনপ্রিয়তার কারণে দ্বিতীয় পর্বটি নিয়েও প্রকাশের আগে থেকেই বই পড়ুয়াদের সোশ্যাল মিডিয়া কমিউনিটিতে চলছিল ব্যাপক আলোচনা।

প্রকাশের প্রথম ৩ দিনেই বাজারে এত বেশি বিক্রি নিয়ে বই পাঠকদের গ্রুপগুলোতে রীতিমত চলছে আলোচনার ঝড়। এর মধ্যে বাংলা একাডেমির এমন বাধা বইটি অনেকের কাছে নতুনভাবে আগ্রহ তৈরি করেছে-এমন ধারণা ভার্চুয়ালবাসীর। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন