ক্যাসিনো সম্রাটের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ
jugantor
ক্যাসিনো সম্রাটের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৪:৩৬:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক মামলায় তার বিরুদ্ধে চার্জশিটও দেয়া হয়েছে। চার্জশিটে ক্যাসিনো সম্রাটের অপরাধ জগতের আদিঅন্ত তুলে ধরা হয়েছে।

সোমবার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সম্রাটের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আবেদন করা হয়। দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম আদালতে এ আবেদন করেন। আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ আসামির ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আদেশ দেন।

মাদক আইনের মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে দেয়া চার্জশিটে বলা হয়েছে, ইসমাইল হোসেন সম্রাট ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানীতে বিভিন্ন ক্লাবে ক্যাসিনো পরিচালনা করতেন। তার নিয়ন্ত্রণে ওই ক্লাবগুলোতে জুয়ার আসর বসত।

জুয়াখেলা থেকে তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পত্তির মালিক হন। তিনি প্রতি মাসে ক্যাসিনো খেলতে সিঙ্গাপুর গেছেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করতেন। তার সহযোগী কাউন্সিলর মোমিনুল হক সাঈদ ও খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। চার্জশিটে ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

চার্জশিটে বলা হয়, ৬ অক্টোবর ভোর ৫টার সময় কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামের জনৈক মনির চৌধুরীর বাড়ি থেকে সহযোগীসহ সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়।

ওই দিন তার ঢাকার কাকরাইলের অফিসে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি এবং ১৯ বোতল বিদেশি মদ (১৯ লিটার, আনুমানিক মূল্য ৯৫ হাজার টাকা), ৪ প্যাকেট তাস ও ১ হাজার ১৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়। অস্ত্র মামলায় শুধু সম্রাট ও আর মাদক মামলায় সহযোগী আরমানকেও আসামি করা হয়। ১১ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

এদিকে অস্ত্র ও মাদক আইনের ওই দুই মামলা ছাড়াও সম্রাটের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ১২ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া দেশের বাইরে নামে-বেনামে অন্তত এক হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় সম্রাটের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ক্যাসিনো সম্রাটের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ০২:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক মামলায় তার বিরুদ্ধে চার্জশিটও দেয়া হয়েছে। চার্জশিটে ক্যাসিনো সম্রাটের অপরাধ জগতের আদিঅন্ত তুলে ধরা হয়েছে।

সোমবার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সম্রাটের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আবেদন করা হয়। দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম আদালতে এ আবেদন করেন। আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ আসামির ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আদেশ দেন।

মাদক আইনের মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে দেয়া চার্জশিটে বলা হয়েছে, ইসমাইল হোসেন সম্রাট ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানীতে বিভিন্ন ক্লাবে ক্যাসিনো পরিচালনা করতেন। তার নিয়ন্ত্রণে ওই ক্লাবগুলোতে জুয়ার আসর বসত।

জুয়াখেলা থেকে তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পত্তির মালিক হন। তিনি প্রতি মাসে ক্যাসিনো খেলতে সিঙ্গাপুর গেছেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করতেন। তার সহযোগী কাউন্সিলর মোমিনুল হক সাঈদ ও খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। চার্জশিটে ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

চার্জশিটে বলা হয়, ৬ অক্টোবর ভোর ৫টার সময় কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামের জনৈক মনির চৌধুরীর বাড়ি থেকে সহযোগীসহ সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়।

ওই দিন তার ঢাকার কাকরাইলের অফিসে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি এবং ১৯ বোতল বিদেশি মদ (১৯ লিটার, আনুমানিক মূল্য ৯৫ হাজার টাকা), ৪ প্যাকেট তাস ও ১ হাজার ১৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়। অস্ত্র মামলায় শুধু সম্রাট ও আর মাদক মামলায় সহযোগী আরমানকেও আসামি করা হয়। ১১ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

এদিকে অস্ত্র ও মাদক আইনের ওই দুই মামলা ছাড়াও সম্রাটের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ১২ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া দেশের বাইরে নামে-বেনামে অন্তত এক হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় সম্রাটের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ক্যাসিনোয় অভিযান