স্মরণসভায় বক্তারা

সাংবাদিক ফয়সালের মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হল

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৩ মার্চ ২০১৮, ১৫:৩৯ | অনলাইন সংস্করণ

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলা বিমান দুর্ঘটনায় বৈশাখী টিভির সাংবাদিক আহমেদ ফয়সালের মৃত্যুতে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কনফারেন্স হলে ঢাকার শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতি এ স্মরণসভার আয়োজন করে।

সভায় বক্তারা বলেন, উদীয়মান তরুণ সাংবাদিকদের চলে যাওয়া রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তার মৃত্যু হিমালয়ের মতো ভারী। ফয়সালের চিন্তাচেতনা সবাই ধারণ করলে তার আত্মা শান্তি পাবে। সভায় প্রতি বছর ‘সাংবাদিক ফয়সাল স্মৃতি পদক’ প্রদানের ঘোষণা করে সংগঠনটি।

সংগঠনের সভাপতি রাজু আলীমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলী, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও একেএম এনামুল হক শামীম, নারী নেত্রী মাজেদা শওকত, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও বৈশাখী টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক সাইফুল ইসলামসহ সংগঠনের নেতারা।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক বলেন, কোনো কোনো মৃত্যু পাখির পালকের মতো, আবার কোনো কোনো মৃত্যু হিমালয়ের মতো। সাংবাদিক আহমেদ ফয়সালের মৃত্যু হিমালয়ের মতোই ভারী। তিনি বেঁচে থাকলে সাংবাদিক হিসেবে জাতিকে রাজনীতির অনেক দিকনিদের্শনা দিতেন। ফয়সাল যে চেতনা ও স্বপ্ন বুকে ধারণ করতেন, আমরা তা ধারণ করে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলি, তবেই তার আত্মা শান্তি পাবে।

আহমেদ ফয়সালের সঙ্গে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সংবাদ সংগ্রহ করার সুবাদে ফয়সালের সঙ্গে আমার সপ্তাহে কমপক্ষে তিন দিন সাক্ষাৎ হতো। সবসময় হাসিখুশি ছেলেটি কাজের প্রতি খুব আন্তরিক ছিল। এলাকার মানুষের প্রতি তার একটা বিশেষ নজরও ছিল। খুব কম সময়ে মানুষকে আপন করে নিতে পারত। ফয়সালের মৃত্যুতে পরিবার হারিয়েছে তাদের সন্তানকে, আর দেশ ও জাতি হারিয়েছে উদীয়মান তরুণ মেধাবী সাংবাদিককে। ফয়সাল বেঁচে থাকলে তার কাছ থেকে রাষ্ট্র ও সমাজ অনেক কিছু পেত।

ঢাকার সাংবাদিক সমিতির নেতাদের উদ্দেশে শামীম বলেন, ফয়সালের পরিবারের প্রতি যদি কোনো ধরনের সহায়তার প্রয়োজন হয়, তা হলে আমাদের জানাবেন। যা যা করা দরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করব। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার পরিবারের কথা বলার সুযোগ করে দেব।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও বৈশাখী টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, আহমেদ ফয়সালের সঙ্গে ছয় বছরের সম্পর্ক। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী প্রাণবন্ত ছেলেটি পুরো বার্তাকক্ষ মাতিয়ে রাখতেন। সে প্রথমে প্রযোজনা বিভাগে চাকরি নিলেও তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রিপোর্টিং বিভাগে আনা হয়। কাজপাগল ফয়সাল নিজ যোগ্যতায় টেলিভিশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিভিআইপি (রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী) বিটে কাজ শুরু করেন। সাংবাদিকতায় এসেই অনেকে অনেক সুযোগ-সুবিধা নেয়। কিন্তু ফয়সাল তা করেনি। তার দায়িত্বের শেষ দিন পর্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে।

সংগঠনের সভাপতি রাজু আলীম ‘সাংবাদিক ফয়সাল স্মৃতি পদক’ প্রদানের ঘোষণা করেন। এখন থেকে প্রতি বছর এ পদক প্রদান করা হবে।

ঘটনাপ্রবাহ : নেপালে ইউএস বাংলা বিধ্বস্ত

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.