ডিবি কার্যালয়ে ডা. সাবরিনা
jugantor
ডিবি কার্যালয়ে ডা. সাবরিনা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৪ জুলাই ২০২০, ১৫:১৩:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ডিবি কার্যালয়ে ডা. সাবরিনা

করোনাভাইরাস টেস্ট প্রতারোণাকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা এ চৌধুরীকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তেঁজগাও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ।

তিনি জানান, মামলাটির অধিক তদন্তের জন্য ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাই ডা. সাবরিনাকে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ জন্য তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার আদালত সাবরিনার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আজ রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন। আজ ডিবির তেজগাঁও কার্যালয়ে তাকে করোনার রিপোর্ট প্রতারণা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করে আসা ডা. সাবরিনা এ চৌধুরী জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান। তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরী প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী। সে কারণে সাবরিনা আরিফ চৌধুরী নামেই তিনি পরিচিত। এ ছাড়া ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ওভার গ্রুপ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা এ চৌধুরী।

আরিফসহ ছয়জন গ্রেফতার হওয়ার পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জেকেজির প্রতারণার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সাবরিনার নামও উঠে আসে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডাকা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

সোমবার সাবরিনা এ চৌধুরীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আজ তার রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন।

জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনার নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ৪৬০ টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহ করে।

পুলিশ জানিয়েছে, জেকেজি হেলথকেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনার আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপে তৈরি করা হয়। জব্দ করা ল্যাপটপে এর প্রমাণ মিলেছে। আরিফ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানান, জেকেজির ৭-৮ কর্মী ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করেন।

জেকেজির মাঠকর্মীরা ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে করোনা উপসর্গ দেখা দেয়া মানুষের নমুনা সংগ্রহ করতেন। প্রতি রিপোর্টে ৫-১০ হাজার টাকা নেয়া হতো। আর বিদেশিদের কাছ থেকে নেন ১০০ ডলার। সেই হিসাবে করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্টে প্রায় ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জেকেজি।

ডিবি কার্যালয়ে ডা. সাবরিনা

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৪ জুলাই ২০২০, ০৩:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ডিবি কার্যালয়ে ডা. সাবরিনা
ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস টেস্ট প্রতারোণাকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা এ চৌধুরীকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তেঁজগাও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ।

তিনি জানান, মামলাটির অধিক তদন্তের জন্য ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাই ডা. সাবরিনাকে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ জন্য তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার আদালত সাবরিনার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আজ রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন। আজ ডিবির তেজগাঁও কার্যালয়ে তাকে করোনার রিপোর্ট প্রতারণা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করে আসা ডা. সাবরিনা এ চৌধুরী জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান। তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরী প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী। সে কারণে সাবরিনা আরিফ চৌধুরী নামেই তিনি পরিচিত। এ ছাড়া ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ওভার গ্রুপ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা এ চৌধুরী।

আরিফসহ ছয়জন গ্রেফতার হওয়ার পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জেকেজির প্রতারণার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সাবরিনার নামও উঠে আসে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডাকা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। 

সোমবার সাবরিনা এ চৌধুরীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আজ তার রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন।

জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনার নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ৪৬০ টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহ করে।

পুলিশ জানিয়েছে, জেকেজি হেলথকেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনার আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপে তৈরি করা হয়। জব্দ করা ল্যাপটপে এর প্রমাণ মিলেছে। আরিফ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানান, জেকেজির ৭-৮ কর্মী ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করেন।

জেকেজির মাঠকর্মীরা ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে করোনা উপসর্গ দেখা দেয়া মানুষের নমুনা সংগ্রহ করতেন। প্রতি রিপোর্টে ৫-১০ হাজার টাকা নেয়া হতো। আর বিদেশিদের কাছ থেকে নেন ১০০ ডলার। সেই হিসাবে করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্টে প্রায় ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জেকেজি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : করোনা টেস্ট প্রতারণায় জেকেজি