শেখ হাসিনার জনসভায় ২৪ জনকে হত্যা: ৫ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
jugantor
শেখ হাসিনার জনসভায় ২৪ জনকে হত্যা: ৫ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

  চট্টগ্রাম বুরো  

২০ জানুয়ারি ২০২০, ১৫:৩৯:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের লালদীঘিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জনসভায় ২৪ জনকে হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা প্রত্যেকেই পুলিশের সদস্য। 

সোমবার বিকালে চট্টগ্রামের বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জে সি মণ্ডল, প্রদীপ বড়ুয়া, মমতাজউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান ও শাহ অবদুল্লাহ। তাদের মধ্যে জে সি মণ্ডল পলাতক।

এর আগে রোববার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। গত ১৪ জানুয়ারি মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভা শুরুর আগে শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রাক আদালত ভবনের দিকে আসার সময় গুলিবর্ষণ শুরু হয়। এতে ২৪ জন মারা যান। গুলিবর্ষণের সময় মানববেষ্টনী তৈরি করে শেখ হাসিনাকে আইনজীবী সমিতি ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় ১৯৯২ সালে আইনজীবী মো. শহীদুল হুদা বাদী হয়ে মামলা করেন। ১৯৯৭ সালে মামলার প্রথম অভিযোগপত্র এবং অধিকতর তদন্ত শেষে ১৯৯৮ সালে দ্বিতীয় দফায় অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

শেখ হাসিনার জনসভায় ২৪ জনকে হত্যা: ৫ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

 চট্টগ্রাম বুরো 
২০ জানুয়ারি ২০২০, ০৩:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের লালদীঘিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জনসভায় ২৪ জনকে হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।রায়ে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা প্রত্যেকেই পুলিশের সদস্য।

সোমবার বিকালে চট্টগ্রামের বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জে সি মণ্ডল, প্রদীপ বড়ুয়া, মমতাজউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান ও শাহ অবদুল্লাহ। তাদের মধ্যে জে সি মণ্ডল পলাতক।

এর আগে রোববার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। গত ১৪ জানুয়ারি মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভা শুরুর আগে শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রাক আদালত ভবনের দিকে আসার সময় গুলিবর্ষণ শুরু হয়। এতে ২৪ জন মারা যান। গুলিবর্ষণের সময় মানববেষ্টনী তৈরি করে শেখ হাসিনাকে আইনজীবী সমিতি ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় ১৯৯২ সালে আইনজীবী মো. শহীদুল হুদা বাদী হয়ে মামলা করেন। ১৯৯৭ সালে মামলার প্রথম অভিযোগপত্র এবং অধিকতর তদন্ত শেষে ১৯৯৮ সালে দ্বিতীয় দফায় অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

 
আরও খবর