দুর্নীতিবাজদের কাছে দুদক এখন ভীতিকর প্রতিষ্ঠান: কমিশনার

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৩ মে ২০১৯, ১৯:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

দুর্নীতিবাজদের কাছে দুদক এখন ভীতিকর প্রতিষ্ঠান: কমিশনার
দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান। ফাইল ছবি

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, দুদক এখন দুর্নীতিবাজদের কাছে ভীতিকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। সে কারণে দুদক স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে সব ধরণের হস্তক্ষেপের ঊর্ধ্বে থেকে নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দুর্নীতি দমন কমিশনের ১১২তম গণশুনানিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, সরকারি সেবা প্রদানে কর্মকর্তাদের দুর্নীতি, দীর্ঘসূত্রিতা এবং হয়রানি সহ্য করা হবে না। জনগণকে হয়রানি করার অধিকার কারো নেই। দুর্নীতি এবং দীর্ঘসূত্রিতা মুক্ত থেকে সরকারি পরিষেবা প্রদান করা সরকারি কর্মকর্তাদের আইনি দায়িত্ব।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন এবং জাতীয় প্রবৃদ্ধির বিকাশমান ধারা অব্যাহত রাখার জন্য দুর্নীতি দমন করতে হবে। সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতেই দুর্নীতিবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখা হচ্ছে। বর্তমানে দুদকের কলেবর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কার্যক্রম সব স্তরে বিকশিত হচ্ছে। দুদক দুর্নীতি প্রতিরোধে শূন্য সহিষ্ণুতার নীতি অবলম্বন করেছে।

ড. মোজাম্মেল বলেন, গণশুনানির মূল উদ্দেশ্য জনগণের সরকারি সেবা প্রাপ্তির সব প্রতিবন্ধকতা দূর করা। স্থানীয় পর্যায়ে সরকারের কল্যাণমূলক কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি অন্যতম কৌশল হচ্ছে গণশুনানি। জনগণ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মিথস্ক্রিয়ার একটি নতুন ধারা। একে সরকারি সেবা প্রত্যাশী জনগণ এবং সেবা প্রদানে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে প্রত্যক্ষ সংযোগের একটি প্রক্রিয়াও বলা যেতে পারে।

দুদক কমিশনার বলেন, জনগণকে হয়রানি করার অধিকার কারো নেই। দুর্নীতি এবং দীর্ঘসূত্রিতা মুক্ত থেকে সরকারি পরিষেবা প্রদান করা সরকারি কর্মকর্তাদের আইনি দায়িত্ব।

কেউ সেবা প্রদানে ঘুষ দাবি করলে, দুদকের অভিযোগ কেন্দ্রের হটলাইন-১০৬ এ অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানিয়ে দুদক কমিশনার বলেন, তাহলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারসহ সব ধরণের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুর্নীতি করে কেউ পাড় পাবেন না।

গণশুনানিতে স্থানীয় সেবা প্রত্যাশী নাগরিকগণ ভ‚মি, পল্লীবিদ্যুৎ, বিআরটিএসহ অন্যান্য দফতর সংশ্লিষ্ট মোট ২৭টি অভিযোগ উপস্থাপন করেন।

এর মধ্যে ১০টি অভিযোগ দুদক কমিশনারের নির্দেশে তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তি করা হয়। এ ছাড়া পল্লীবিদুৎ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন দুদক কমিশনার।

ঢাকার জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকার পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান, দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×