পাপিয়া অতিথিদের প্রথমেই নিয়ে যেতেন ওয়েস্টিনে

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:২০:৩৬ | অনলাইন সংস্করণ

ছবি: সংগৃহীত

পাপিয়া তার অতিথিদের প্রথমেই নিয়ে যেতেন গুলশানের ঢাকা ওয়েস্টিন হোটেলে। লাঞ্চ ও ডিনার শেষে সেখান থেকে নিয়ে যেতেন তার নামে বরাদ্দকৃত সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রেসিডেনশিয়াল স্যুইটে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২৩ তলাবিশিষ্ট ঢাকা ওয়েস্টিন হোটেলের লেভেল-২২ এ এক হাজার ৪১১ বর্গফুট জায়গাজুড়ে বিলাসবহুল প্রেসিডেনসিয়াল স্যুইট।

সেখানে অতিথিদের সুন্দরী তরুণীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ বৈঠক করতেন পাপিয়া। এরপর পছন্দসই তরুণীকে নিয়ে গোপন কক্ষে প্রবেশ করতেন ভিআইপিরা।

ওয়েস্টিনের ২২ তলায় চার বেডরুমের ওই স্যুইটের প্রতিরাতের ভাড়া সাধারণভাবে দুই হাজার ডলারের মত। পাপিয়ার ‘পাপের রাজ্যে’ বিচরণ ছিল প্রশাসন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংস্থার অনেক শীর্ষ ব্যক্তিরই।

ঘনিষ্ঠতা ছিল যুব মহিলা লীগের শীর্ষস্থানীয় তিন নেত্রীর সঙ্গেও। ওয়েস্টিন হোটেলের কর্মকর্তারাও জানত তার অপকর্ম সম্পর্কে। ধনাঢ্য ব্যবসায়ীরাও পাপিয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে যেতেন হোটেল ওয়েস্টিনে। রিমান্ডে প্রতিদিনই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছেন পাপিয়া। ইতিমধ্যেই অনেক রাঘব বোয়ালের নাম বলেছেন তিনি।

তবে এসব তথ্য যাচাই করতে একটি সংস্থা ওয়েস্টিন হোটেল থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন। হোটেলের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন।

এদিকে পাপিয়া ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পৃথক তিনটি মামলা বুধবার রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে ন্যস্ত হয়েছে।

এ তথ্য জানিয়ে ডিবি উত্তরের উপকমিশনার মশিউর রহমান যুগান্তরকে বলেন, মামলাগুলোর ডকেট বুঝে পেয়েছি। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছি। মামলা হস্তান্তরের বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক কায়কোবাদ কাজীও।

এদিকে রিমান্ড চলাকালে থানায় বসেই পাপিয়া-সুমন দম্পতির প্রতারণার শিকার এক ব্যবসায়ীকে হুমকি দেয়ার কথা জানা গেছে। তপন তালুকদার টুকু নামের ঐ ব্যবসায়ী কাছ থেকে প্রতারণতার মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় পাপিয়া।

বিমানবন্দর থানায় গিয়ে তিনি পাপিয়ার স্বামী সুমনের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে জানালে সুমন হুমকি দিয়ে বলেন, টাকা দেব না, আপনি প্রতারণার মামলা দেবেন তো, ঐ মামলায় দুই মাসের বেশি জেল হবে না। অস্ত্র মামলাই খেয়েছি, তাতেই ভয় পাচ্ছি না। আর প্রতারণার মামলায় কি হবে?

সূত্র জানায়, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হওয়ার চেষ্টায় বড় অংকের টাকা বিনিয়োগ করেন পাপিয়া। কিন্তু যারা এ দায়িত্ব নিয়েছিলেন তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাপিয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করতে সাহস পাননি।

এ কারণে ওই বিনিয়োগটি বিফলে যায়। শুধু তাই নয়, জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক হতে খরচ করেছিলেন এক কোটি টাকা। এছাড়া উপঢৌকন হিসেবে কতিপয় প্রভাবশালী কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাকে দিয়েছিলেন বিশেষ উপহার।

তদন্তের অগ্রগতি জানতে চাইলে বুধবার বিকালে বিমানবন্দর থানার ওসি বিএম ফরমান আলী যুগান্তরকে বলেন, রাজধানীর বিমানবন্দর থানার এক মামলার রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে তদন্ত কর্মকর্তাদের নানা তথ্য দিয়েছেন পাপিয়া। আমরা যেসব তথ্য পাচ্ছি তাতে অবাক হচ্ছি। যাচাই করা ছাড়া এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

তিনি বলেন, পাপিয়ার অপকর্মের সঙ্গে হোটেলের কে কে জড়িত ছিল, তার অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসার পার্টনারই বা কারা ছিল, তার সঙ্গে পাওয়া জাল টাকার উৎসই বা কি, কাদের আশ্রয়-প্রশয়ে তিনি এ পর্যায়ে এসেছেন- সব বিষয়েই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তাদের প্রতারণার শিকার কয়েক ব্যক্তি থানায় এসে আমাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে গেছেন। আমরা সবকিছুই তদন্ত করছি।

এই মুহূর্তে অনেক তথ্য প্রকাশ করা যাচ্ছে না। ওসি বলেন, পাপিয়া ও তার স্বামী এবং দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে বিদেশি মুদ্রা ও জাল টাকার মামলা হয়েছে। অস্ত্র ও মাদকের পৃথক মামলা হয়েছে শেরেবাংলানগর থানায়।

নরসিংদীতে আরও একটি মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বিমানবন্দর থানার একটি এবং শেরেবাংলানগর থানার ২ টি মামলায় ৫ দিন করে মোট ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

পাপিয়ার অপকর্মের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা জানতে চাইলে বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কায়কোবাদ কাজী যুগান্তরকে বলেন, তিনি যুব মহিলা লীগ কেন্দ্রীয় সভাপতি নাজমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল এবং যুব মহিলা লীগ ঢাকা উত্তরের সভাপতি সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনের নাম বলেছেন। সব অভিযোগ যাচাই করা যায়নি।

সব কিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাপিয়া নিজে বাঁচার জন্যও উপর মহলের সংশ্লিষ্টতার কথা বলতে পারেন। তাই তার দেয়া তথ্য যাচাই করতে এরই মধ্যে হোটেলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। এখনও ফুটেজ বিশ্লেষণ করার সুযোগ হয়নি। যেসব রাজনৈতিক নেতা, আমলা বা ব্যবসায়ীর নাম এসেছে প্রয়োজনে তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

পাপিয়া দম্পতির প্রতারণার শিকার ব্যবসায়ী তপন তালুকদার টুকু যুগান্তরকে বলেন, পাঁচ মাস আগে আমি ঢাকা থেকে নরসিংদী বন্ধুর বাড়ি যাই। সেখানে দেখা হয় পাপিয়ার সঙ্গে। অনুষ্ঠান শেষে পাপিয়া আমাকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে ৪জন সুন্দরী তরুনীকে আমার সামনে নিয়ে আসে। জোর করে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে।

আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন, আপনাকে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। নইলে এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেবো। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেবো। আপনার নামে মানব পাচারের মামলা দেয়া হবে। পরে মারধর শুরু করে। মান-সম্মানের ভয়ে আমি তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা দিই। তাতেও মন গলেনি।

পরে আমাকে বাড়ির ছাদে তিনদিন আটকে রাখে। এক পর্যায়ে ব্যাংকের মাধ্যমে দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা দেয়ার পর ছাড়া পাই।

তিনি বলেন, পাপিয়ার গ্রেফতারের খবর শুনে আমি বিমানবন্দর থানায় যাই। ওসিকে ঘটনা খুলে বলি। পরে ওসি পাপিয়াকে থানাহাজত থেকে তার রুমে ডেকে আনেন।

এ সময় পাপিয়াকে সালাম দিয়ে আমার ওপর নির্যাতনের ঘটনা বলি। তখন সে হাতজোর করে আমার কাছে ক্ষমা চায়। থানার ওসির সামনে বলেন, আমার ভুল হয়ে গেছে। একজনের নির্দেশে আমি ওটা করেছিলাম। তোমার টাকাটা ফেরত দেব। তুমি আইনের আশ্রয় নিও না। কিন্তু টাকা পাইনি।

বুধবার ফের থানায় গিয়ে ওসিকে বলি, আমার টাকা না দিলে আমি পাপিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করবো। তখন ওসি বলেন, আপনি মামলা দিলে নরসিংদীতে দিতে হবে। কারণ আপনার সঙ্গে ঘটনাটি সেখানে ঘটেছে।

পরে ওসির রুমে পাপিয়ার স্বামী সুমনকে ডাকা হলে সুমন হুমকি দিয়ে বলেন, আপনার টাকা দেবো না। আমাদের নামে আপনি কী মামলা দেবেন? বড়জোর প্রতারণার মামলা দেবেন। এ মামলায় দুই মাসের বেশি জেল হবে না। অস্ত্র মামলা খেয়েছি। তাতেই ভয় পাচ্ছি না। আর প্রতারণার মামলায় কী হবে?

