সৌদি আরব জানে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
jugantor
সৌদি আরব জানে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:০৪:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন

সৌদি আরবে অবস্থান করা ৫৪ হাজার মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের বিষয়ে বাংলাদেশ তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে। রোহিঙ্গাদের পাসপোর্টের বিষয়ে সৌদিকে মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি রিয়াদে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক সে বিষয়টি সৌদি আরব জানে বলেও মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রী তার দফতরে সাংবাদিকদের একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি, তোমরা বরং মিয়ানমারকে আগে বল। সৌদি আরব জানে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক। স্বাভাবিকভাবে আমরা তাদের বলেছি— তোমরা মিয়ানমারকে আগে বল।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান এই সংকটের বিষয়ে বলেন, ৩০-৪০ বছর আগে তৎকালীন সৌদি বাদশা ঘোষণা করেন, রোহিঙ্গাদের তিনি তার দেশে আশ্রয় দেবেন। অনেক রোহিঙ্গা তখন সৌদি আরবে যায়। কিন্তু তাদের কোনো পাসপোর্ট নেই। এখন সৌদি আরব বলছে, তাদের দেশে তারা কোনও রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিকে রাখে না।তারা বলছে, রোহিঙ্গারা অনেকেই বাংলাদেশ থেকে এসেছে। এ কারণে বাংলাদেশকে ওইসব রোহিঙ্গার পাসপোর্ট দিতে বলে তারা। আমরা বলেছি যে, আগে কখনও ওদের পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে এবং তারা যদি এমন প্রমাণাদি দেখাতে পারে যে, তারা কখনও বাংলাদেশে ছিল— কেবল তাহলেই তাদের পাসপোর্ট ইস্যু করব।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তারা (সৌদি আরব) বলেছে, পাসপোর্ট ইস্যুর অর্থ এই নয় যে, তাদের আমরা বিতাড়িত করবো। যেহেতু আমরা কোনও স্টেটলেস লোক রাখি না, সেজন্য তাদের পাসপোর্ট দরকার। এ অবস্থায় আমাদের আলোচনা হচ্ছে।’

তবে ৫৪ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট না দিলে সৌদিতে থাকা ২২ লাখ প্রবাসীর সঙ্গে নেতিবাচক আচরণ করা হবে বলে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু দুষ্টু প্রকৃতির লোক সব জায়গায় আছে। তারা উসকানি দেয়, উসকানি দেওয়ার যথেষ্ট কারণও আছে। কারণ আমাদের শ্রমিক সবচেয়ে বেশি সৌদি আরবে। যারা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী তারা এ নিয়ে অসন্তুষ্ট। তারা এসব বলে রটাচ্ছে।’

সৌদি আরব জানে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। ফাইল ছবি

সৌদি আরবে অবস্থান করা ৫৪ হাজার মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের বিষয়ে বাংলাদেশ তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে। রোহিঙ্গাদের পাসপোর্টের বিষয়ে সৌদিকে মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি রিয়াদে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক  সে বিষয়টি সৌদি আরব জানে বলেও মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। 

বৃহস্পতিবার মন্ত্রী তার দফতরে সাংবাদিকদের একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি, তোমরা বরং মিয়ানমারকে আগে বল। সৌদি আরব জানে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক। স্বাভাবিকভাবে আমরা তাদের বলেছি— তোমরা মিয়ানমারকে আগে বল।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান এই সংকটের বিষয়ে বলেন, ৩০-৪০ বছর আগে তৎকালীন সৌদি বাদশা ঘোষণা করেন, রোহিঙ্গাদের তিনি তার দেশে আশ্রয় দেবেন। অনেক রোহিঙ্গা তখন সৌদি আরবে  যায়। কিন্তু তাদের কোনো পাসপোর্ট নেই। এখন সৌদি আরব বলছে, তাদের দেশে তারা কোনও রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিকে রাখে না।তারা বলছে, রোহিঙ্গারা অনেকেই বাংলাদেশ থেকে এসেছে।  এ কারণে বাংলাদেশকে  ওইসব রোহিঙ্গার পাসপোর্ট দিতে বলে তারা। আমরা বলেছি যে, আগে কখনও ওদের পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে এবং  তারা  যদি এমন  প্রমাণাদি দেখাতে পারে যে, তারা কখনও বাংলাদেশে ছিল— কেবল তাহলেই তাদের পাসপোর্ট ইস্যু করব।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও  বলেন, ‘তারা (সৌদি আরব) বলেছে, পাসপোর্ট ইস্যুর অর্থ এই নয় যে, তাদের আমরা বিতাড়িত করবো। যেহেতু আমরা কোনও স্টেটলেস লোক রাখি না, সেজন্য তাদের পাসপোর্ট দরকার।  এ অবস্থায় আমাদের আলোচনা হচ্ছে।’

তবে ৫৪ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট না দিলে সৌদিতে থাকা ২২ লাখ প্রবাসীর সঙ্গে নেতিবাচক আচরণ করা হবে বলে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু দুষ্টু প্রকৃতির লোক সব জায়গায় আছে। তারা উসকানি দেয়, উসকানি দেওয়ার যথেষ্ট কারণও আছে। কারণ আমাদের শ্রমিক সবচেয়ে বেশি সৌদি আরবে। যারা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী তারা এ নিয়ে অসন্তুষ্ট। তারা এসব বলে রটাচ্ছে।’