সারা দেশে ৫০০ নদী খননের কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
jugantor
সারা দেশে ৫০০ নদী খননের কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

  বরিশাল ব্যুরো  

৩১ জুলাই ২০২০, ২১:০১:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের কীর্তনখোলা ও আড়িয়ালখাঁ নদীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি। ছবি: যুগান্তর
বরিশালের কীর্তনখোলা ও আড়িয়ালখাঁ নদীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি। ছবি: যুগান্তর

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি বলেছেন, উজানের দেশে আগামী কয়েক দিনে ভারি বৃষ্টি না হলে বাংলাদেশে নদ-নদীর পানি কমবে। দেশে খুব শীঘ্রই বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নদ-নদীর পানি নেমে গেলে স্বস্তি ফিরে আসবে। দেশের ৬৪ জেলায় ৪৩২টি খাল খননের কার্যক্রম চলছে। নানা কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। খাল খনন শেষ হলে সারা দেশে ৫শ’ নদী খননের কাজ শুরু হবে। এই কার্যক্রম শেষ হলে বন্যার সময় নদ-নদীতে পানির ধারণ ক্ষমতা আগের চেয়ে বাড়বে। তখন নদ-নদীতে পানি বাড়লে প্লাবনের তীব্রতা বর্তমানের চেয়ে কমবে।

শুক্রবার বরিশাল সদর উপজেলার কীর্তনখোলা ও আড়িয়ালখাঁ নদীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে পানি উন্নয়ন বোর্ড দক্ষিণাঞ্চল জোনের প্রধান প্রকৌশলী মো. হারুন-অর রশিদসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সারা দেশে ৫০০ নদী খননের কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

 বরিশাল ব্যুরো 
৩১ জুলাই ২০২০, ০৯:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বরিশালের কীর্তনখোলা ও আড়িয়ালখাঁ নদীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি। ছবি: যুগান্তর
বরিশালের কীর্তনখোলা ও আড়িয়ালখাঁ নদীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি। ছবি: যুগান্তর

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি বলেছেন, উজানের দেশে আগামী কয়েক দিনে ভারি বৃষ্টি না হলে বাংলাদেশে নদ-নদীর পানি কমবে। দেশে খুব শীঘ্রই বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নদ-নদীর পানি নেমে গেলে স্বস্তি ফিরে আসবে। দেশের ৬৪ জেলায় ৪৩২টি খাল খননের কার্যক্রম চলছে। নানা কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। খাল খনন শেষ হলে সারা দেশে ৫শ’ নদী খননের কাজ শুরু হবে। এই কার্যক্রম শেষ হলে বন্যার সময় নদ-নদীতে পানির ধারণ ক্ষমতা আগের চেয়ে বাড়বে। তখন নদ-নদীতে পানি বাড়লে প্লাবনের তীব্রতা বর্তমানের চেয়ে কমবে।

শুক্রবার বরিশাল সদর উপজেলার কীর্তনখোলা ও আড়িয়ালখাঁ নদীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে পানি উন্নয়ন বোর্ড দক্ষিণাঞ্চল জোনের প্রধান প্রকৌশলী মো. হারুন-অর রশিদসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 
আরও খবর