এমপি পাপুলের স্ত্রী ও শ্যালিকাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ  
jugantor
এমপি পাপুলের স্ত্রী ও শ্যালিকাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ  

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ জুলাই ২০২০, ১৩:৪৮:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কাজী শহীদ ইসলাম ওরফে পাপুল ও তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম।
কাজী শহীদ ইসলাম ওরফে পাপুল ও তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম। ফাইল ছবি

অর্থ ও মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম ওরফে পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম ও শ্যালিকা জেসমিন প্রধানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার আধাঘণ্টা পর অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দীন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। 

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে গত ১২ জুলাই তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে নোটিশ দিয়েছিলেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা সালাহউদ্দীন।

গত ২২ জুন একই অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের সংসদ সদস্য পাপুল, স্ত্রী সেলিনা, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও শ্যালিকা জেসমিনের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দেশি-বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা সব ব্যাংক হিসাব স্থগিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেয় দুদক।

গত ১৭ জুন পাপুলের স্ত্রী, মেয়ে ও শ্যালিকার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। পাশাপাশি পাপুল দেশে ফিরলে আর যেন বিদেশে যেতে না পারেন, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করে পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) চিঠি দিয়েছে দুদক।

প্রসঙ্গত, গত ৬ জুন রাতে কুয়েতের মুশরেফ আবাসিক এলাকা থেকে মানবপাচার ও অবৈধ মুদ্রাপাচারের অভিযোগে দেশটির সিআইডি এমপি পাপুলকে আটক করে। তাকে আটকের পর তদন্ত চলার মধ্যে এটিকে ‘সবচেয়ে বড়’ মানবপাচারের ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন কুয়েতের উপপ্রধানমন্ত্রী আনাস আল-সালেহ।

আটকের পরদিন তার জামিন আবেদন নাকচ করে আদালত সিআইডির রিমান্ডে পাঠায়। লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এই স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ১১ জন মানবপাচার ও ভিসা নবায়নের জন্য বাড়তি টাকা আদায়ের সাক্ষ্য দেয় বলে জানায় কুয়েতের গণমাধ্যম।

কুয়েতে সংসদ সদস্য আটকের বিষয়টি বাংলাদেশেও বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ফলে ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে বাংলাদেশের সিআইডি।

পাপুলের বিষয়ে দেশ ও দেশের বাইরে বহুমুখী অনুসন্ধান চলছে। কুয়েতের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), বাংলাদেশের সিআইডি, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এ অনুসন্ধান করছে।

এমপি পাপুলের স্ত্রী ও শ্যালিকাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ  

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ জুলাই ২০২০, ০১:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কাজী শহীদ ইসলাম ওরফে পাপুল ও তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম।
কাজী শহীদ ইসলাম ওরফে পাপুল ও তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম। ফাইল ছবি

অর্থ ও মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম ওরফে পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম ও শ্যালিকা জেসমিন প্রধানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার আধাঘণ্টা পরঅনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দীন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১২ জুলাই তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে নোটিশ দিয়েছিলেনঅনুসন্ধান কর্মকর্তা সালাহউদ্দীন।

গত ২২ জুন একই অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের সংসদ সদস্য পাপুল, স্ত্রী সেলিনা, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও শ্যালিকা জেসমিনের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দেশি-বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা সব ব্যাংক হিসাব স্থগিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেয় দুদক।

গত ১৭ জুন পাপুলের স্ত্রী, মেয়ে ও শ্যালিকার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। পাশাপাশি পাপুল দেশে ফিরলে আর যেন বিদেশে যেতে না পারেন, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করে পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) চিঠি দিয়েছে দুদক।

প্রসঙ্গত, গত ৬ জুন রাতে কুয়েতের মুশরেফ আবাসিক এলাকা থেকে মানবপাচার ও অবৈধ মুদ্রাপাচারের অভিযোগে দেশটির সিআইডি এমপি পাপুলকে আটক করে। তাকে আটকের পর তদন্ত চলার মধ্যে এটিকে ‘সবচেয়ে বড়’ মানবপাচারের ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন কুয়েতের উপপ্রধানমন্ত্রী আনাস আল-সালেহ।

আটকের পরদিন তার জামিন আবেদন নাকচ করে আদালত সিআইডির রিমান্ডে পাঠায়। লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এই স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ১১ জন মানবপাচার ও ভিসা নবায়নের জন্য বাড়তি টাকা আদায়ের সাক্ষ্য দেয় বলে জানায় কুয়েতের গণমাধ্যম।

কুয়েতে সংসদ সদস্য আটকের বিষয়টি বাংলাদেশেও বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ফলে ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে বাংলাদেশের সিআইডি।

পাপুলের বিষয়ে দেশ ও দেশের বাইরে বহুমুখী অনুসন্ধান চলছে। কুয়েতের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), বাংলাদেশের সিআইডি, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এ অনুসন্ধান করছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : এমপি পাপুল কাণ্ড