জলবায়ু অভিযোজনে জাপান-বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে
jugantor
জলবায়ু অভিযোজনে জাপান-বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে

   

৩০ জুন ২০১৯, ২১:০৮:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

জলবায়ু অভিযোজনে জাপান-বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে

পানিসম্পদ সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন ‘দ্য বেঙ্গল ডেল্টা ইন্টারন্যাশনাল হাইড্রলিক ট্রেনিং এন্ড রিসার্স ইনস্টিটিউটের মতো স্টেট-অব-দ্যা-আর্ট প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাস্তবায়নে জাপান ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

জাপানের পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী মিনোরো কিউচি রোববার সকালে বাংলাদেশের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গৃহিত পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নানা ধরণের উদ্যোগের কথা জানিয়ে জাপানি প্রতিমন্ত্রীকে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও তার প্রভাব মোকাবিলায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছি।

যেহেতু বাংলাদেশ নদীমার্তৃক দেশ এবং পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী এবং তাদের উপ ও শাখা নদীর সম্মিলিত সবচেয়ে বড় ডেল্টয়িক প্লেইনের নিম্ন অববাহিকায় বাংলাদেশ অবস্থিত, তাই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও বাংলাদেশে মারাত্নক।

বাংলাদেশ ইতিমধ্যে এ ধরণের বেশ কিছু দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবিলাও করেছে। আমাদের সরকার দীর্ঘ মেয়াদে এ ধরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দক্ষ জনগোষ্ঠী সৃষ্টিতে আন্তর্জাতিক মানের একটি ইনস্টিটিউট গড়ে তুলতে কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

জাপানকে বাংলাদেশের জনগণের ‘পরীক্ষিত উন্নয়ন অংশীদার’ অভিহিত করে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, বাংলাদেশের পানি সম্পদ উন্নয়নের সংশ্লিষ্ট সব সেক্টরে জাপানের সহযোগিতা কামনা করছি।

জবাবে জাপানি প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য ফলপ্রসূ যে কোনো উদ্যোগে অতীতের মতো তার দেশ পাশে থাকবে বলে জানান। এ সময় জাপানি প্রতিমন্ত্রী মিনোরো কিউচি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় অভিযোজন ও প্রশমনে দু’দেশের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম চর্চা বিনিময়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রশস্ত করতে পারলে জাপান আনন্দিত হবে বলেও উল্লেখ করেন।

টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নিশ্চিতকরণে জাপান সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলেও এ সময় তিনি জানান।

জাপানি প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই আলোচনায় অংশ নেন।প্রতিনিধি দলে জাপানি প্রতিমন্ত্রীর সচিব হিরোআকি মুরাই,গ্লোবাল এনভায়রমেন্টাল ব্যুরোর ইন্টারন্যাশনাল স্ট্রাটেজি ডিভিশনের পরিচালক ফুমিও ইতো, ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অ্যান্ড সাসটেইনেবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অফিসের সেকশন চিফ হিশাতো হায়াসাকা, ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অ্যান্ড সাসটেইনেবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অফিসের গবেষক মাহোয়ো ইয়ামামোতো, বাংলাদেশে জাপানের কাউন্সেলর ইয়াশুহারো শিনতো এবং বাংলাদেশে জাপানের দ্বিতীয় সচিব মাশাতোশি হিগোচি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল ইসলাম এবং পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব নুর আলম উপস্থিত ছিলেন।

জলবায়ু অভিযোজনে জাপান-বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে

  
৩০ জুন ২০১৯, ০৯:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জলবায়ু অভিযোজনে জাপান-বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে
জলবায়ু অভিযোজনে জাপান-বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। ছবি: সংগৃহীত

পানিসম্পদ সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন ‘দ্য বেঙ্গল ডেল্টা ইন্টারন্যাশনাল হাইড্রলিক ট্রেনিং এন্ড রিসার্স ইনস্টিটিউটের মতো স্টেট-অব-দ্যা-আর্ট প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাস্তবায়নে জাপান ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। 
 
জাপানের পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী মিনোরো কিউচি রোববার সকালে বাংলাদেশের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ কথা জানান। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গৃহিত পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নানা ধরণের উদ্যোগের কথা জানিয়ে জাপানি প্রতিমন্ত্রীকে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও তার প্রভাব মোকাবিলায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছি।  

যেহেতু বাংলাদেশ নদীমার্তৃক দেশ এবং পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী এবং তাদের উপ ও শাখা নদীর সম্মিলিত সবচেয়ে বড় ডেল্টয়িক প্লেইনের নিম্ন অববাহিকায় বাংলাদেশ অবস্থিত, তাই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও বাংলাদেশে মারাত্নক। 

বাংলাদেশ ইতিমধ্যে এ ধরণের বেশ কিছু দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবিলাও করেছে। আমাদের সরকার দীর্ঘ মেয়াদে এ ধরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দক্ষ জনগোষ্ঠী সৃষ্টিতে আন্তর্জাতিক মানের একটি ইনস্টিটিউট গড়ে তুলতে কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। 

জাপানকে বাংলাদেশের জনগণের ‘পরীক্ষিত উন্নয়ন অংশীদার’ অভিহিত করে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, বাংলাদেশের পানি সম্পদ উন্নয়নের সংশ্লিষ্ট সব সেক্টরে জাপানের সহযোগিতা কামনা করছি।  

জবাবে জাপানি প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য ফলপ্রসূ যে কোনো উদ্যোগে অতীতের মতো তার দেশ পাশে থাকবে বলে জানান।  এ সময় জাপানি প্রতিমন্ত্রী মিনোরো কিউচি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় অভিযোজন ও প্রশমনে দু’দেশের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম চর্চা বিনিময়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রশস্ত করতে পারলে জাপান আনন্দিত হবে বলেও উল্লেখ করেন। 

টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নিশ্চিতকরণে জাপান সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলেও এ সময় তিনি জানান।  

জাপানি প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই আলোচনায় অংশ নেন। প্রতিনিধি দলে জাপানি প্রতিমন্ত্রীর সচিব হিরোআকি মুরাই,গ্লোবাল এনভায়রমেন্টাল ব্যুরোর ইন্টারন্যাশনাল স্ট্রাটেজি ডিভিশনের পরিচালক ফুমিও ইতো, ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অ্যান্ড সাসটেইনেবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অফিসের সেকশন চিফ হিশাতো হায়াসাকা, ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অ্যান্ড সাসটেইনেবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অফিসের গবেষক মাহোয়ো ইয়ামামোতো, বাংলাদেশে জাপানের কাউন্সেলর ইয়াশুহারো শিনতো এবং বাংলাদেশে জাপানের দ্বিতীয় সচিব মাশাতোশি হিগোচি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

এ সময় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল ইসলাম এবং পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব নুর আলম উপস্থিত ছিলেন।