জুন মাসে ২৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬১
jugantor
রোড সেফটির প্রতিবেদন
জুন মাসে ২৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬১

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৫ জুলাই ২০২০, ১৮:৫৯:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

সারাদেশে জুন মাসে ২৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬১ ও আহত ৩৪৮ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৭জন ও শিশু ৩২। এককভাবে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় বেশি প্রাণহানি ঘটেছে।

১০৩টি মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৯৪ জন, যা মোট নিহতের ২৬ দশমিক ০৩ শতাংশ।

এই সময়ে ১১ টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৫৬ জন নিহত এবং ২৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ৬টি রেল দুর্ঘটনায় নিহত ৭ জন।

রোববার রোড সেফটি ফাউন্ডেশন থেকে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মে মাসের তুলনায় জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি উভয়ই বেড়েছে। মে মাসে ২১৩টি দুর্ঘটনায় ২৯২ জন নিহত হয়েছিলেন। এই হিসাবে জুন মাসে দুর্ঘটনা ৩৯.৪৩ শতাংশ এবং প্রাণহানি ২৩.৬৩ শতাংশ বেড়েছে। দুর্ঘটনায় ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষ নিহত হয়েছেন ২৭৭ জন।

এতে আরও বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৩১টি (৪৪.১০ শতাংশ) জাতীয় মহাসড়কে, ৯২টি (৩০.৯৭ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ৫৩টি (১৭.৮৪ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে এবং ২১টি (৭.০৭ শতাংশ) শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনাসমূহের মধ্যে ৬৩টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৮৮টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৭৮টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা, ৫৯টি যানবাহনের পেছনে আঘাত এবং ৯টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে। দূর্ঘটনার কারণ হিসেবে ত্র“টিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকের অদক্ষতাসহ ১০টি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।

রোড সেফটির প্রতিবেদন

জুন মাসে ২৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬১

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৫ জুলাই ২০২০, ০৬:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সারাদেশে জুন মাসে ২৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬১ ও আহত ৩৪৮ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৭জন ও শিশু ৩২। এককভাবে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। 

১০৩টি মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৯৪ জন, যা মোট নিহতের ২৬ দশমিক ০৩ শতাংশ। 

এই সময়ে ১১ টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৫৬ জন নিহত এবং ২৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ৬টি রেল দুর্ঘটনায় নিহত ৭ জন। 

রোববার রোড সেফটি ফাউন্ডেশন থেকে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মে মাসের তুলনায় জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি উভয়ই বেড়েছে। মে মাসে ২১৩টি দুর্ঘটনায় ২৯২ জন নিহত হয়েছিলেন। এই হিসাবে জুন মাসে দুর্ঘটনা ৩৯.৪৩ শতাংশ এবং প্রাণহানি ২৩.৬৩ শতাংশ বেড়েছে। দুর্ঘটনায় ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষ নিহত হয়েছেন ২৭৭ জন। 

এতে আরও বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৩১টি (৪৪.১০ শতাংশ) জাতীয় মহাসড়কে, ৯২টি (৩০.৯৭ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ৫৩টি (১৭.৮৪ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে এবং ২১টি (৭.০৭ শতাংশ) শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে। 

দুর্ঘটনাসমূহের মধ্যে ৬৩টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৮৮টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৭৮টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা, ৫৯টি যানবাহনের পেছনে আঘাত এবং ৯টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে। দূর্ঘটনার কারণ হিসেবে ত্র“টিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকের অদক্ষতাসহ ১০টি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।