আটক ভিপি নুরকে ছেড়ে দেয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার
jugantor
আটক ভিপি নুরকে ছেড়ে দেয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২৩:২২:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর ও ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম। ফাইল ছবি

আটক ভিপি নুরকে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম। সোমবার রাত পৌনে ১১টায় যুগান্তরকে এ তথ্য জানান তিনি।

ডিএমপি কমিশনার যুগান্তরকে বলেন, ডিবি অফিসে নেয়ার পর নুরের শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। তার এজমা আছে। রাতে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। যেকোনো সময় তাকে ছেড়ে দেয়া হবে।

এজাহার হওয়ার পর এভাবে আসামি ছাড়া যায় কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার যুগান্তরকে বলেন, মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে কিনা তা তদন্ত হবে। ভিপি নুরের বিরুদ্ধে তো ধর্ষণের কোনো অভিযোগ নেই, তার কাছে মেয়েটি বিচার নিয়ে এসেছিল। ঘটনা তদন্ত করে যদি সত্যতা কিছু পাওয়া যায়, তাহলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, সোমবার রাতেঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সদ্য সাবেকভিপি নুরুল হক নুরকে আটকের পর তার মুক্তি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

সোমবার রাতে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ থেকে নূরসহ সাতজনকে আটককরে পুলিশ।

পুলিশের কাজে বাধা দেয়া এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে শাহবাগ থেকে তাদের আটককরা হয়। এর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর এলেও বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।

ছাত্র অধিকার পরিষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা যুগান্তরকে বলেন, ভিপি নুরসহ আমাদের কয়েকজন সহযোদ্ধার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে আমরা বিক্ষোভ মিছিল করছিলাম।

বিক্ষোভ মিছিলের শেষের দিকে শাহবাগ থেকে পুলিশ ভিপি নুরকে আটক করে। এ সময় পুলিশের অতর্কিত আক্রমণে নুরকে বাঁচাতে গিয়ে আমাদের অনেকেই আহত হয়েছেন। আমি নিজেও আহত হয়েছি।

এর আগে রোববার নুরসহ কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৬ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান আল মামুনকে। ধর্ষণে সহযোগী হিসেবে ভিপি নুরকে করা হয়েছে ৩ নম্বর আসামি।

গত ৩ জানুয়ারি ধর্ষণ এবং এতে সহযোগিতার অভিযোগ এনে লালবাগ থানায় তাদের নামে এ মামলা করা হয়।

আটক ভিপি নুরকে ছেড়ে দেয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর ও ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম। ফাইল ছবি
ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর ও ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম। ফাইল ছবি

আটক ভিপি নুরকে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম। সোমবার রাত পৌনে ১১টায় যুগান্তরকে এ তথ্য জানান তিনি। 

ডিএমপি কমিশনার যুগান্তরকে বলেন, ডিবি অফিসে নেয়ার পর নুরের শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। তার এজমা আছে। রাতে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। যেকোনো সময় তাকে ছেড়ে দেয়া হবে।

এজাহার হওয়ার পর এভাবে আসামি ছাড়া যায় কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার যুগান্তরকে বলেন, মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে কিনা তা তদন্ত হবে। ভিপি নুরের বিরুদ্ধে তো ধর্ষণের কোনো অভিযোগ নেই, তার কাছে মেয়েটি বিচার নিয়ে এসেছিল। ঘটনা তদন্ত করে যদি সত্যতা কিছু পাওয়া যায়, তাহলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, সোমবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে আটকের পর তার মুক্তি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। 

সোমবার রাতে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ থেকে নূরসহ সাতজনকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশের কাজে বাধা দেয়া এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে শাহবাগ থেকে তাদের আটক করা হয়। এর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর এলেও বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।

ছাত্র অধিকার পরিষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা যুগান্তরকে বলেন, ভিপি নুরসহ আমাদের কয়েকজন সহযোদ্ধার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে আমরা বিক্ষোভ মিছিল করছিলাম।

বিক্ষোভ মিছিলের শেষের দিকে শাহবাগ থেকে পুলিশ ভিপি নুরকে আটক করে। এ সময় পুলিশের অতর্কিত আক্রমণে নুরকে বাঁচাতে গিয়ে আমাদের অনেকেই আহত হয়েছেন। আমি নিজেও আহত হয়েছি।

এর আগে রোববার নুরসহ কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৬ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান আল মামুনকে। ধর্ষণে সহযোগী হিসেবে ভিপি নুরকে করা হয়েছে ৩ নম্বর আসামি।

গত ৩ জানুয়ারি ধর্ষণ এবং এতে সহযোগিতার অভিযোগ এনে লালবাগ থানায় তাদের নামে এ মামলা করা হয়।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ভিপি নুরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০