বঙ্গবন্ধু আজীবন সহনশীল মনোভাবই লালন করে গেছেন: পলক
jugantor
ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ চ্যাম্পিয়ন বিডি ফ্যাক্টচেক
বঙ্গবন্ধু আজীবন সহনশীল মনোভাবই লালন করে গেছেন: পলক

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ জুলাই ২০২০, ০০:৩৬:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

জুনায়েদ আহমেদ পলক

বঙ্গবন্ধু আজীবন সহনশীল মনোভাবই লালন করে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, “আমরা যদি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন গভীরভাবে উপলব্ধি করি তাহলে দেখতে পাবো যে, তার জীবনের ৫৫টি বছর তিনি গণতন্ত্রের জন্য, একটি অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য নিবেদিত থেকেছেন। বঙ্গবন্ধু বলেছেন, 'যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও সে একজনও যদি হয়, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব।’ বঙ্গবন্ধুর এই কথার মধ্যে একটা সহনশীল মনোভাব প্রকাশ পায়। এই মনোভাবই তিনি সারা জীবন লালন করে গেছেন।”

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরাও আমাদের তরুণ প্রজন্মের প্রতি এই আবেদন জানাবো। আমি আপনার সঙ্গে একমত না হতে পারি, কিন্তু আমি আপনার মত প্রকাশের জন্য আমার জীবন দিয়ে দেব।’

মঙ্গলবার জাতিসংঘের উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা ইউএনডিপি আয়োজিত ‘ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ- ২০২০’-এর চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এবারের চ্যালেঞ্জে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বিডি ফ্যাক্টচেক। করোনা মহামারীদের সম্মুখযোদ্ধা এবং আক্রান্তদের প্রতি সামাজিক হেয়প্রতিপন্নমূলক আচরণ (স্টিগমা) প্রতিরোধে নিজেদের প্রকল্প তুলে ধরার মাধ্যমে এ চ্যালেঞ্জে বিজয়ী হয়েছে বিডি ফ্যাক্টচেক। প্রতিষ্ঠানটির সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের টিম চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণ করে ১৪টি টিমকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয়।

চ্যাম্পিয়ন বিডি ফ্যাক্টচেকের নাম ঘোষণার আগে তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমি যাদের নাম ঘোষণা করবো তারা (বিডি ফ্যাক্টচেক) খুবই প্রয়োজনীয় একটি প্লাটফর্ম। এদের সম্পর্কে আমি আগেও শুনেছি। খুব ভালো কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও তাদেরকে আমাদের খুব প্রয়োজন। কারণ আমাদেরকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

‘ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ’ নামে গত কয়েক বছর ধরে অনলাইন বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে তরুণদের সম্পৃক্তকরণের কাজ করে আসছে ইউএনডিপি।

সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপির ডেপুটি রিপ্রেজেন্টিভ নগুয়েন দি এনগক ভ্যান। পুরো প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপির প্রজেক্ট ম্যানেজার রবার্ট স্টলম্যান, আইসিটি ডিভিশনের টিনা জাবিন, ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সুমন রহমান এবং তাজিন শাহিদ।

অনুষ্ঠানের শেষপ্রান্তে দুই ক্যাটাগরিতে চারটি বিজয়ী গ্রুপের নাম ঘোষণা করা হয়। স্টার্ট-আপ ক্যাটাগরিতে প্রথম হয় বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বিডি ফ্যাক্টচেক। একই ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় স্বপ্নজয়কে। একইভাবে আইডিয়া পর্যায়ে প্রথম ও দ্বিতীয় হিসেবে নির্বাচিত হয় যথাক্রমে পাঁচফোড়ন ও স্বয়ং নামে দুটি প্রতিষ্ঠানের আইডিয়া।

ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ চ্যাম্পিয়ন বিডি ফ্যাক্টচেক

বঙ্গবন্ধু আজীবন সহনশীল মনোভাবই লালন করে গেছেন: পলক

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ জুলাই ২০২০, ১২:৩৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জুনায়েদ আহমেদ পলক
জুনায়েদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধু আজীবন সহনশীল মনোভাবই লালন করে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, “আমরা যদি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন গভীরভাবে উপলব্ধি করি তাহলে দেখতে পাবো যে, তার জীবনের ৫৫টি বছর তিনি গণতন্ত্রের জন্য, একটি অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য নিবেদিত থেকেছেন। বঙ্গবন্ধু বলেছেন, 'যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও সে একজনও যদি হয়, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব।’ বঙ্গবন্ধুর এই কথার মধ্যে একটা সহনশীল মনোভাব প্রকাশ পায়। এই মনোভাবই তিনি সারা জীবন লালন করে গেছেন।”

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরাও আমাদের তরুণ প্রজন্মের প্রতি এই আবেদন জানাবো। আমি আপনার সঙ্গে একমত না হতে পারি, কিন্তু আমি আপনার মত প্রকাশের জন্য আমার জীবন দিয়ে দেব।’

মঙ্গলবার জাতিসংঘের উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা ইউএনডিপি আয়োজিত ‘ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ- ২০২০’-এর চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এবারের চ্যালেঞ্জে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বিডি ফ্যাক্টচেক। করোনা মহামারীদের সম্মুখযোদ্ধা এবং আক্রান্তদের প্রতি সামাজিক হেয়প্রতিপন্নমূলক আচরণ (স্টিগমা) প্রতিরোধে নিজেদের প্রকল্প তুলে ধরার মাধ্যমে এ চ্যালেঞ্জে বিজয়ী হয়েছে বিডি ফ্যাক্টচেক। প্রতিষ্ঠানটির সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের টিম চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণ করে ১৪টি টিমকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয়।

চ্যাম্পিয়ন বিডি ফ্যাক্টচেকের নাম ঘোষণার আগে তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমি যাদের নাম ঘোষণা করবো তারা (বিডি ফ্যাক্টচেক) খুবই প্রয়োজনীয় একটি প্লাটফর্ম। এদের সম্পর্কে আমি আগেও শুনেছি। খুব ভালো কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও তাদেরকে আমাদের খুব প্রয়োজন। কারণ আমাদেরকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

‘ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ’ নামে গত কয়েক বছর ধরে অনলাইন বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে তরুণদের সম্পৃক্তকরণের কাজ করে আসছে ইউএনডিপি।

সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপির ডেপুটি রিপ্রেজেন্টিভ নগুয়েন দি এনগক ভ্যান। পুরো প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপির প্রজেক্ট ম্যানেজার রবার্ট স্টলম্যান, আইসিটি ডিভিশনের টিনা জাবিন, ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সুমন রহমান এবং তাজিন শাহিদ।

অনুষ্ঠানের শেষপ্রান্তে দুই ক্যাটাগরিতে চারটি বিজয়ী গ্রুপের নাম ঘোষণা করা হয়। স্টার্ট-আপ ক্যাটাগরিতে প্রথম হয় বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বিডি ফ্যাক্টচেক। একই ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় স্বপ্নজয়কে। একইভাবে আইডিয়া পর্যায়ে প্রথম ও দ্বিতীয় হিসেবে নির্বাচিত হয় যথাক্রমে পাঁচফোড়ন ও স্বয়ং নামে দুটি প্রতিষ্ঠানের আইডিয়া। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন