সরকারি চাকরি পেলেন আরও সহস্রাধিক আলেম

প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০১৮, ২০:৪১ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

সারা দেশের বিভিন্ন উপজেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের অধীনে দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসার জন্য এবার আলিয়া নেসাবের ১,০১০ জন আলেম নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

সোমবার সারা দেশের এসব আলেম নিয়োগপত্র গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরিতে যোগ দেন। একসঙ্গে এতো আলেম দ্বীনের  দাওয়াহ ভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইতিহাসে বিরল বলে প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক আগ্রহে এ বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে সারা দেশে এক হাজার ১০টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৬ষ্ঠ পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নাধীন এসব মাদরাসায় সদ্য যোগদানকারী আলেমরা শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৫ মার্চ ১ হাজার ১০ জন কওমি আলেম এই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন। এ নিয়ে মোট ২ হাজার ২০জন শিক্ষক নিয়োগ করা হল। সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত আরো ১ হাজার ১০জন শিক্ষক খুব শিগগিরই নিয়োগ করা হবে। তাদের মৌখিক ও লিখিত পরীক্ষা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে সোমবার বিকালে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের জন্য ওরিয়েন্টেশন কর্মশালার আয়োজন করা হয়। মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) জুবায়ের আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ, বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের কিউরেটর ও সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল, লে. কর্নেল (অব.) সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক) ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নূরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক(যুগ্মসচিব) জুবায়ের আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সারা দেশ থেকে এসব প্রার্থীদের নির্বাচিত করা হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে এটি করা হয়েছে। আশা করি তারা দক্ষতা ও যোগ্যতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি আরও বলেন, এর আগে একই প্রকল্পে কওমি মাদ্রাসার এক হাজার ১০ জন আলেমকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রতি উপজেলা থেকে ২জন করে কওমি আলেম নেয়া হয়েছে।