ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর ও অর্জুন রিমান্ডে
jugantor
ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর ও অর্জুন রিমান্ডে

  সিলেট ব্যুরো  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:২৭:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সাইফুর ও অর্জুন

সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে তরুণীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমান ও অর্জুন লস্করের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গতকাল রোববার সকাল ৮টা দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে সাইফুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আর অর্জুনকে গ্রেফতার করা হয় হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা সীমান্ত এলাকা থেকে।

সাইফুর অস্ত্র মামলারও আসামি। ঘটনার দিন রাত ৩টার দিকে এমসি কলেজের হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা ও একটি চাকু, দুটি লোহার পাইপ, প্লাসসহ বিভিন্ন জিনিস জব্দ করে।

ছাত্রলীগের এই নেতার বিরুদ্ধে হোস্টেল সুপারের বাংলো দখলের অভিযোগও রয়েছে।

গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আটকে রাখে দুজন।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদীহয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামি করা হয়।

এ ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও অধরা আসামিমাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫)। তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮)।

ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর ও অর্জুন রিমান্ডে

 সিলেট ব্যুরো 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাইফুর ও অর্জুন
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর ও অর্জুন। ছবি-যুগান্তর

সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে তরুণীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমান ও অর্জুন লস্করের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

এর আগে গতকাল রোববার সকাল ৮টা দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে সাইফুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

আর অর্জুনকে গ্রেফতার করা হয় হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা সীমান্ত এলাকা থেকে। 

সাইফুর অস্ত্র মামলারও আসামি। ঘটনার দিন রাত ৩টার দিকে এমসি কলেজের হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা ও একটি চাকু, দুটি লোহার পাইপ, প্লাসসহ বিভিন্ন জিনিস জব্দ করে।

ছাত্রলীগের এই নেতার বিরুদ্ধে হোস্টেল সুপারের বাংলো দখলের অভিযোগও রয়েছে।

গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আটকে রাখে দুজন।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামি করা হয়।

এ ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও অধরা আসামি মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫)। তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮)।

 

ঘটনাপ্রবাহ : সিলেট এমসি কলেজ হোস্টেলে গণধর্ষণ

আরও খবর