চট্টগ্রাম সিটির ভোট হচ্ছে না, প্রশাসক নিয়োগ আগস্টে
jugantor
চট্টগ্রাম সিটির ভোট হচ্ছে না, প্রশাসক নিয়োগ আগস্টে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৪ জুলাই ২০২০, ২০:৪৭:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম সিটির ভোট হচ্ছে না, প্রশাসক নিয়োগ আগস্টে
ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে করা সম্ভব নয় বলে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব বরাবরে পাঠানো এক চিঠিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকির বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ইসি তাদের এই অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে। 

এদিকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম ইসির এই চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়ে বলেছেন, ৫ আগস্টের পরে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে অর্থাৎ প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। 

স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইনানুযায়ী কোনো কর্পোরেশনের ৫ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। 

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ৫ আগস্ট সেই ১৮০ দিনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। মঙ্গলবার ইসির পক্ষ থেকে সরকারকে দেয়া চিঠিতেও বলা হয়েছে, ৫ আগস্টের মধ্যে এই নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয়। 

চিঠিতে করোনা পরিস্থিতির পাশাপাশি পাহাড় ধসের আশঙ্কায় কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের নির্বাচন আয়োজন সরাসরি নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। তবে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনগুলো ইসি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে আয়োজন করে থাকে। 

এর আগে ইসির পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিল। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত ২৯ মার্চ ছিল ভোটের দিন। কিন্তু এরই আগে দেশে করোনা প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় ওই নির্বাচন স্থগিত করা হয়। ওই একই দিনে বগুড়া-১ এবং যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। ওই সময় ওই নির্বাচন দুটি স্থগিত হয়েছিল। তবে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ওই দুটি আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
 

চট্টগ্রাম সিটির ভোট হচ্ছে না, প্রশাসক নিয়োগ আগস্টে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৪ জুলাই ২০২০, ০৮:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম সিটির ভোট হচ্ছে না, প্রশাসক নিয়োগ আগস্টে
ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে করা সম্ভব নয় বলে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব বরাবরে পাঠানো এক চিঠিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকির বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ইসি তাদের এই অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম ইসির এই চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়ে বলেছেন, ৫ আগস্টের পরে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে অর্থাৎ প্রশাসক নিয়োগ করা হবে।

স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইনানুযায়ী কোনো কর্পোরেশনের ৫ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ৫ আগস্ট সেই ১৮০ দিনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। মঙ্গলবার ইসির পক্ষ থেকে সরকারকে দেয়া চিঠিতেও বলা হয়েছে, ৫ আগস্টের মধ্যে এই নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয়।

চিঠিতে করোনা পরিস্থিতির পাশাপাশি পাহাড় ধসের আশঙ্কায় কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের নির্বাচন আয়োজন সরাসরি নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। তবে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনগুলো ইসি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে আয়োজন করে থাকে।

এর আগে ইসির পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিল। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত ২৯ মার্চ ছিল ভোটের দিন। কিন্তু এরই আগে দেশে করোনা প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় ওই নির্বাচন স্থগিত করা হয়। ওই একই দিনে বগুড়া-১ এবং যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। ওই সময় ওই নির্বাচন দুটি স্থগিত হয়েছিল। তবে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ওই দুটি আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস