কী কারণে নেপালে বিমান বিধ্বস্ত?

প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০১৮, ১৭:১৭ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক   

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এপি। এদিকে বিমানবন্দরটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। বিশ্বের ঝুঁকিপূর্ণ ১০টি বিমানবন্দরের মধ্যে ত্রিভুবন বিমানবন্দর একটি। তবে সোমবার ত্রিভুবন বিমানবন্দর থেকে ওই বিমানের ক্যাপ্টেনকে ভুল বার্তা দেয়ার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন ইউএস বাংলার ঢাকাস্থ এক কর্মকর্তা।

এদিকে এর আগে ২০১৬ সালে ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। ওই দুর্ঘটনায় ২৩ জন যাত্রীর সবাই মারা যায়। ওই ঘটনার মাত্র ২ বছরের মাথায় আবার ভয়াবহ এ বিমান দুর্ঘটনার ফলে বিমানবন্দরের ত্রুটি আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তবে নেপাল কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরে কোনো ত্রুটি আছে বলে এখনো স্বীকার করেনি। এদিকে বিমানে যান্ত্রিক কোনো ত্রুটি ছিল না বলে জানিয়েছে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ। বিমান উড্ডয়নের আগে সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছিল এবং তখন কোনো ধরনের ত্রুটি পাওয়া যায়নি।

এদিকে বিমান দুর্ঘটনার পর থেকে এ পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এপি। অপর ১৭ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিমানে ৩০ জন বাংলাদেশি ছিল বলে জানিয়েছে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও ৩০ জন নেপালি ও একজন মালদ্বীপের নাগরিক ছিল বলে জানিয়েছেন তারা।

ঢাকা থেকে নেপালের কাঠমান্ডুর উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ইউএস বাংলার ওই বিমানটি কাঠমান্ডু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোমবার দুপুরে বিধ্বস্ত হয়।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি ইনডিপেন্ডেন্ট স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে জানাচ্ছে, বিমানটি কাঠমান্ডু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে (২নং প্ল্যাটফর্ম) থেকে পাশের ফুটবল খেলার মাঠে বিধ্বস্ত হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্লেনটি বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ৪০০ মডেলের এস২-এজিইউ। বাইরে পাখাবিশিষ্ট এ ধরনের প্লেনে সর্বোচ্চ ৭৮টি আসন থাকে।