ঈদগাহে নয়, মসজিদেই হবে ঈদুল আজহার জামাত
jugantor
ঈদগাহে নয়, মসজিদেই হবে ঈদুল আজহার জামাত

  অনলাইন ডেস্ক  

১২ জুলাই ২০২০, ১৮:২৯:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

মসজিদে হবে ঈদুল আজহার জামাত
ঈদুল ফিতরে বায়তুল মোকারর জাতীয় মসজিদে নামাজের অপেক্ষায় মুসল্লিরা। ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ঈদুল আজহার নামাজের জামাতও ঈদগাহ/উন্মুক্ত স্থানের পরিবর্তে মসজিদে আদায় করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার।

রোববার (১২ জুলাই) সচিবালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নুরুল ইসলাম।    

সভায় যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য এবং আনন্দমুখর পরিবেশে  পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি প্রণয়ন ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 

এ বছর করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক ঈদের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহের পরিবর্তে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সামাজিক দূরত্ব রেখে নামাজ আদায়, নামাজ শেষে কোলাকুলি এবং হাত না মেলাতে বলা হয়।


ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মো. আনিছ মাহমুদের  পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, তথ্য, জনপ্রশাসন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ইসলামিক ফাউণ্ডেশনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দফতর সংস্থার প্রতিনিধিরা এ ভার্চুয়াল সভায় অংশগ্রহণ করেন।   

সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের মধ্যে আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ, আল্লামা মুফতি রুহুল আমিন, মাওলানা আনাস মাদানী, মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন, মাওলানা নুরুল আমিন, হাফেজ মাওলানা আব্দুল আলিম রিজভী, মুফতি মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা ড. কাফিলুদ্দীন সরকার সালেহী, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা মোসাদ্দিক বিল্লাহ আল মাদানী, মাওলানা মাহফুজুল হক প্রমুখ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এ ভার্চুয়াল সভায় অংশগ্রহণ করে তাদের মতামত প্রদান করেন।

জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই বা ১ আগস্ট মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।      

ঈদগাহে নয়, মসজিদেই হবে ঈদুল আজহার জামাত

 অনলাইন ডেস্ক 
১২ জুলাই ২০২০, ০৬:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মসজিদে হবে ঈদুল আজহার জামাত
ঈদুল ফিতরে বায়তুল মোকারর জাতীয় মসজিদে নামাজের অপেক্ষায় মুসল্লিরা। ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ঈদুল আজহার নামাজের জামাতও ঈদগাহ/উন্মুক্ত স্থানের পরিবর্তে মসজিদে আদায় করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার।

রোববার (১২ জুলাই) সচিবালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতেসভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নুরুল ইসলাম।

সভায় যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য এবং আনন্দমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি প্রণয়ন ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এ বছর করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক ঈদের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহের পরিবর্তে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া সামাজিক দূরত্ব রেখে নামাজ আদায়, নামাজ শেষে কোলাকুলি এবং হাত না মেলাতে বলা হয়।


ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মো. আনিছ মাহমুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, তথ্য, জনপ্রশাসন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ইসলামিক ফাউণ্ডেশনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দফতর সংস্থার প্রতিনিধিরা এ ভার্চুয়াল সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের মধ্যে আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ, আল্লামা মুফতি রুহুল আমিন, মাওলানা আনাস মাদানী, মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন, মাওলানা নুরুল আমিন, হাফেজ মাওলানা আব্দুল আলিম রিজভী, মুফতি মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা ড. কাফিলুদ্দীন সরকার সালেহী, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা মোসাদ্দিক বিল্লাহ আল মাদানী, মাওলানা মাহফুজুল হক প্রমুখ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এ ভার্চুয়াল সভায় অংশগ্রহণ করে তাদের মতামত প্রদান করেন।

জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই বা ১ আগস্ট মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস