ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: ডিএনএ টেস্টে মিলেছে মজনুর সম্পৃক্ততা
jugantor
ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: ডিএনএ টেস্টে মিলেছে মজনুর সম্পৃক্ততা

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৬ জানুয়ারি ২০২০, ০৫:০৪:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ডিএনএ টেস্টে সন্দেহভাজন ধর্ষক মজনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। শনিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সিআইডির ডিআইজি শেখ নাজমুল আলম জানিয়েছেন, ছাত্রীর কাপড় থেকে সংগৃহীত নমুনার সঙ্গে মজনুর ডিএনএ মিলে গেছে।

তিনি বলেন, ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর কাপড় থেকে আমরা নমুনা সংগ্রহ করেছিলাম। সেখানে দুটি প্রোফাইল পাওয়া যায়। একটি ভুক্তভোগী ছাত্রীর, অপরটি মজনুর। দুজনের ডিএনএ নমুনা মিলে গেছে। ইতিমধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছি আমরা।

গেল ৫ জানুয়ারি বিকাল সোয়া ৫টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছিলেন ওই ছাত্রী। কুর্মিটোলা বাস স্টেশনে নামার পর তাকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি অনুসরণ করে। মাঝপথে শিক্ষার্থীকে ধরে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে সে।

ওই দিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফেরে ওই ছাত্রীর। পরে রিকশায় করে বান্ধবীর বাসায় যান তিনি। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে যান তার বান্ধবীসহ অন্য সহপাঠীরা।

ঘটনার পরের দিন সকালে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন ওই ছাত্রীর বাবা। ৮ জানুয়ারি মজনুকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। সে এখন কারাগারে রয়েছে।

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: ডিএনএ টেস্টে মিলেছে মজনুর সম্পৃক্ততা

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৬ জানুয়ারি ২০২০, ০৫:০৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ডিএনএ টেস্টে সন্দেহভাজন ধর্ষক মজনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। শনিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সিআইডির ডিআইজি শেখ নাজমুল আলম জানিয়েছেন, ছাত্রীর কাপড় থেকে সংগৃহীত নমুনার সঙ্গে মজনুর ডিএনএ মিলে গেছে।

তিনি বলেন, ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর কাপড় থেকে আমরা নমুনা সংগ্রহ করেছিলাম। সেখানে দুটি প্রোফাইল পাওয়া যায়। একটি ভুক্তভোগী ছাত্রীর, অপরটি মজনুর। দুজনের ডিএনএ নমুনা মিলে গেছে। ইতিমধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছি আমরা।

গেল ৫ জানুয়ারি বিকাল সোয়া ৫টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছিলেন ওই ছাত্রী। কুর্মিটোলা বাস স্টেশনে নামার পর তাকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি অনুসরণ করে। মাঝপথে শিক্ষার্থীকে ধরে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে সে।

ওই দিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফেরে ওই ছাত্রীর। পরে রিকশায় করে বান্ধবীর বাসায় যান তিনি। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে যান তার বান্ধবীসহ অন্য সহপাঠীরা।

ঘটনার পরের দিন সকালে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন ওই ছাত্রীর বাবা। ৮ জানুয়ারি মজনুকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। সে এখন কারাগারে রয়েছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ঢাবি ছাত্রীকে ধর্ষণ