ভূমি ‘কুতুবের’ বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৬ জুন ২০১৯, ২১:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

দুদক
দুদক। ছবি: যুগান্তর

রাজধানীর গুলশানে ১০ কাঠা জমিসহ বাড়ি অবৈধভাবে দখলের মামলায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) কুতুব উদ্দিন আহমদসহ দুই জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

দুর্র্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম তদন্ত শেষে এ চার্জশিট দাখিল করেন। সম্প্রতি এ চার্জশিট দাখিল করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান থানায় কুতুবের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ওই দিন দুপুরেই সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে কুতুবকে গ্রেফতার করে দুদক। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

একই বছরের ১৯ এপ্রিল মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত থেকে তিনি জামিন পান। ‘ভূমি কুতুব’ হিসেবে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

কুতুবসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দুদকের উপ-পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। মামলায় ও চার্জশিটে তার পদবি ভূমি মন্ত্রণালয়ের ‘পার্সোনাল অফিসার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অপর আসামি হলেন মো. নাজমুল ইসলাম সাঈদ।

কুতুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্তে¡ও ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে গুলশানে ১০ কাঠার প্লট তার শ্বশুরসহ কয়েকজনের নামে বরাদ্দ করেন।

মগবাজারের ১/৭ মীরবাগের বাসিন্দা নাজমুল সাঈদকে তিনি জমির ভুয়া আমমোক্তার সাজিয়ে তা হাতিয়ে নেয়।

চার্জশিটে বলা হয়, গুলশান ১ নম্বরের ১ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ি পরস্পর যোগসাজশে আÍসাৎ করেন কুতুব। ১০ কাঠার ওপর বাড়িটির দলিলে শ্বশুর আবদুল জলিল মৃধার নাম থাকলেও প্রকৃত মালিক কুতুব।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতা দেখিয়ে ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে কৌশলে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে রাজউকের হুকুম দখল করা সম্পত্তি অবমুক্ত করা হয়।

এরপর সাঈদকে জমির ভুয়া আমমোক্তার সাজিয়ে শ্বশুরসহ আরও দুজনকে ক্রেতা সাজিয়ে জমিটি আত্মসাৎ করা হয়।

এতে বলা হয়, শ্বশুরের নামে জমিটি ক্রয় দেখানো হলেও তিনি কখনও জমি ভোগ করেননি বা সেখানে বসবাস করেননি। কুতুবই জমিটি দখলে রেখেছেন। এমনকি সপরিবারে তিনি সেখানে বসবাসও করছেন।

এ জমির অপর ক্রেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ডা. একেএম আনোয়ার উল্লাহ ও তার স্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামসুন্নাহারের নাম থাকলেও তারা ওই জমি ভোগদখল করেননি।

এমনকি জমিটি তাদের দখলেও নেই। কুতুব তাদের প্রভাবিত ও প্ররোচিত করে কম দামে গুলশানে জমি কিনে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের নাম দলিলে ক্রেতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। চার্জশিটে ১১ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×