'বিমানের মধ্যে হাউমাউ করে যাত্রীরা কাঁদছিলেন'

  যুগান্তর ডেস্ক    ১২ মার্চ ২০১৮, ১৭:৫২ | অনলাইন সংস্করণ

US Bangla

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে সোমবার বিমান দুর্ঘটনার আগে বিমানটি হঠাৎ করে ঝাঁকুনি দিতে শুরু করে। এ সময় দুর্ঘটনা অনুমান করতে পেরে যাত্রীরা হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করেন বলে জানিয়েছেন বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী। আহত ওই যাত্রী বিমানের একটি জানালা ভেঙে লাফিয়ে পড়ে বেঁচে যান। খবর কাঠমান্ডু পোস্টের।

বসন্ত বহরা নামের ওই যাত্রী কাঠমান্ডু পোস্টকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। ওই যাত্রী বিমানের জানালা ভেঙে নিচে লাফিয়ে পড়েন বলে জানান। সোমবার দুপুরের পর ইউএস বাংলার বিমানটি ৭১ যাত্রী নিয়ে বিধ্বস্ত হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বসন্ত বহরা জানান, বিমানটিতে বিভিন্ন ট্রাভেল কোম্পানির ১৬ জন যাত্রী ছিলেন। যারা প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। বহরা রোসেতা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস কোম্পানির চাকরিজীবী। দুর্ঘটনার সময় তিনি ওই বিমানে ছিলেন। বহরা বর্তমানে নেপালের তাপাথালিতে নরভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বহরা বলেন, ঢাকা থেকে যখন বিমানটি ছেড়েছিল তখন কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামার আগমুহূর্তে সমস্যা দেখা দেয়। হঠাৎ করে বিমানটি ঝাঁকুনি দিতে থাকে। এতে যাত্রীরা হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে। আমি জানালার পাশের ছিটে বসা ছিলাম। আমি জানালা ভেঙে বেরিয়ে আসি।

তিনি বলেন, আমি জানালা দিয়ে বেরিয়ে পড়ার পর আর কিছু বলতে পারি না। কারা যেন আমাকে সিনেমঙ্গল হাসপাতালে ভর্তি করে। আমার বন্ধুরা সেখান থেকে আমাকে নরভিক হাসপাতালে নিয়ে এসেছে। আমার মাথা ও পায়ে আঘাত লেগেছে। তবে আমি ভাগ্যবান আমি বেঁচে আছি।

ঘটনাপ্রবাহ : নেপালে ইউএস বাংলা বিধ্বস্ত

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter