যে কারণে মহামারি রুপ নিয়েছে ডেঙ্গু

  যুগান্তর রিপোর্ট ২০ আগস্ট ২০১৯, ২২:১৮ | অনলাইন সংস্করণ

এডিস মশা।
এডিস মশা। ছবি সংগৃহীত

ডেঙ্গু সারা দেশে এক আতংকে নাম। কারণ প্রতিদিনই ডেঙ্গুজ্বরে কেউ না কেউ মারা যাচ্ছে। ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে হলে সবার আগে যে বিষয়টি প্রয়োজন তা হল সচেতন হওয়া। এ ছাড়া আপনার ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।

এডিস মশা স্বচ্ছ-পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে।এ ছাড়া মশক নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

ইতিমধ্যে বাংলাদেশে মহামারি রুপ নিয়েছে ডেঙ্গু। ঢাকার হাসপাতালগুলো এখন ডেঙ্গু রোগীতে ঠাসা। আরও অনেকে ব্যাপক মশা আতংকে ভুগছেন। প্রতিদিনই কেউ না কেউ মারা যাচ্ছে।

বাংলাদেশে ডেঙ্গু মহামারি রুপ নেয়ার ৫ কারণ জানানো হয়েছে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে।

আসুন জেনে নেই যে ৫ কারণে দেশে মহামারি রুপ নিয়েছে ডেঙ্গু।

১. দীর্ঘদিন একই কীটনাশক ব্যবহার করলে মশা তা প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়ে ওঠে। বছরের পর বছর একই ওষুধ ব্যবহারের ফলে কিউলেক্স মশা হোক বা এডিস হোক, এগুলো প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করেছে।

২. ডেঙ্গু মহামারি রুপ নেবে তা ধারণার বাইরে ছিল অনেকের।আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে এখন হিমশিম খাচ্ছে ঢাকার বহু হাসপাতাল।

৩. দীর্ঘ সময় ধরে বর্ষা ও গরম স্থায়িত্ব হওয়ায় বেড়েছে ডেঙ্গু। ডেঙ্গু ভয়াবহ আকারে পৌঁছানোর পরই ইদানিং সিটি কর্পোরেশনগুলো তাদের কার্যক্রম বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে এখন মশা নিয়ন্ত্রণে শুধু কীটনাশক নিয়ে ভাবলেই চলবে না।

৪. স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ এ বিষয়ে আগেই ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনকে সাবধান করেছিলেন।তারা জরিপের ফলাফলও আমলে নেয়নি।

৫. ডেঙ্গু বাড়ার কারণে কারিগরি সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিটি কর্পোরেশনের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

ঘটনাপ্রবাহ : ভয়ংকর ডেঙ্গু

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×