‘ফাইট্টা যায়’ গেয়ে যুবসমাজকে ধ্বংস করলে আমরা কিছু বলি না: এমপি বাবলু
jugantor
‘ফাইট্টা যায়’ গেয়ে যুবসমাজকে ধ্বংস করলে আমরা কিছু বলি না: এমপি বাবলু

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১:৩৮:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বাবলু এমপি
বগুড়া-৭ আসনের স্বতন্ত্র এমপি রেজাউল করিম বাবলু। ফাইল ছবি

বগুড়া-৭ আসনের স্বতন্ত্র এমপি রেজাউল করিম বাবলু বলেছেন, যারা মিজানুর রহমান আজহারীর সমালোচনা করে, তারাই ফিল্ডে গিয়ে টিনএজ ছেলেমেয়েদের নিয়ে বুক ফাইট্যা যায় গান করে তাদের উত্ত্যক্ত করে। তাদের উচ্ছৃঙ্খল করে। 

তিনি বলেন, পাঙ্খাওয়ালিরা গিয়ে পাঙ্খার গান গায়। বুক ফাইট্টা যায়- এসব গান গেয়ে যখন যুবসমাজকে ধ্বংস করে, তখন আমরা কিছু বলি না, মাননীয় স্পিকার।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দেয়া এক বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ইতিমধ্যে তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। 

রেজাউল করিম বাবলু বলেন, মূলত ধর্ষণ, খুন, রাহাজানি– এই নৈতিক চরিত্রের অবক্ষয়ের কারণ তালাশ করতে হবে।

‘আমার দৃষ্টিতে যতক্ষণ পর্যন্ত জাতির মধ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ সৃষ্টি না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি বন্ধ হবে না, কমবে না।’

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি কয়েক দিন হলো আমাদের একজন ইসলামি বক্তা আজহারীকে নিয়ে কথা উঠছে। আজহারী কী রাজনীতি জানেন, তার বয়স কত। নট লেস দেন টুয়েন্টি ফাইভ ইয়ারস। সে কী রাজনীতি বোঝে, আজহারী কী রাজনীতি বোঝে যে, তাকে নিয়ে আমরা বড় বড় লোকগুলো টানাটানি করি। তাকে আরও ওপরের দিকে তুলে দিই।   

এমপি বাবলু বলেন, কয়েকটা কোরআনের আয়াত নিয়ে কথা বলেন। তার পেছনে আমরা সবাই লেগেছি। মাননীয় স্পিকার, এটি আজহারীর সঙ্গে লাগা নয়, এটি করে আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা হয়েছে। 

কিছু বিদেশি গোয়েন্দা, বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি আমাদের এই ৯৫ শতাংশ মুসলিম দেশে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ন করছে বলে মনে করেন এই সংসদ সদস্য।  

তিনি বলেন, মাননীয় স্পিকার, আমরা এই জাতীয় সংসদের অনেক সময় অবান্তর কথা বলে থাকি। কেউ সহনীয় পর্যায়ে ঘুষ খেতে বলি, কেউ গ্রিল ধরে ১০ তলা ভবন ফেলে দেয়।

‘এই মুজিববর্ষে, ৫০ বছর পরও আমরা রাজাকার আর মুক্তিযোদ্ধার তালিকার ফয়সালা করতে পারিনি। সেখানে কে দুই-একটা কথা বলেন, কোরআনের আয়াত বলেন, হাদিস বলেন– আর আমরা ওঠেপড়ে লেগেছি তার পেছনে।’

রেজাউল করিম বাবলু আরও বলেন, যারা ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি করে অতিউৎসাহী হয়ে, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, তাদের চিহ্নিত করা হোক। আজ তারা এ বিষয়ে এত অতিউৎসাহী কেন?

‘এটি মুসলিম কান্ট্রি। ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদি-নাসারা। খ্রিস্টান-ইহুদিরা তাদের এজেন্ডা দিয়ে তাদের বাস্তবায়নকারী লোক ও গুপ্তচরগুলোকে দিয়ে আমাদের নৈতিক চরিত্র অধপতন করে।’

 

‘ফাইট্টা যায়’ গেয়ে যুবসমাজকে ধ্বংস করলে আমরা কিছু বলি না: এমপি বাবলু

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১:৩৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাবলু এমপি
বগুড়া-৭ আসনের স্বতন্ত্র এমপি রেজাউল করিম বাবলু। ফাইল ছবি

বগুড়া-৭ আসনের স্বতন্ত্র এমপি রেজাউল করিম বাবলু বলেছেন, যারা মিজানুর রহমান আজহারীর সমালোচনা করে, তারাই ফিল্ডে গিয়ে টিনএজ ছেলেমেয়েদের নিয়ে বুক ফাইট্যা যায় গান করে তাদের উত্ত্যক্ত করে। তাদের উচ্ছৃঙ্খল করে।

তিনি বলেন, পাঙ্খাওয়ালিরা গিয়ে পাঙ্খার গান গায়। বুক ফাইট্টা যায়- এসব গান গেয়ে যখন যুবসমাজকে ধ্বংস করে, তখন আমরা কিছু বলি না, মাননীয় স্পিকার।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দেয়া এক বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ইতিমধ্যে তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

রেজাউল করিম বাবলু বলেন, মূলত ধর্ষণ, খুন, রাহাজানি– এই নৈতিক চরিত্রের অবক্ষয়ের কারণ তালাশ করতে হবে।

‘আমার দৃষ্টিতে যতক্ষণ পর্যন্ত জাতির মধ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ সৃষ্টি না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি বন্ধ হবে না, কমবে না।’

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি কয়েক দিন হলো আমাদের একজন ইসলামি বক্তা আজহারীকে নিয়ে কথা উঠছে। আজহারী কী রাজনীতি জানেন, তার বয়স কত। নট লেস দেন টুয়েন্টি ফাইভ ইয়ারস। সে কী রাজনীতি বোঝে, আজহারী কী রাজনীতি বোঝে যে, তাকে নিয়ে আমরা বড় বড় লোকগুলো টানাটানি করি। তাকে আরও ওপরের দিকে তুলে দিই।

এমপি বাবলু বলেন, কয়েকটা কোরআনের আয়াত নিয়ে কথা বলেন। তার পেছনে আমরা সবাই লেগেছি। মাননীয় স্পিকার, এটি আজহারীর সঙ্গে লাগা নয়, এটি করে আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা হয়েছে।

কিছু বিদেশি গোয়েন্দা, বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি আমাদের এই ৯৫ শতাংশ মুসলিম দেশে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ন করছে বলে মনে করেন এই সংসদ সদস্য।

তিনি বলেন, মাননীয় স্পিকার, আমরা এই জাতীয় সংসদের অনেক সময় অবান্তর কথা বলে থাকি। কেউ সহনীয় পর্যায়ে ঘুষ খেতে বলি, কেউ গ্রিল ধরে ১০ তলা ভবন ফেলে দেয়।

‘এই মুজিববর্ষে, ৫০ বছর পরও আমরা রাজাকার আর মুক্তিযোদ্ধার তালিকার ফয়সালা করতে পারিনি। সেখানে কে দুই-একটা কথা বলেন, কোরআনের আয়াত বলেন, হাদিস বলেন– আর আমরা ওঠেপড়ে লেগেছি তার পেছনে।’

রেজাউল করিম বাবলু আরও বলেন, যারা ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি করে অতিউৎসাহী হয়ে, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, তাদের চিহ্নিত করা হোক। আজ তারা এ বিষয়ে এত অতিউৎসাহী কেন?

‘এটি মুসলিম কান্ট্রি। ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদি-নাসারা। খ্রিস্টান-ইহুদিরা তাদের এজেন্ডা দিয়ে তাদের বাস্তবায়নকারী লোক ওগুপ্তচরগুলোকে দিয়ে আমাদের নৈতিক চরিত্র অধপতন করে।’

 
আরও খবর