শিশু সায়মা হত্যা মামলার প্রতিবেদন ২৫ আগস্ট
jugantor
শিশু সায়মা হত্যা মামলার প্রতিবেদন ২৫ আগস্ট

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৪ জুলাই ২০১৯, ১৩:৪১:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর ওয়ারী থানার বনগ্রামে সাত বছরের শিশু সামিয়া আফরিন সায়মাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামীকাল ২৫ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাইনুল ইসলাম নতুন এই দিন ধার্য করেন।

সায়মা হত্যা মামলার একমাত্র আসামি হারুন আর রশিদকে গত ৭ জুলাই তার বাড়ি কুমিল্লার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গা এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ।

পরের দিন হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন হারুন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। বর্তমানে তিনি কারাগারে।

গত ৫ জুলাই রাত ৯টার দিকে ওয়ারীর বনগ্রামের একটি বহুতল ভবনের ৯ তলার খালি ফ্ল্যাটের রান্নাঘরের মেঝে থেকে শিশু সায়মার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সন্ধ্যার পরে তার মাকে খেলতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় সে।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর ভবনের ৯ তলায় খালি ফ্ল্যাটের ভেতরে মেঝেতে গলায় দড়ি দিয়ে বাঁধা এবং মুখ রক্তাক্ত অবস্থায় সায়মাকে পড়ে থাকতে দেখেন তার পরিবাবের সদস্যরা। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে ঢামেক ফরেনসিক বিভাগ ওই শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে।

বহুতল ভবনটির ছয় তলার একটি ফ্ল্যাটে সায়রা পরিবাবের সঙ্গে থাকত। তার বাবার নাম আবদুস সালাম। চার ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট ছিল সায়মা। ওয়ারী সিলভারডেল স্কুলের নার্সারিতে পড়ত সে।

শিশু সায়মা হত্যা মামলার প্রতিবেদন ২৫ আগস্ট

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৪ জুলাই ২০১৯, ০১:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর ওয়ারী থানার বনগ্রামে সাত বছরের শিশু সামিয়া আফরিন সায়মাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামীকাল ২৫ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাইনুল ইসলাম নতুন এই দিন ধার্য করেন।

সায়মা হত্যা মামলার একমাত্র আসামি হারুন আর রশিদকে গত ৭ জুলাই তার বাড়ি কুমিল্লার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গা এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ। 

পরের দিন হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন হারুন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। বর্তমানে তিনি কারাগারে।

গত ৫ জুলাই রাত ৯টার দিকে ওয়ারীর বনগ্রামের একটি বহুতল ভবনের ৯ তলার খালি ফ্ল্যাটের রান্নাঘরের মেঝে থেকে শিশু সায়মার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সন্ধ্যার পরে তার মাকে খেলতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় সে।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর ভবনের ৯ তলায় খালি ফ্ল্যাটের ভেতরে মেঝেতে গলায় দড়ি দিয়ে বাঁধা এবং মুখ রক্তাক্ত অবস্থায় সায়মাকে পড়ে থাকতে দেখেন তার পরিবাবের সদস্যরা। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে ঢামেক ফরেনসিক বিভাগ ওই শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে।

বহুতল ভবনটির ছয় তলার একটি ফ্ল্যাটে সায়রা পরিবাবের সঙ্গে থাকত। তার বাবার নাম আবদুস সালাম। চার ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট ছিল সায়মা। ওয়ারী সিলভারডেল স্কুলের নার্সারিতে পড়ত সে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন