ইউএনও’র বাবা ওমর আলীকে ঢাকায় আনা হচ্ছে
jugantor
ইউএনও’র বাবা ওমর আলীকে ঢাকায় আনা হচ্ছে

  রংপুর ব্যুরো  

১২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৩০:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখ। ফাইল ছবি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে নিজ বাসভবনে হামলার শিকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে ঢাকায় প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী।

এর আগে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, ওমর আলী শেখের কোমর থেকে নিচের অংশ পুরোটাই অবশ হয়ে পড়েছে। কথা বলতে ও খেতে পারলেও তিনি চলাচল করতে পারছেন না।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. তোফায়েল হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছিলেন, ওমর আলী শেখের আগে থেকে ডায়াবেটিস ছিল। ঘটনার রাতে তিনি ঘাড়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন। এতে স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি হয়। সাধারণত এ ধরণের জটিলতায় চার হাত-পা অবশ হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে তার দুই হাত কিছুটা সচল থাকলেও নাভির নিচ থেকে পুরো নিচের অংশ অবশ হয়ে পড়েছে।

তিনি জানান, এ ধরণের সমস্যা সেরে উঠতে দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগে। আপাতত তার অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন না হলেও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বাবা ওমর আলী শেখকে রমেক হাসপাতালের ৫ম তলার নিউরো সার্জারি ওয়ার্ড থেকে তৃতীয় তলায় ভিআইপি কেবিনে নেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। তারা ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে।

ইউএনও’র বাবা ওমর আলীকে ঢাকায় আনা হচ্ছে

 রংপুর ব্যুরো 
১২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখ। ফাইল ছবি
ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখ। ফাইল ছবি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে নিজ বাসভবনে হামলার শিকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে ঢাকায় প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী।

এর আগে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, ওমর আলী শেখের কোমর থেকে নিচের অংশ পুরোটাই অবশ হয়ে পড়েছে। কথা বলতে ও খেতে পারলেও তিনি চলাচল করতে পারছেন না।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. তোফায়েল হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছিলেন, ওমর আলী শেখের আগে থেকে ডায়াবেটিস ছিল। ঘটনার রাতে তিনি ঘাড়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন। এতে স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি হয়। সাধারণত এ ধরণের জটিলতায় চার হাত-পা অবশ হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে তার দুই হাত কিছুটা সচল থাকলেও নাভির নিচ থেকে পুরো নিচের অংশ অবশ হয়ে পড়েছে।

তিনি জানান, এ ধরণের সমস্যা সেরে উঠতে দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগে। আপাতত তার অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন না হলেও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বাবা ওমর আলী শেখকে রমেক হাসপাতালের ৫ম তলার নিউরো সার্জারি ওয়ার্ড থেকে তৃতীয় তলায় ভিআইপি কেবিনে নেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। তারা ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
আরও খবর