দ্বিগুণ হচ্ছে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন

  সংসদ রিপোর্টার ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ২২:২০ | অনলাইন সংস্করণ

দ্বিগুণ হচ্ছে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন
ফাইল ছবি

বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে তালমিলিয়ে সঞ্চালন লাইন দ্বিগুণের বেশি করা হচ্ছে। দেশে বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার ৩৩ সার্কিট কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন রয়েছে। এটা বাড়িয়ে ২৩ হাজার কিলোমিটার করার মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৩ সাল পর্যন্ত।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির সভাপতি মো. শহীদুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. আবু জাহির, মো. নূরুল ইসলাম তালুকদার, মো. আছলাম হোসেন সওদাগর, মোছা. খালেদা খানম ও বেগম নার্গিস রহমান অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মো. শহীদুজ্জামান সরকার বলেন, বৈঠকে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী ২৩ হাজার সার্কিট কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন নির্মাণে মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। কমিটি এ কাজ স্বচ্ছতার সঙ্গে করতে বলেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যেতে দেশের সব স্থান ২০২০ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের সুপারিশ করে কমিটি।

সূত্র জানায়, বৈঠকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতা ২৩ হাজার সার্কিট কিলোমিটার উন্নীতকরণে গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এ সময় কমিটিকে জানানো হয়, পিজিসিবি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৪০০ কেভি, ২৩০ কেভি ও ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনের ২০টি প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কাজ বর্তমানে চলমান আছে। এছাড়া ২০২৫ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১১টি প্রকল্প পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে ৬টি প্রকল্প ২০২৩ সালের মধ্যে শেষ হবে। এ সময় ২৩ হাজার সার্কিট কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।

জানা যায়, বৈঠকে বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকল্প শেষে ক্রয়কৃত গাড়ির হালনাগাদ অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা হয়। এ সময় বৈঠকে জানানো হয়, আটটি প্রতিষ্ঠানের ৫৪টি সমাপ্ত প্রকল্পের মোটরসাইকেলসহ মোট গাড়ির সংখ্যা ৩৮০টি। বর্তমানে এগুলো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দফতরে যথাযথভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ প্রকল্পের যানবাহন যথাযথভাবে নিয়মানুযায়ী ব্যবহারের সুপারিশ করে। যানবাহনগুলো যথাযথভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা তদন্ত করে ৩০ জানুয়ারির মধ্যে একটি প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য মো. আবু জাহিরকে আহ্বায়ক এবং মো. আছলাম হোসেন সওদাগর, মোছা. খালেদা খানম ও বেগম নার্গিস রহমানকে সদস্য করে ৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়।

বৈঠকে সমগ্র দেশে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার স্থাপনের অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা বা কোম্পানির আওতায় অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত সারা দেশে ৩১ লাখ ৫ হাজার ৪১০টি প্রিপেইড/স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে।

এছাড়া ২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ সালে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কমিটি বিদ্যুৎক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনয়নে প্রিপেইড মিটার লাগানোর জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×