মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মোদি, সোনিয়া ও প্রণব
jugantor
মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মোদি, সোনিয়া ও প্রণব

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:৪১:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মোদি, সোনিয়া ও প্রণব
ছবি: সংগৃহীত

২০২০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। এ উপলক্ষে বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা করা হয়েছে ‘মুজিববর্ষ’।

মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেশটির সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ও কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীরও আসার কথা রয়েছে।

শুক্রবার জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন এ কথা জানান। 

বাংলাদেশকে ভারতের স্বীকৃতির ৪৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত এক দশকে আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্ব অনন্য উচ্চতায় আসীন হয়েছে। যাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোনালী অধ্যায় হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। আমাদের দুই দেশের সরকারপ্রধানদের এই যে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে এবং ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অনেক বেশি শক্ত ভীতে পরিণত করেছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। এ সংগ্রামে ভারতের বহুমাত্রিক অবদানের বিস্তারিত আলোচনা ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অসম্পূর্ণ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ব্রিটিশ মানবাধিকার নেতা জুলিয়ান ফ্রান্সিস।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির। 

মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মোদি, সোনিয়া ও প্রণব

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:৪১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মোদি, সোনিয়া ও প্রণব
ছবি: সংগৃহীত

২০২০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। এ উপলক্ষে বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা করা হয়েছে ‘মুজিববর্ষ’।

মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেশটির সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ও কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীরও আসার কথা রয়েছে।

শুক্রবার জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন এ কথা জানান।

বাংলাদেশকে ভারতের স্বীকৃতির ৪৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত এক দশকে আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্ব অনন্য উচ্চতায় আসীন হয়েছে। যাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোনালী অধ্যায় হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। আমাদের দুই দেশের সরকারপ্রধানদের এই যে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে এবং ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অনেক বেশি শক্ত ভীতে পরিণত করেছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। এ সংগ্রামে ভারতের বহুমাত্রিক অবদানের বিস্তারিত আলোচনা ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অসম্পূর্ণ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ব্রিটিশ মানবাধিকার নেতা জুলিয়ান ফ্রান্সিস।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির।