শিক্ষকরা আদর্শ থেকে সরে গেলে শিক্ষার্থীরা দিকহারা হয়ে যায়: রাষ্ট্রপতি
jugantor
শিক্ষকরা আদর্শ থেকে সরে গেলে শিক্ষার্থীরা দিকহারা হয়ে যায়: রাষ্ট্রপতি

  পটুয়াখালী (দ.) ও দুমকী প্রতিনিধি  

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২০:৪৫:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

রাষ্ট্রপতি ও মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, শিক্ষক যখন তার মহান আদর্শ থেকে দূরে সরে নানা প্রাপ্তির পেছনে ছুটেন, শিক্ষার্থীরা তখন নাবিকহীন নৌকার মতো দিকহারা হয়ে যায়। পথের সঠিক দিশা পায় না।

বুধবার বিকালে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করা। বর্তমানে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। তবে, গুণগত শিক্ষা ছাড়া শিক্ষা মূল্যহীন। উচ্চ শিক্ষা যাতে কোনোভাবেই সার্টিফিকেট সর্বস্ব না হয় তা সম্মিলিতভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমাদের হতে হবে সদা সত্যান্বেষী এবং জ্ঞানালোকে সমৃদ্ধ হয়ে দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে নৈতিকভাবে বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী। দেশের কল্যাণে তোমরা হবে আলোর দিশারী, জ্ঞানের ফেরিওয়ালা। বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা তোমাদের আদর্শ অনুসরণ করবে। যার প্রভাব পড়বে তার কর্মজীবনে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে পলিথিন ও প্লাস্টিকের পানির বোতল নিষিদ্ধ করা উচিত। তা না হলে সারা দেশের পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই আমরা যদি সবাই মিলে সাধারণ মানুষদের পলিথিন ও প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার না করার জন্য সচেতন করতে হবে।

আমরা যেভাবে পলিথিন ব্যাগ নিয়ে বাজার থেকে আসছি তাতে যে দেশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সেদিকে আমরা নজর দিচ্ছি না। এ ছাড়াও সেভেন-আপ, কোকো-কোলা, ফান্টা এবং ফাস্ট ফুট খেয়ে নিজেদের শেষ করে দিচ্ছি। তাই এ দেশকে রক্ষার জন্য বর্তমান প্রজন্ম হিসেবে তোমাদের উদ্যোগ নিতে হবে, বলেন তিনি।

এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ এবং সমাবর্তন বক্তব্য রাখেন ইমেরিটাস প্রফেসর ড. এ কে আজাদ চৌধুরী।

এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য, দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদগণ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য, একাডেমিক কাউন্সিল সদস্য ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সমাবর্তনে মোট ৩ হাজার ৭০৬ জনকে গ্র্যাজুয়েট সনদ এবং ৬৩ জনকে চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়।

শিক্ষকরা আদর্শ থেকে সরে গেলে শিক্ষার্থীরা দিকহারা হয়ে যায়: রাষ্ট্রপতি

 পটুয়াখালী (দ.) ও দুমকী প্রতিনিধি 
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৮:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রাষ্ট্রপতি ও মো. আবদুল হামিদ
রাষ্ট্রপতি ও মো. আবদুল হামিদ। ছবি: যুগান্তর

রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, শিক্ষক যখন তার মহান আদর্শ থেকে দূরে সরে নানা প্রাপ্তির পেছনে ছুটেন, শিক্ষার্থীরা তখন নাবিকহীন নৌকার মতো দিকহারা হয়ে যায়। পথের সঠিক দিশা পায় না। 

বুধবার বিকালে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করা। বর্তমানে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। তবে, গুণগত শিক্ষা ছাড়া শিক্ষা মূল্যহীন। উচ্চ শিক্ষা যাতে কোনোভাবেই সার্টিফিকেট সর্বস্ব না হয় তা সম্মিলিতভাবে নিশ্চিত করতে হবে। 

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমাদের হতে হবে সদা সত্যান্বেষী এবং জ্ঞানালোকে সমৃদ্ধ হয়ে দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে নৈতিকভাবে বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী। দেশের কল্যাণে তোমরা হবে আলোর দিশারী, জ্ঞানের ফেরিওয়ালা। বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা তোমাদের আদর্শ অনুসরণ করবে। যার প্রভাব পড়বে তার কর্মজীবনে। 

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে পলিথিন ও প্লাস্টিকের পানির বোতল নিষিদ্ধ করা উচিত। তা না হলে সারা দেশের পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই আমরা যদি সবাই মিলে সাধারণ মানুষদের পলিথিন ও প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার না করার জন্য সচেতন করতে হবে। 

আমরা যেভাবে পলিথিন ব্যাগ নিয়ে বাজার থেকে আসছি তাতে যে দেশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সেদিকে আমরা নজর দিচ্ছি না। এ ছাড়াও সেভেন-আপ, কোকো-কোলা, ফান্টা এবং ফাস্ট ফুট খেয়ে নিজেদের শেষ করে দিচ্ছি। তাই এ দেশকে রক্ষার জন্য বর্তমান প্রজন্ম হিসেবে তোমাদের উদ্যোগ নিতে হবে, বলেন তিনি। 
 
এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ এবং সমাবর্তন বক্তব্য রাখেন ইমেরিটাস প্রফেসর ড. এ কে আজাদ চৌধুরী। 

এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য, দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদগণ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য, একাডেমিক কাউন্সিল সদস্য ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ  সমাবর্তনে মোট ৩ হাজার ৭০৬ জনকে গ্র্যাজুয়েট সনদ এবং ৬৩ জনকে চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন