বনানীর অগ্নিকাণ্ডে ক্রিকেটারের মৃত্যু

  আল-মামুন ২৯ মার্চ ২০১৯, ০৯:৫৩:১০ | অনলাইন সংস্করণ

ক্রিকেটার নাহিদুল ইসলাম তুষার

বনানীর অগ্নিকাণ্ডে নিভে গেল প্রতিভাবান এক ক্রিকেটারের জীবন। মাগুরার নাহিদুল ইসলাম তুষার নামের এই ক্রিকেটার স্থানীয় ক্রিকেটে লিগে নিয়মিত খেলতেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে গতির ঝড় তোলা তুষারের স্বপ্ন ছিল জাতীয় পর্যায়ে খেলার। সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

মাগুরার এই ক্রিকেটারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার সঙ্গে খেলা খান নয়ন নামে সাবেক আরেক ক্রিকেটার ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ঘনিষ্ট বন্ধু খান নয়ন। তিনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মিডিয়া ম্যানেজার।

খান নয়ন যুগান্তরকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে১০টায় অভি নামে মাগুরারআমার এক বন্ধু বনি আমিন অভি ফোন করে বলল, আমাদের মাগুরার এক বন্ধু নাহিদুল ইসলামতুষার বনানীতে আগুনে পুড়ে মারা গেছে। এই তুষার হল যে বাঁ হাতি পেস বোলার ছিল। আমরা সবাই লেফটি তুষার বলে তাকে ডাকতাম। মাগুরা জেলা টিমের ক্রিকেটার ছিল। স্টেডিয়ামের অপর পাশে আদর্শ পাড়াতে থাকত ওরা। তুষারের বাবার চাকরির সুবাদে মাগুরা থাকত। দারুণ এক হাসিখুশি বিনয়ী ছেলে।

খান নয়ন জানান, ক্রিকেটার তুষারেরলাশ এখন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

নিহত নাহিদুল ইসলাম তুষারের বাবা ইশহাক আলি মাগুরা হেলথেরইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে টাঙ্গাইলে পৈত্রিক বাড়িতে পরিবারসহ বসবাস করেন। আর ক্রিকেটার তুষার খেলাধুলার পাশাপাশিএয়ার হ্যারিটেজ নামক একটা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।

রাজধানীতে ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বনানীর ১৭ নম্বর রোডে ২২ তলা এফআর টাওয়ারের নবম তলায় এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। রাত ১টা ৩০ মিনিটে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শ্রীলংকার এক নাগরিকসহ ১৯ জন নিহত এবং ৭৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে আশঙ্কা করেন সংশ্লিষ্টরা। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় ২০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করে। এদের সঙ্গে যোগ দেন সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্যরা।

এলাকার সাধারণ মানুষও উদ্ধার কাজে অংশ নেন। উদ্ধার কাজে অংশ নেয় ৫টি হেলিকপ্টার। বালি-পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালানো হয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ৬ ঘণ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত