ই-সিগারেট বন্ধ করা দরকার: তথ্যমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ২২:৩১ | অনলাইন সংস্করণ

ই-সিগারেট বন্ধ করা দরকার: তথ্যমন্ত্রী
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: যুগান্তর

দেশে ই-সিগারেটের ব্যবহার বাড়ছে। এটি বন্ধ হওয়া দরকার। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনা হয়েছে। ই-সিগারেট ইতিমধ্যে ভারত বন্ধ করেছে। আমাদেরও বন্ধ করা উচিত।

বুধবার ‘তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ সূচক বাংলাদেশ ২০১৯’ শীর্ষক গবেষণা ফল প্রকাশ এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ সাংবাদিকতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। অন্য বক্তারা বলেন, তামাক বন্ধের ব্যাপারে সংসদ সদস্যদের দ্বৈতনীতি পরিহার করতে হবে।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তামাকের ব্যবহারের হার ৪০ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশে নেমে আসছে। তবে বাংলাদেশকে নিচে ফেলার জন্য অনেক সংস্থা রিপোর্ট প্রকাশ করে। এসবের সঙ্গে আমি একমত নই। ইউরোপের অনেক দেশে এখন বাংলাদেশের চেয়ে বেশি ধূমপান হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে গবেষণা ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ‘প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা)’-এর হেড অব টোব্যাকো কন্ট্রোল মো. হাসান শাহরিয়ার। প্রতিবেদনে বলা হয়, তামাক নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক আইন এফসিটিসি’র আর্টিক্যাল ৫.৩ বাস্তবায়নের অগ্রগতি মোটেও সন্তোষজনক নয়। বিশ্বের ৩৩টি দেশের মধ্যে তিনটি দেশে সবেচেয়ে বেশি তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ। এর মধ্যে বাংলাদেশ একটি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সূচক ৭৭। গত বছর ছিল ৭৮। সূচক স্তর বেশি হলে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপের পরিমাণও বাড়ে।

ওই অনুষ্ঠানে তামাকের বিষয়ে মন্ত্রীদের মধ্যে যে দ্বৈতনীতি বিরাজ করছে, এতে ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করা সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) অনারারি প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, মন্ত্রীরা সংসদের বাইরে তামাকের বিরুদ্ধে কথা বললেও সংসদের ভেতরে তামাকের পক্ষে হয়ে যান। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মন্ত্রীদের এ দ্বৈতনীতি পরিহার করতে হবে।

প্রজ্ঞা আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন থাইল্যান্ডের জিজিটিসি, থামাসাত ইউনিভার্সিটির হেড অব গ্লোবাল রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি ড. মেরি আসুন্তা, সিটিএফকের গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর, বাংলাদেশ কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে তামাক কোম্পানিগুলোর হস্তক্ষেপ বিষয়ে তিনজন সাংবাদিককে অ্যাওর্য়াড দেয়া হয়। প্রিন্ট মিডিয়া থেকে প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার সুহাদ আফরিন, সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার মামুন আবদুল্লাহ ও বাংলা নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার (রাজশাহী) শরিফ সুমনকে অ্যাওয়ার্ড ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তথ্যমন্ত্রী বিজয়ীদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×