জানতে চাইলে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল সারওয়ার-বিন-কাশেম যুগান্তরকে বলেন, মামলাটি এখন থানা পুলিশ তদন্ত করছে। র‌্যাবের পক্ষ থেকে তদন্তের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অনুমতি পাওয়ার পর র‌্যাব আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত করবে।

তিনি জানান, পাপিয়ার অপকর্মের সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। হোটেল ওয়েস্টিনের কেউ পাপিয়ার অনৈতিক কাজে জড়িত ছিল কিনা সে বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরই এ বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যাবে।

তিনি বলেন, পাপিয়া ও তার স্বামী অস্ত্র, জাল টাকা এবং ইয়াবা ব্যববসায় জড়িত বলে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেবল মাদক ব্যবসাই নয়, পাপিয়া দম্পতি প্রচুর পরিমাণে মাদক দ্রব্য সেবন করতেন বলে আমাদের কাছে মনে হয়েছে।

র‌্যাব কর্মকর্তা সারওয়ার-বিন-কাশেম বলেন, ভিআইপিদের ব্ল্যাকমেইলিংয়ের জন্য বিদেশি তরুণীদের ব্যবহারের বিষয়ে যে তথ্য এসেছে তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তবে পাপিয়া যে সুন্দরী তরুণীদের দিয়ে যৌন ব্যবসা চালাতেন সে বিষয়টি এরই মধ্যে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পাপিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার বিষয়ে জানতে চাইলে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাজমা আকতার বলেন, জেলা কমিটিতে পাপিয়া আগে কোনো পদে না থাকলেও তাকে পদ দিতে অনেকটা বাধ্য হয়েছিলাম। নরসিংদীর একটি পক্ষ পাপিয়াকে পদ না দেয়ার জন্য আমাদের বলেছিল। আমিও পাপিয়াকে পদ দেয়ার পক্ষে ছিলাম না। তারপরও শেষ পর্যন্ত দিতে হয়েছে। বাণিজ্য করে যারা পাপিয়াকে পদ দিয়েছে, তাদের বিচারের আওতায় আনা হোক। এমন মেয়েদের জন্য যুব মহিলা লীগের সম্মান যায়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাপিয়া কাদের সঙ্গে উঠাবসা করে, তাদের খুঁজে বের করলেই সব পেয়ে যাবেন। অনেকের সঙ্গেই পাপিয়ার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল, তাদের বের করুন।

যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল বলেন, নরসিংদী আওয়ামী লীগ নেতাদের সুপারিশে পাপিয়াকে পদ দেয়া হয়েছিল। জেলার নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেই আমরা কমিটি দেই। তখন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা, এমপি-মন্ত্রীদের অনেক তদ্বির ছিল। অনেকেই পদ দেয়ার জন্য সুপারিশ করে।

যুব মহিলা লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ও সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, সাংগঠনিক সম্পর্কের বাইরে পাপিয়ার সঙ্গে আমার অন্য কোনো সম্পর্ক ছিল না। রাজনীতির কারণেই আমাকে তার সঙ্গে মিশতে হয়েছে। তিনি বলেন, পাপিয়া ২০১৪ সালে নেতা হয়েছে। আর আমার সঙ্গে পরিচয় হয়েছে ২০১৭ সালে। তখন আমি এমপি ছিলাম। তাই সে আমার বাসায় নিয়মিত আসতো। গত এক বছর ধরে পাপিয়ার সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ ছিল না। এমনকি আমি নরসিংদীতে গিয়ে ফোন করেও দেখা পাইনি। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর কারণেই হয়তো সে আমার কাছ থেকে দূরে সরে গেছে।

অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করবে দুদক : পাপিয়ার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান করবে দুদক। বুধবার বিকালে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান দুদক সচিব দিলওয়ার বখত। তিনি বলেন, বড় দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দুদক ব্যবস্থা নিচ্ছে। পাপিয়ার ঘটনারও অনুসন্ধান করা হবে। পাপিয়ার অনুসন্ধানের সূত্র ধরে অন্যদের নাম এলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবে কমিশন।

উল্লেখ্য, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশত্যাগের সময় পাপিয়াসহ চারজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

গ্রেফতার অন্যরা হলেন, পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী ওরফে মতি সুমন (৩৮), সাব্বির খন্দকার (২৯) ও শেখ তায়্যিবা (২২)। এরপর তাদেরকে নিয়ে ফার্মগেট ও নরসিংদীর বাসায় অভিযান চালানো হয়।

র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ২০টি পিস্তলের গুলি, ৫ বোতল দামি বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, ৫টি পাসপোর্ট, ৩টি চেকবই, বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি ভিসা ও এটিএম কার্ড উদ্ধার করে।

ঘটনাপ্রবাহ : পাপের রাজ্যে পাপিয়া

আরও

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত