মার্কিন সিনেটরের সেই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের
jugantor
মার্কিন সিনেটরের সেই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের

  যুগান্তর ডেস্ক  

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:১৩:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

মার্কিন সিনেটর চাক গ্রাসলি। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রশ্নে প্রভাবশালী মার্কিন সিনেটর চাক গ্রাসলির সাম্প্রতিক মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাস।

সিনেটর গ্রাসলি এক বিবৃতিতে দাবি করেছিলেন, ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে বাংলাদেশিদের একাংশকে নিপীড়নের শিকার হতে হয়।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে তার বক্তব্যকে ‘পক্ষপাতমূলক ও হতাশাজনক’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করা হয়।

মঙ্গলবার মার্কিন সিনেটর গ্রাসলি বলেন, ‘রাশিয়া, বাংলাদেশ ও সুদানের মতো দেশগুলোতে বসবাসরত নাগরিকদের সহায়তা করা উচিত যুক্তরাষ্ট্রের। তারা স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার মধ্যে বসবাস করছে এবং শুধু ধর্ম ও ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।’

গ্রাসলিকে বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতি উপলব্ধি করে যথাযথ তথ্যের ভিত্তিতে তার বক্তব্য সংশোধনের আহ্বান জানান বাংলাদেশ দূতাবাসের মুখপাত্র শামিম আহমেদ।

তিনি বলেন, সিনেটর গ্রাসলির বক্তব্য সত্যের অপলাপ। বাংলাদেশ দূতাবাস ওই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করছে এবং এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

শামিম আহমেদ বলেন, ‘দূতাবাস পরিষ্কার ভাষায় বলছে, মার্কিন সিনেটর গ্রাসলির বিবৃতি ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম’র প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি মার্কিন কমিশনের ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

মার্কিন সিনেটর গ্রাসলিকে সম্প্রীতি, স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিজ চোখে দেখে আসার জন্য বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন শামিম আহমেদ।

সিনেটর চাক গ্রাসলি দেশটির সিনেটের শক্তিশালী অর্থনৈতিক কমিটির চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের চতুর্থ শীর্ষ ব্যক্তি।

মার্কিন সিনেটরের সেই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের

 যুগান্তর ডেস্ক 
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মার্কিন সিনেটর চাক গ্রাসলি। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন সিনেটর চাক গ্রাসলি। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রশ্নে প্রভাবশালী মার্কিন সিনেটর চাক গ্রাসলির সাম্প্রতিক মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাস। 

সিনেটর গ্রাসলি এক বিবৃতিতে দাবি করেছিলেন, ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে বাংলাদেশিদের একাংশকে নিপীড়নের শিকার হতে হয়। 

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে  তার  বক্তব্যকে ‘পক্ষপাতমূলক ও হতাশাজনক’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করা হয়। 

মঙ্গলবার মার্কিন সিনেটর গ্রাসলি বলেন, ‘রাশিয়া, বাংলাদেশ ও সুদানের মতো দেশগুলোতে বসবাসরত নাগরিকদের সহায়তা করা উচিত যুক্তরাষ্ট্রের। তারা স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার মধ্যে বসবাস করছে এবং শুধু ধর্ম ও ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।’

গ্রাসলিকে বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতি উপলব্ধি করে যথাযথ তথ্যের ভিত্তিতে তার বক্তব্য সংশোধনের আহ্বান জানান বাংলাদেশ দূতাবাসের মুখপাত্র শামিম আহমেদ। 

তিনি বলেন, সিনেটর গ্রাসলির বক্তব্য সত্যের অপলাপ। বাংলাদেশ দূতাবাস ওই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করছে এবং এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। 

শামিম আহমেদ বলেন, ‘দূতাবাস পরিষ্কার ভাষায় বলছে, মার্কিন সিনেটর গ্রাসলির বিবৃতি ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম’র প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি মার্কিন কমিশনের ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। 

মার্কিন সিনেটর গ্রাসলিকে সম্প্রীতি, স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিজ চোখে দেখে আসার জন্য বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন শামিম আহমেদ। 

সিনেটর চাক গ্রাসলি দেশটির সিনেটের শক্তিশালী অর্থনৈতিক কমিটির চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের চতুর্থ শীর্ষ ব্যক্তি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর