সেই বিমান ফের উড়ছে ৭ মার্চ
jugantor
সেই বিমান ফের উড়ছে ৭ মার্চ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৫ মার্চ ২০১৯, ১৯:৩৮:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সেই বিমান ফের উড়ছে ৭ মার্চ

ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বাংলাদেশ বিমানের উড়োজাহাজ ময়ূরপঙ্খীর মেরামত কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ৭ মার্চ ফের যাত্রী নিয়ে উড়তে যাচ্ছে আলোচিত উড়োজাহাজটি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ মঙ্গলবার যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিমান ছিনতাইচেষ্টার শিকার হওয়ার পর উড়োজাহাজটি কিছু মেরামতের জন্য দেয়া হয়েছিল। সিভিল এভিয়েশনের অনুমতি নিয়ে ৭ মার্চ থেকে এটি স্বাভাবিক অপারেশনে ফিরছে।

তবে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বাংলাদেশ বিমান সংস্থার বহরের এই বোয়িং উড়োজাহাজটি এখন কোন রুটে চলবে- তা জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ের উদ্দেশে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই মাঝ আকাশে ছিনতাইয়ের কবলে পড়েছিল।

পরে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটি জরুরি অবতরণ করে। যাত্রী, পাইলট ও ক্রুরা নিরাপদে বেরিয়ে আসার পর কমান্ডো অভিযানে নিহত হন ছিনতাইচেষ্টাকারী যুবক পলাশ আহমেদ।

যদিও পরে জানা যায়, ছিনতাইচেষ্টাকারী পলাশের কাছে একটি খেলনা পিস্তল ও ‘বিস্ফোরকসদৃশ’ বস্তু ছিল।

ওই ঘটনার পর উড়োজাহাজটি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মেরামত কাজে দেয়া হয়েছিল।

সেই বিমান ফের উড়ছে ৭ মার্চ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৫ মার্চ ২০১৯, ০৭:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সেই বিমান ফের উড়ছে ৭ মার্চ
সেই বিমান ফের উড়ছে ৭ মার্চ। ফাইল ছবি

ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বাংলাদেশ বিমানের উড়োজাহাজ ময়ূরপঙ্খীর মেরামত কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ৭ মার্চ ফের যাত্রী নিয়ে উড়তে যাচ্ছে আলোচিত উড়োজাহাজটি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ মঙ্গলবার যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিমান ছিনতাইচেষ্টার শিকার হওয়ার পর উড়োজাহাজটি কিছু মেরামতের জন্য দেয়া হয়েছিল। সিভিল এভিয়েশনের অনুমতি নিয়ে ৭ মার্চ থেকে এটি স্বাভাবিক অপারেশনে ফিরছে।

তবে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বাংলাদেশ বিমান সংস্থার বহরের এই বোয়িং উড়োজাহাজটি এখন কোন রুটে চলবে- তা জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ের উদ্দেশে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই মাঝ আকাশে ছিনতাইয়ের কবলে পড়েছিল।

পরে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটি জরুরি অবতরণ করে। যাত্রী, পাইলট ও ক্রুরা নিরাপদে বেরিয়ে আসার পর কমান্ডো অভিযানে নিহত হন ছিনতাইচেষ্টাকারী যুবক পলাশ আহমেদ।

যদিও পরে জানা যায়, ছিনতাইচেষ্টাকারী পলাশের কাছে একটি খেলনা পিস্তল ও ‘বিস্ফোরকসদৃশ’ বস্তু ছিল।

ওই ঘটনার পর উড়োজাহাজটি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মেরামত কাজে দেয়া হয়েছিল।