রাজাকারদের ‘আংশিক’ তালিকা বিজয় দিবসের আগেই
jugantor
রাজাকারদের ‘আংশিক’ তালিকা বিজয় দিবসের আগেই

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৭:১১:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজাকারদের ‘আংশিক’ তালিকা বিজয় দিবসের আগেই

একাত্তরের রাজাকারদের ‘আংশিক’ তালিকা প্রকাশ করার উদ্যোগ নিয়েছে এ সংক্রান্ত সংসদীয় উপকমিটি।

আগামী বিজয় দিবসের আগেই এ তালিকা করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এ উপকমিটির আহ্বায়ক শাজাহান খান। উপকমিটি এরই মধ্যে এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে রোববার শাজাহান খান একটি গণমাধ্যমকে বলেন, কাজ এরই মধ্যে শুরু করেছি। আমরা কিছু তালিকা সংগ্রহ করেছি। আগামী ৭-১০ দিনের মধ্যে একটা মিটিং করব।

তিনি আরও বলেন, আশা করছি আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে আংশিক তালিকা প্রকাশ করব। পর্যায়ক্রমে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।

রাজাকারের তালিকা তৈরি করতে চলতি বছরের ৯ আগস্ট ছয় সদস্যের এ উপকমিটি গঠন করা হয়।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয় প্রায় এক দশক আগে। এরপরই রাজাকারের তালিকা তৈরির জোরালো দাবি ওঠে। গত বছর বিজয় দিবসের আগের দিন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী ১০ হাজার ৭৮৯ জন ‘স্বাধীনতাবিরোধীর’ তালিকা প্রকাশ করেন।

কিন্তু গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নাম তালিকায় আসায় প্রতিবাদের মুখে ওই তালিকা স্থগিত করা হয়।

রাজাকারদের ‘আংশিক’ তালিকা বিজয় দিবসের আগেই

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রাজাকারদের ‘আংশিক’ তালিকা বিজয় দিবসের আগেই
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ। ফাইল ছবি

একাত্তরের রাজাকারদের ‘আংশিক’ তালিকা প্রকাশ করার উদ্যোগ নিয়েছে এ সংক্রান্ত সংসদীয় উপকমিটি। 

আগামী বিজয় দিবসের আগেই এ তালিকা করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এ উপকমিটির আহ্বায়ক শাজাহান খান। উপকমিটি এরই মধ্যে এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে রোববার শাজাহান খান একটি গণমাধ্যমকে বলেন, কাজ এরই মধ্যে শুরু করেছি। আমরা কিছু তালিকা সংগ্রহ করেছি। আগামী ৭-১০ দিনের মধ্যে একটা মিটিং করব।

তিনি আরও বলেন, আশা করছি আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে আংশিক তালিকা প্রকাশ করব। পর্যায়ক্রমে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।

রাজাকারের তালিকা তৈরি করতে চলতি বছরের ৯ আগস্ট ছয় সদস্যের এ উপকমিটি গঠন করা হয়।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয় প্রায় এক দশক আগে। এরপরই রাজাকারের তালিকা তৈরির জোরালো দাবি ওঠে। গত বছর বিজয় দিবসের আগের দিন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী ১০ হাজার ৭৮৯ জন ‘স্বাধীনতাবিরোধীর’ তালিকা প্রকাশ করেন।

কিন্তু গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নাম তালিকায় আসায় প্রতিবাদের মুখে ওই তালিকা স্থগিত করা হয়।