বগুড়া-১ উপ-নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই: সিইসি
jugantor
বগুড়া-১ উপ-নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই: সিইসি

  বগুড়া ব্যুরো  

১১ জুলাই ২০২০, ২১:১৫:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রধান নির্বাচন কশিমনার কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, সাংবিধানিক কারণে এ করোনাকালে আগামী ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বগুড়া-১ আসনের নির্বাচনের তারিখ পেছানোর সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, বাধ্য হয়েই নির্বাচন করতে হচ্ছে। তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝড়, বৃষ্টি হলেও নির্বাচন চলবে। সংশ্লিষ্টরা সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন ও নির্বাচন গ্রহণের চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। আর পরিবেশ ও প্রস্তুতি ভালো তাই এ নির্বাচন সুন্দর হবে।

শনিবার বিকালে বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিশেষ আইন-শৃংখলা সভা শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ সব কথা বলা হয়।

সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে ৯০ দিন নির্বাচন পিছিয়ে দিতে পারে। তাই করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৯ মার্চ বগুড়া-১ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল।

এখন আর তারিখ পিছানোর সুযোগ নেই; আগামী ১৪ জুলাই নির্বাচন করতেই হবে। বিএনপি প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে গেলেও ব্যালটে তার নাম ও প্রতীক থাকবে।

এরপরও নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের সুযোগ আছে কী না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আইন হলে পরিবর্তনের সুযোগ থাকে; কিন্তু সংবিধানের ওপর কথা নেই। নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করতে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে সংশোধন করতে হয়।

তাই বন্যা, বৃষ্টি, করোনা মাথা রেখেই নির্বাচন করতে হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি ইতালি, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, রুয়ান্ডাসহ বিভিন্ন দেশের নির্বাচনের উদাহরণ দেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে সিইসি বলেন, ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মাইকিং করবেন। আর জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে নাগরিক অধিকার পালন করতে কেন্দ্রে যাবে। কত শতাংশ ভোট সংগ্রহ হলে নির্বাচন হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ২ শতাংশ ভোট গ্রহণ হলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে।

ভোটদিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোনো ভোটার মারা গেলে তার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন নিবে কী না? এর উত্তরে সিইসি বলেন, ভোটার নিজ দায়িত্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট দিতে যাবেন। তার কিছু হলে কেউ দায়িত্ব নেবে না। কেন্দ্রে করোনা মোকাবিলার জন্য সম্ভাব্য সবকিছু থাকবে।

বগুড়া-১ উপ-নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই: সিইসি

 বগুড়া ব্যুরো 
১১ জুলাই ২০২০, ০৯:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রধান নির্বাচন কশিমনার কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, সাংবিধানিক কারণে এ করোনাকালে আগামী ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বগুড়া-১ আসনের নির্বাচনের তারিখ পেছানোর সুযোগ নেই। 

তিনি বলেন, বাধ্য হয়েই নির্বাচন করতে হচ্ছে। তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝড়, বৃষ্টি হলেও নির্বাচন চলবে। সংশ্লিষ্টরা সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন ও নির্বাচন গ্রহণের চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। আর পরিবেশ ও প্রস্তুতি ভালো তাই এ নির্বাচন সুন্দর হবে। 

শনিবার বিকালে বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিশেষ আইন-শৃংখলা সভা শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ সব কথা বলা হয়।

সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে ৯০ দিন নির্বাচন পিছিয়ে দিতে পারে। তাই করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৯ মার্চ বগুড়া-১ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। 

এখন আর তারিখ পিছানোর সুযোগ নেই; আগামী ১৪ জুলাই নির্বাচন করতেই হবে। বিএনপি প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে গেলেও ব্যালটে তার নাম ও প্রতীক থাকবে।

এরপরও নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের সুযোগ আছে কী না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আইন হলে পরিবর্তনের সুযোগ থাকে; কিন্তু সংবিধানের ওপর কথা নেই। নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করতে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে সংশোধন করতে হয়। 

তাই বন্যা, বৃষ্টি, করোনা মাথা রেখেই নির্বাচন করতে হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি ইতালি, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, রুয়ান্ডাসহ বিভিন্ন দেশের নির্বাচনের উদাহরণ দেন। 

এক প্রশ্নের উত্তরে সিইসি বলেন, ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মাইকিং করবেন। আর জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে নাগরিক অধিকার পালন করতে কেন্দ্রে যাবে। কত শতাংশ ভোট সংগ্রহ হলে নির্বাচন হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ২ শতাংশ ভোট গ্রহণ হলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে। 

ভোটদিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোনো ভোটার মারা গেলে তার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন নিবে কী না? এর উত্তরে সিইসি বলেন, ভোটার নিজ দায়িত্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট দিতে যাবেন। তার কিছু হলে কেউ দায়িত্ব নেবে না। কেন্দ্রে করোনা মোকাবিলার জন্য সম্ভাব্য সবকিছু থাকবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর